কবিভক্ত জানতে চান,
“কেন অন্ধকার কবির মুখখান?
কী তার নীরবতার উপাখ্যান?”
কবি চোখ মেলে তাকান।
শুধু দু’বার মাথা দু’পাশে নাড়ান,
হতাশার ভঙ্গিমায় ওষ্ঠোদ্বয় বাঁকান;
নীরবতার মাত্রা আর এক প্রস্থ বাড়ান।
কবিভক্ত আবারও কারণ জানতে চান।
কবিকে আরেকবার তিনি জাগান।
ক্ষোভের সাথে কবি করেন বয়ান-
কবিতার আজ ঘোর অপমান;
অতি মানবী ফেলেছে ছিঁড়ে তার কবিতা চারখান!
এইটুকু বলে কবি আবার চুপ যান।
কবিভক্ত ভয়ে ভয়ে শুধান,
“কবি কি সয়ে নেবেন এহেন আস্ফালন?
হবেন না তিনি প্রতিশোধ পরায়ণ?”
কবি যেন সম্বিত ফিরে পান।
একলাফে কবি উঠে দাঁড়ান।
“অতি মানবীর সাথে আজ থেকে অভিমান,
চিনি না তারে যে দেয় না কবিতারে সম্মান।
আর থাকব না কো পড়ে নিষ্প্রাণ,
এক্ষুণি গিয়ে করব চা পান।
উর্বর মস্তিষ্ককে বানাব কবিতার বাসস্থান।”
এই বলে দ্রুতপ্রায়ে কবির প্রস্থান।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




