উড়ো চিঠি এলো আমার নামে
পুরো দুনিয়ার কেউ জানলো না
এক ডাকপিয়ন আর বউ ছাড়া।
এমন খাম জীবনেও দেখিনি,
মাইরি বলছি ।
সবুজ মলাট
মাঝখানে ছিঁড়ে যাওয়া শিকলের জলছাপ ।
আমি রঙগুলোর মানে খোজার চেষ্টা করলাম।
সবুজ তো হল জীবন আর প্রকৃতি
অথবা হৃদয় আর মস্তিস্কর সুন্দর সম্মিলন ।
আরও অনেক মানে থাকতে পারে, কিন্তু জানি না।
শিকল হল পরাধীনতা
আর শিকল ছেড়া হল মুক্তি।
প্রেরকের নাম নেই
এমন অদ্ভুত খামে তাই উৎসাহ বাড়বেই।
বউ উলটে পালটে দেখলো
ভদ্র মেয়ে,বলল, আমার সামনে খুলবে?
না খোলার তো কিছু নেই!
আমার সবটাই তো খোলা তোমার কাছে ।
ইতর!
হা হা হা . . .
অবশেষে চিঠিটা খুললাম
ভিতরে লাল কাগজ
মাঝখানে নীল হরফে লেখা মুক্তি
ভয়ে দৃষ্টি মিলে গেলো দুজনের
কোন কথা হল না কিছুক্ষণ।
তারপর নানান মানে খোঁজার চেষ্টা করলাম
অনেক অর্থ , হাজার যুক্তি।
বৃথা চেষ্টা, শেষে বললাম
নিশ্চয়ই কারুর ফাইজলামি।
মাঝরাতে ঘুম ভেঙ্গে গেলে
মনে পড়ল চিঠিটার কথা।
সত্যি এত টেনশন!
আর প্রচণ্ড মাথাব্যাথা।
ওকে ডাকবো কিনা বুঝতে পারছি না
না থাক, ঘুমাক।
এভাবে কতক্ষণ বলতে পারবো না।
দেখি মাথায় আর বুকে কারো হাত
সে হাতে হাত রাখি
এখন কেমন লাগছে?
ভালো।
সেই কখন থেকে ছটফট করছ। পানি খাবে একটু?
হ্যাঁ।
চিঠিটা নিয়ে ভাবছিলে বুঝি?
কিছু বললাম না।
মিষ্টি একটা চুমু পেলাম কপালে
কিসসু হবে না দেখো।
দেখি জানালার শিক গলে
হাজার জোসনা আমার ঘরে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

