প্রিয়তমা প্রমি,
পত্রের প্রারম্ভে প্রাণঢালা প্রসংশা পূর্বক ভালবাসা প্রদান করছি। প্রথা মতই ইহা একটি প্রেমপত্র। প্রত্যাশার পরম প্রফুল্লতা বিদ্যমান। প্রাগৈতিহাসিক যুগে প্রেমপত্রের প্রচলন ছিল কিনা জানি না তবে প্রত্নতাত্বিক পন্থাই অবলম্বন করিলাম। প্রথম দর্শনেই প্রেম এ পড়িয়া গিয়াছিলাম। পুষ্প পল্লবিত হইয়াছিল মন। প্রচেষ্টা ছিল প্রচ্ছন্ন আবেগ প্রকাশের। আর সেখানেই পত্র প্রাসঙ্গিকতা হারাইয়া ফেলিল! প এর প্রভাবে পরাভূত হইল।
প্রথম দর্শনেই এ প্রাণ তোমার পানে প্রস্থান করিয়াছে। প্রনয়ের আকাঙ্ক্ষায় প্রাঞ্জলতা পাইয়াছে। প্রস্থর এ প্রতিচ্ছবি অংকন করিয়াছে। পদে পদে পদার্পন করিয়া মরিয়াছে। প্রভাত হইতে প্রভা লগ্ন পর্যন্ত তোমার পানে প্রদক্ষিন করিয়াছে। নিজস্ব পৃথিবী গড়িয়া প্রাসাদ সাজাইয়াছে। তাহাতে নিজ শাসন ব্যাবস্থা প্রবর্তন করিয়াছে।
জানি এ প্রত্নতত্বের প্রবঞ্চনা কোনরুপ প্রভাবক হইবে না। কিন্তু প্রেমাবেগ প্রবঞ্চনা মানিতে চাহে না। অতঃপর প্রজ্জ্বলিত শিখার পানে পতঙ্গ যে প্রকারে ঝাপাইয়া পরে, সে প্রকারে প্রচন্ড প্রেম নিয়া হাজির হইলাম।
পরক্ষনেই প্রস্থরের আঘাতে জর্জরিত হইলাম।
আজ আমি প্রতিহত, পরাজিত, প্রশ্নবিদ্ধ।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




