somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইন্টেরিয়র আর্কিটেক্ট পেশায় উজ্জ্বল নক্ষত্র জেসিনা সারমিন

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ৮:১০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :





জেসিনা সারমিন। বাংলাদেশে নতুন পেশা ইন্টেরিয়র আর্কিটেক্টে এক পরিচিত মুখ। অত্যন্ত সাহস আর প্রত্যয় নিয়ে তিনি এগিয়ে যাচ্ছেন। তার প্রতিষ্ঠান “এলোমেলো ইন্টেরিয়র” রাজধানীর উত্তরায় অবস্থিত। যা প্রতিনিয়ত খুব দাপটের সাথে গ্রাহক সেবা দিয়ে যাচ্ছে।

ইন্টেরিয়র পেশার সৌন্দর্য এবং বৈচিত্র্যতায় এখন বাংলাদেশের অনেক ছেলে-মেয়েই এই পেশায় এগিয়ে আসছে। কিন্তু একটা সময় ছিলো যখন মানুষের এই পেশাটা সম্পর্কে ধারণা ছিলো না। কেউ কেউ সকাল ১০টা টু ৫টা তথাকথিত পরিচিত চাকরির পিছনে না ছুটে নতুন পেশাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে অল্প সময়ে সফলপথে এগিয়ে যাচ্ছে। উত্তরার “এলোমেলো ইন্টেরিয়র” এর কর্ণধার জেসিনা সারমিন তেমনি এক সৃজনশীল ব্যবসায়ী নারী ব্যক্তিত্ব।







যিনি অত্যন্ত পরিশ্রম, মেধা আর সৃজনশীলতার পথ ধরে তার পেশাকে মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে। দিনে দিনে এখন মানুষ ঘর-বাড়ি অফিস সাজানোর জন্য অভিজ্ঞ ফার্মগুলোর কাছে যায়। জেসিনা সারমিনের সাথে ফেসবুক আলাপচারিতায় জানা যায় তার পেশাগত সংগ্রাম এবং সফলতার কথা। ২০০৬ সালে তিনি ইন্টেরিয়র আর্কিটেক্ট বিষয়ে বিএ অনার্সে ভর্তি হয় শান্তা মারিয়াম ইউনিভার্সিটিতে। পড়াকালীন সময়েই ২০০৮ সালে জব নেন। তারপর ২০১০ সালে শেষ করেন তার পড়াশুনা। তারপর ২০১১ সালে তিনি পুরোদুস্তর নিজের ব্যবসা শুরু করেন। রাজধানীর উত্তরায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান “এলোমেলো ইন্টেরিয়র” কে ঘিরে তার সৃষ্টিশীল জগৎ। তিনি মনে করেন আগে ডিজাইন পরে ব্যবসা। ডিজাইনের বৈচিত্র্যতায় কোন কম্প্রোমাইজ করেন না। গাজীপুরে নিজের জমিতে করা তার একটি ফার্নিচার কারখানা আছে। যা অনলাইনে সার্ভিস দেওয়া হয়।









২০১১ থেকে ২০১৬ সালের এই অল্প সময়ে তিনি ঢাকা ও ঢাকার বাইরের বেশ অনেকগুলো কাজ করে প্রশংসা অর্জন করেছেন। খুব দ্রুতই তার প্রতিষ্ঠান নিজ গুণে পরিচিত গন্ডি পেরিয়ে সম্প্রসারণ হচ্ছে দেশের বিভিন্ন জায়গায়।

তার প্রতিটি ডিজাইনিংয়ে আলাদা বৈচিত্র্যতা এবং নান্দনিকতা থাকায় খুব সহজেই গ্রাহক আগ্রহ প্রকাশ করে। তিনি শুধুই ব্যবসায়িক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে নয় সৃজনশীলতার বিষয়টিকে গুরুত্ব দেন।





তিনি ভবিষ্যতে সুবিধা বঞ্চিত এবং শিশুদের নিয়ে কাজ করার স্বপ্ন দেখেন। তার সৃজনশীল পৃথিবী “এলোমেলো ইন্টেরিয়র” যেনো আরও দ্রুততর উপায়ে গ্রাহক সেবা পেতে পারে তাই আধুনিকায়ন এবং ডিজিটাল করার প্রয়াসে কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি এই সময়ে যারা “ইন্টেরিয়র আর্কিটেক্ট” আসতে আগ্রহী তাদের উদ্দেশ্যে বলেন অনেক সম্ভবনা এবং সুযোগ প্রতিনিয়ত তৈরি হচ্ছে। সময় এবং সুযোগ কে কাজে লাগিয়ে প্রচুর পরিশ্রম করতে হবে। তাহলেই এই পেশায় সাফল্য পাওয়া যাবে।
এটি একটি সৃজনশীল মুক্ত পেশা। এখানে স্বাধীনতা আছে সুন্দর স্বপ্ন দেখার। কোন বাঁধা ধরা নিয়ম সৃষ্টিশীলতা কে আটকাতে পারে না। শুধু একাগ্র প্রচেষ্টা, ধৈর্য আর পরিশ্রম সব স্বপ্ন কে হাতের মুঠোয় এনে দিতে পারে। তিনি আরও বলেন বর্তমান প্রতিযোগিতা মূলক পৃথিবীতে ভালো ইউনিভার্সিটি এবং তথাকথিত ভালো সাবজেক্ট এ পড়াশুনা করে একটা টিপিক্যাল চাকরি করে জীবন পার করার সময় অনেক আগেই ফুরিয়ে গেছে। এই প্রজন্ম অনেক বেশি আধুনিক, সাহসী এবং স্বাধীন চিন্তা করে। তাই নতুন নতুন চিন্তা ক্যারিয়ারের পথকে আরও অনেক বেশি প্রসারিত করছে। যেকোন সৃষ্টি সময় আর জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পেতে সময় এবং ধৈর্য ধরতে হয়। আর যে এই বিষয়গুলো মুখোমুখি হয়ে পরিশ্রম করবে এবং সৃষ্টিশীল জগৎকে সমৃদ্ধ করবে, সফলতা সরবেই এসে ধরা দিবে।

আশাকরি বাংলাদেশ দ্রুতই বেকার এবং দারিদ্র থেকে মুক্ত হবে। নতুন নতুন স্বপ্ন সম্ভাবনায় উদ্ভাসিত হবে। নারী উদ্যোগক্তা জেসিনা সারমিনের প্রতি সামু ব্লগ পরিবারের পক্ষ থেকে অনেক শুভ কামনা রইলো। তার সৃষ্টি ছড়িয়ে পড়ুক দেশ থেকে বিশ্বময়।





বি:দ্র: জেসিনা সারমিনের “এলোমেলো ইন্টেরিয়র” এর কাজ সম্পর্কে জানতে চাইলে তার ইউটিউব চ্যানেল এবং ফেসবুক পেজে যোগাযোগ করার সুযোগ আছে।

https://www.facebook.com/elomelointerior/?pnref=lhc

https://www.facebook.com/elomelo.bd/?pnref=lhc।


http://www.elomelointerior.com/
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ৯:২৪
৫টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিকাশ নূরা এবং হিরো আলমকে যারা প্রধানমন্ত্রী ভাবতেন ;)

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



একজন মানুষের জ্ঞান-বুদ্ধি, শিক্ষা-দীক্ষা থাকার চাইতেও জরুরী বিষয় হচ্ছে তার অন্তর্দৃষ্টি থাকা। অন্তর্দৃষ্টি, অন্তরচক্ষু বা জ্ঞানচক্ষু সম্পন্ন একজন ব্যক্তিকে কখনোই ধোঁকা দেওয়া বা ধোঁকায় ফেলানো সম্ভব নয় কারণ এরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙ্গালী কেন মুসলমান হতে পারে না?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৫

অনারব টার্কিশ, কুর্দি আর ইরানিয়ানরা তাদের নিজ নিজ ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষন করে ও তা ধারন করেও তারা মুসলিম, পাকিস্তানের পাঞ্জাবীরাও যখন নিজেদের পাঞ্জাবী জাতি হিসেবে অহংকার করে, তখনও তারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ মোহাম্মদপুরে কখনও বিচ্ছেদ হয় না

লিখেছেন রাজসোহান, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪





আমার দোকানের নাম নিউ শাপলা কম্পিউটার ও ফটোস্ট্যাট। সাইনবোর্ডের শাপলা ফুলটা এঁকে দিয়েছিলো তাজমহল রোডের এক সাইনম্যান, দেখতে হয়েছিলো কচুরিপানার মতো। চৌদ্দ বছর ধরে ঝুলে আছে। রোদে রঙ উঠে... ...বাকিটুকু পড়ুন

২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা তার সাথে কিছু রুঢ় সত্য যা বদলে দিয়েছিলো দেশের রাজনীতি।

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৩৪





২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা সম্পর্কে আমরা সবাই মোটামুটি জানি। এই হামলায় কারা জড়িত ছিল সেটাও আজকের দিনে অজানা নয় একমাত্র নিতান্ত দলকানা ছাড়া। তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধানমন্ডি ৩২ যারা ভেঙেছিল, আর যারা বিচার চাওয়ার পথ বন্ধ করে দিল- তারা কি একই?

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:৪৪



ধানমন্ডি ৩২ যারা ভেঙেছিল, আর যারা বিচার চাওয়ার পথ বন্ধ করে দিল- তারা কি একই?

ধানমন্ডি ৩২ ভাঙা হয়েছিল- কে দেখেনি, কে জানে না, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই।,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×