স্বাধীনতা ভালো তবে তা বালকের জন্য নয়,
বালকসুলভ আচরণ ভল নয়।
উৎসঃ
আলোচ্য চরণ দু’খানি তার (her) অমৃত বাণী সমগ্র থেকে চয়নকৃত হয়েছে।
প্রসংগঃ
কবি এখানে বিচারপতি সিনহা সাহেবের বালকসুলভ আচরণের দিকে তর্জনী নির্দিষ্ট করেছেন।
সম্প্রসারিত ভাবঃ
পাগল এবং শিশুরা নিরপেক্ষ হয়ে থাকে। কিন্তু একজন বিচারপতিকে পাগল হলেও চলবেনা, শিশু হলেও চলবে না। নিরপেক্ষ হলে চলবে না। তাকে থাকতে হবে গণতন্ত্রের পক্ষে, উন্নয়নের পক্ষে। তাকে কাজ করতে হবে সন্ত্রাসী, জঙ্গী, মৌলবাদী, রাজাকার, এবং বিএনপির বিরুদ্ধে।
শিশুরা, বালকরা সরল ও বোকা হয়ে থাকে। ঘরের গোপন বিষয় পরের কাছে বলে দেয়। বুঝে নাবুঝে বেফাঁস কথা বলে বসে। ঘরের মুরুব্বীকে অযথা বিব্রত হতে হয়।
উপসংহারঃ
শিশুদের উচিত, সব সময় মায়ের আজ্ঞাবহ হয়ে থাকা। মায়ের অভিসাপ লাগলে ধ্বংস অনিবার্য। রাতারাতি দুরারোগ্য ক্যান্সার পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে। সাংবাদিক, শিক্ষক, বিচারক, প্রশাসক, ইসি সহ দেশের সকল মানুষের জন্য প্রনিধানযোগ্য এক মহান শিক্ষা নিহীত রয়েছে এই পংক্তি দু’টির মাঝে।

সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


