somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

নূর মোহাম্মদ নূরু
নূর মোহাম্মদ নূরু (পেশাঃ সংবাদ কর্মী), জন্ম ২৯ সেপ্টেম্বর প্রাচ্যের ভেনিস খ্যাত বরিশালের উজিরপুর উপজেলাধীন সাপলা ফুলের স্বর্গ সাতলা গ্রামে

ভালো মন্দের মিশেল আছে; জন্ম যাদের জুন মাসে !

০৫ ই জুন, ২০২১ দুপুর ১:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


জ্যোতিষশাস্ত্র মতে জাতক বা জাতিকার জন্ম মাস তাঁর ব্যক্তিত্ব বা ভাগ্য় নির্ধারণে সাহায্য করে। কোনও ব্যক্তির আচরণ এবং তাঁর চরিত্রের বৈশিষ্ট্য নির্ভর করে সেই ব্যক্তির জন্ম সময়, কাল বা জন্ম মাসের উপর। জাতকের ভাগ্য সম্পর্কে অনেক কিছুই বলে দেওয়া সম্ভব তাঁর জন্ম মাস থেকে। পার্সোনালিটি অ্যানালিসিস করেন যারা তাদের মতে জুন মাসে যারা জন্ম গ্রহণ করেন, তাদের চরিত্র নাকি বাকি অনেকের থেকে আলাদা হয়ে থাকে। এরা একদিকে যেমন লোকসমাজে বেজায় জনপ্রিয় হন, তেমনি বন্ধু এবং জীবনসঙ্গী হিসেবেও এদের গ্রহণযোগ্যতাকে উপেক্ষা করা সম্ভব নয়। তবে এখানেই শেষ নয়, একাধিক স্টাডিতে দেখা গেছে জুন মাসে যারা জন্ম গ্রহণ করেন, তাদের চরিত্রের এমন কতগুলি দিক রয়েছে, যা বাস্তবিকই চমকপ্রদ! এদের জীবন অতি কষ্টের মধ্যে দিয়ে কাটে। জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে অতে হাড় ভাঙা খাটুনি খাটতে হয়। তবে এদের মানসিকতা উদার প্রকৃতির। তবে জন্মছকে গ্রহের দোষ থাকলে বিলাসীতার কারণে প্রচুর অর্থ অপচয় করে। এরা কোনও অবস্থাতেই অমর্যাদাপূর্ণ কাজ করে না। যে কোনও কাজ করার আগে প্রচুর চিন্তা-ভাবনা করে তারপরেই সিদ্ধান্ত নেন। এরা দীর্ঘ ও সুঠাম দেহী, লম্বা ও চিন্তাশীল হয়। বেশির ক্ষেত্রেই লক্ষ্য করা গিয়েছে জুন মাসে জন্মানো জাতকরা নিজেদের মনের কথা সহজে কাউকে বলে ও বুঝিয়ে উঠতে পারেন না। অনেকে এদের এই কারণে ভুল বোঝে। বা এই স্বভাবজাত কারণের জন্যই এদের বহু সম্পর্ক হারাতে হয়, যা এরা নিজেরাও জানেন না। জুন মাসে জন্ম গ্রহণকারী ব্যক্তিরা রোমান্টিক প্রকৃতির হয়। তবে অনেকে মনে করে থাকি যে এই মাসে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তিরা হিংসুটে প্রকৃতির হয়। যদি আপনি বা আপনার কোনও পরিচিতের জন্মদিন জুন মাসে হয়ে থাকে, তাহলে এ তথ্যগুলো আপনার কাজে লাগতেও পারে। বেশ কিছু স্টাডি অনুসারে জুন মাসে যারা জন্ম গ্রহণ করেন তাদের চরিত্র মূলত চার ধরনের হয়ে থাকে। যেমনঃ


১-৮ তারিখের মধ্যে যাদের জন্মঃ
এই সময়ে যারা এই পৃথিবীতে এসেছেন তারা জনসাধারণের মধ্যে যে বেজায় জনপ্রিয় হয়ে উঠবেন সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই! শুধু তাই নয়, এমাসে জন্মগ্রহণকারী মানুষেরা এমন হন যে ব্যক্তিগত জীবনে সুখে-শান্তিতে কীভাবে থাকতে হয়, তা এদের থেকে ভাল কেউ জানে না। তবে এখানেই শেষ নয়, এদের আরও কতগুলি গুণ রয়েছে। যেমন ধরুন টাকা জমাতে হয় কীভাবে সে বিষয়ে এদের স্পষ্ট ধারণা থাকে, সেই সঙ্গে এরা এতটাই বুদ্ধিমান হন যে কর্মক্ষেত্রে সফলতার স্বাদ পেতে সময় লাগে না। তবে এমন মানুষদের চরিত্রের একটাই খারাপ দিক রয়েছে, তা হল এরা যে কোনও সম্পর্কেই নিজেদেরকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। তাই তো অনেকেই এদের স্বার্থপর মানুষ হিসেবে বিবেচিত করে থাকেন। তাই এমন মানুষকে জীবনসঙ্গী হিসেবে ভাবার আগে সবদিকটা একবার বিবেচনা করে নিতে ভুলবেন না যেন!
৯-১৫ তারিখের মধ্যে যাদের জন্মঃ
ঝামেলা কীভাবে সৃষ্টি করতে হয়, তা এদের থেকে কেউ ভাল জানে না। কথায় কথায় সমস্যায় পরতে এবং ফেলতে এদের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। তাই এমন মানুষদের বাবা-মাকে সারা জীবন চিন্তায় চিন্তায় কাটাতে হয়। শুধু তাই নয়, ৯-১৫ তারিখের মধ্যে যারা জন্মান, তাদের বিশ্বাস করাটা একটু কঠিন। কারণ নিজেদের স্বার্থে এরা রুপ বদলে ফেলতে বেজায় পারঙ্গম। শুধু তাই নয়, এরা বেজায় মুডিও বটে। তাই তো এদের নিয়ন্ত্রণে রাখা যেমন সমস্যার, তেমনি ঝামেলারও বটে। তবে এমন মানুষেদর চরিত্রের কিছু ভাল দিকও রয়েছে, যেমন ধরুন, কাউকে সঠিক পরামর্শ দিতে এরা ভাল পারেন। সেই সঙ্গে যাকে এরা একবার ভালবেসে ফেলেন, তাদেরকে কীভাবে সুখ-শান্তিতে রাখা যায় সেই চিন্তাতেই মজে থাকেন সারাক্ষণ।
১৬-২২ তারিখের মধ্যে যাদের জন্মঃ
মনের মানুষ বলতে যা বোঝায় এরা একেবারেই তেমন। আসলে বেজায় বুদ্ধিমান হলেও মন দিয়ে ভাবতে এবং মনের কথা শুনতেই এমন মানুষেরা বেশি ভালবাসেন। তাই তো সরল মানুষদের তালিকায় একেবারে উপরের দিকে এদের রাখা যেতেই পারে। প্রসঙ্গত, এরা যেমন ইমোশনাল হন, তেমনি মানুষের ভালবাসতে জানেন। তাই তো বন্ধু এবং জীবনসঙ্গী হিসেবে এদের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। তবে মাঝে মধ্যে এরা ইমোশনাল হয়ে এমন কাজ করে ফেলেন যে অনেকেই এদের ভুল বুঝে ফেলেন। কিন্তু বিশ্বাস করুন খাঁটি সোনার মানুষ হয়ে থাকেন এরা। তাই এমন কারও সন্ধান পেলে সহজে হারিয়ে ফেলবেন না যেন!
২৩-৩০ এর মধ্যে যাদের জন্মদিনঃ মনের কথা মুখের উপর বলে দিতে এরা দুবারও ভাবেন না। শুধু তাই নয়, পরিশ্রম করার ক্ষমতার দিক থেকে এদের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। তাই তো কর্মক্ষেত্রে এমন মানুষদের সফলতা লাভ করতে বেশিদিন অপেক্ষা করতে হয় না। শুধু তাই নয়, স্বপ্ন কীভাবে পূরণ করতে হয়, তা এদের থেকে কেউ ভাল জানে না। আর যদি সম্পর্কের কথা বলেন, তাহলে বলতে হয় এরা কর্মক্ষেত্রে যতটা সফল, পরিবারিক জীবনে ততটাই বিফল। কারণ এমনন মানুষদের বৈবাহিক জীবন খুব একটা সুখের হয় না। তাই এরা অনেকে অনেক টাকার মালিক তো হন, কিন্তু জীবনের একটা বড় অংশই এদের একা থেকে যেতে হয়।


বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ
পার্থিব বিষয়াদি জ্যোতিষ্কমণ্ডলী দ্বারা প্রভাবান্বিত এবং এদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে ভবিষ্যত্ ঘটনাবলী আগাম বলা সম্ভব’ এই বিশ্বাসই জ্যোতিষশাস্ত্র নামে পরিচিত। যতদূর জানা যায়, ঈসা (আঃ)-এর জন্মের তিন হাজার বছর আগে মেসোপটেমিয়ায় এর সূচনা হয় এবং গ্রিস সভ্যতাবলয়ে তা পূর্ণতা লাভ করে। ইসলামে জ্যোতিষশাস্ত্র চর্চা ও বিশ্বাস হারাম। বিশ্বাস নিয়ে জ্যোতিষীর কাছে যাওয়া, তার ভবিষ্যদ্বাণী শোনা, জ্যোতিষশাস্ত্রের বই কেনা, রাশিফল পড়া —সবকিছুই নিষেধ। কারণ এর মাধ্যমে জ্যোতিষবিদ দাবি করেন, ভবিষ্যত্ জ্ঞান তার কাছে রয়েছে। অথচ কোরআন মাজিদে আল্লাহ বলেছেনঃ
১। ‘অদৃশ্যের কুঞ্জি তাঁরই কাছে রয়েছে, তিনি ছাড়া অন্য কেউ তা জানে না’ (সূরা আন’আম : ৫৯)
২। ‘বল আল্লাহ ছাড়া আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে কেউই অদৃশ্য বিষয়ের জ্ঞান রাখে না’ (সূরা আন-নামল : ৬৫)
তাই জ্যোতিষের কথায় বা জ্যোতিষশাস্ত্রের বইয়ে বিধৃত রাশিচক্রে প্রদত্ত ভবিষ্যদ্বাণী বিশ্বাস করা কোনোভাবেই সঠিক নয়।

সূত্রঃ Bengali News

নূর মোহাম্মদ নূরু
গণমাধ্যমকর্মী
ব্রেকিং নিউজ২৪.কম :-& ফেসবুক-১ :-& ফেসবুক-২
[email protected]
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জুন, ২০২১ দুপুর ২:৪৬
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জুলাই বিপ্লব নাকি জুলাই CDI?

লিখেছেন মাথা পাগলা, ০৮ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১:২৯



আমি মনে করি জুলাই বিপ্লবের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল বাংলাদেশের রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ সাধারণ জনগণ। যাদের মধ্যে দেশপ্রেম, মায়-মমতা আছে, যারা অন্যায়-অবিচার দেখলে প্রতিবাদ করেন, তারাই এই আন্দোলনের মূল শক্তি... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুসলমানের সন্তানের নাম জিকো কীভাবে হতে পারে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১:৫৫


ছোটো মামার মুখে একটা নাম প্রায়ই শুনতাম, জিকো। তখন বুঝতাম না এটা কে, শুধু জানতাম এই মানুষটা নাকি ফুটবল মাঠে জাদু দেখাতেন। পরে জেনেছি তার আসল নাম আর্থার... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাতৃভূমিকে ছোট করে প্রতিবেশী দেশকে মহান দেখানোর উদ্দেশ্য কি?

লিখেছেন ভুয়া মফিজ, ০৮ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:২১



বহুদিন ব্লগে ঘোরাঘুরি করা হয় না। গত সপ্তাহে কি মনে হলো, ভাবলাম একটু ঘোরাঘুরি করি। তো ঘুরতে ঘুরতে কিছু পোষ্ট পড়লাম; কিছু মন্তব্যও নজরে আসলো, বিশেষভাবে দুইটা মন্তব্য।... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ নিত্য তোমার অন্বেষণে

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ০৮ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:২২

জানি,
তুমি ছড়িয়ে আছো চতুর্দিকেই,
তবুও,
মন খারাপে তাকাই আমি আকাশপানেই
দিনে তাকাই, রাতেও তাকাই,
আলোয় তাকাই , কালোয় তাকাই,
তাকাই মানে তোমায় খুঁজি,
খুঁজতে খুঁজতে চোখ বুঁজি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

এদেরকে না রুখলে চড়া মূল্য দিতে হবে

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৮ ই জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৬



মাহবুব আজিজ, আনিস আলমগীর, সোমা ইসলাম, শাওন, মঞ্জুরুল পান্না, শম্পা রেজা, কালচারাল ফ্যাসিস্ট ফরিদুর রেজা শাইখ সিরাজ এদেরকে এখনই বন্ধ করতে হবে না হলে বাংলাদেশকে চড়া মূল্য দিতে হবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×