প্রিয়তমা,
তোমার সিঁথি নামক রেখায় সিঁদুরের আঁচর দেখলেই
কাঁপা হাতে ছোঁবার সাধ জাগে।
ইচ্ছে করে ওই সিঁথির মেঠোপথে ছুটে যাই বাউণ্ডুলে কিশোরের মত!
হেসো না, সত্যি বলছি।
প্রিয়তমা,
স্নানঘর থেকে তোমার ফিরে আসা ভেজা-কোঁকড়া চুল দেখলে
ঝেড়ে দিতে চায় অবাধ্য হাতজোড়া।
আমারো স্নান করার খেশ জাগে, তোমার ওই কেশদলের খসে যাওয়া জল দিয়ে।
হেসো না, সত্যি বলছি।
প্রিয়তমা,
যখন তুমি কাঁসার পাত্রে আমার জন্য আহার বাড়ো,
না খেয়ে শুধু মেখে যেতেই শান্তি !
আঙুলের প্রতিটি মোচড়ে যেন, তোমার হাতের গন্ধ উবে এসে প্রবেশ করে নাকে।
হেসো না, সত্যি বলছি।
প্রিয়তমা,
আমার নোংরা ফতুয়া কাঁচার জন্য তোমার হাতে দিলেই,
কুঁচকে যাওয়া ভ্রু-যুগল আমায় হাসায়।
তোমার রাগের রেখায় কি করে বাস করে মায়ার নিঝুম দ্বীপ!
ভাবতেই চোখের তারা ধূসর হয়ে উঠে।
হেসো না, সত্যি বলছি।
প্রিয়তমা,
তোমার কথা লিখে যাবার শেষ প্রান্তে যখন কাগজও শেষ হয়ে আসে
কোথায় হারাও?
সূর্যোদয় পর্যন্ত থেকে গেলে ক্ষতি কি?
নির্জীব রাতেই কেবল তোমার কাল্পনিক দেহ টানে, আদিম মোহনায়।
হেসো না, সত্যিই বলছি!
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৩:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



