আমরা সিগারেটকে আনন্দের সাথে খেতে পারি না। যখন অনেক হতাশ থাকি, অথবা কাজে ব্যস্ত থাকি ঠিক তখনি সিগারেট ধরায়।
কিন্তু দেখেন এতে করে আমরা সিগারেটের মূল স্বাদটা নিতে পারিনা। শুধু মাত্র মনোযোগ দিয়ে না খাবার ফলে।
তাই মন দিয়ে সিগারেট খাওয়াটা দরকার।
সিগারেট খাওয়া আপনার অধিকার, আপনি খাবেন, ধোঁয়া উড়াবেন। ( অবশ্য আপনার বয়স ১৮+ হতে হবে তবেই খাবেন )
আজকের এই স্ট্যাটাসটা যারা সিগারেট খান বা খাবেন তাদের জন্য।
আমি একবারে জন্যও বলবো না আপনি সিগারেট ছেড়ে দেন, কারণ আমিও খাই।
এইবার আসুন মূল কথায়।
==> আপনি যখন সিগারেট খাবেন তখন কোলাহল মুক্ত, যেখান বাতাস চলাচল করে, শান্ত পরিবেশ, নিরিবিলি জায়গাতে যাবেন। যেমন ধরুন আপনার বাসার ছাদ, বারান্দা, চাঁদনী রাতে, নদীর পারে, এমন কি সাগর পাড়ে।
==> চুপ করে আরামের সহিত সোজা হয়ে বসে সিগারেট ধরাবেন।
==> আপনি মনোযোগ দিয়ে সিগারেট খাবেন, তাই অন্য সব দিক থেকে মন সরিয়ে ফেলুন।
==> আপনি অনেক আরাম করে দীর্ঘ টান দিন, দেখবেন অন্য সব বারের তুলনায় এইবার সিগারেটের ধোঁয়াটা একটু অন্য রকম লাগছে।
==> আপনার মন যেহেতু অন্য কোন দিকে নেয়, তাই খেয়াল করুন সিগারেটের মিষ্টি ধোঁয়ার দিকে।
==> খেয়াল করুন তা কিভাবে আপনার শাঁস নালী দিয়ে সুন্দর ফুসফুসে যাচ্ছে।
==> দেখেন আবার কি ভাবে অবলীলায় বের হয়ে যাচ্ছে।
==> একটু খেয়াল করলে দেখবেন আলকাতরার মত নিকোটিন আপনার ফুসফুসে জমা হচ্ছে আস্তে আস্তে।
==> দেখেন এই নিকোটিন আপনার ফুসফুসে গোলাপি রং কে কিভাবে কাল করে ফেলছে।
==> ধোঁয়া গুলো আবার বের হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু নিকোটিন আপনার ফুসফুসে থেকে যাচ্ছে।
==> এইবার ভাবুন এক বিষধর গোখরো সাপ আপনাকে কামড় দিয়েছে, আর তার বিষ আপনার সারা দেহে ছড়িয়ে পরছে। আর কিছু ক্ষণ পর আপনি মারা যাবেন।
==> নিকোটিন হচ্ছে সেই বিষ, আর সিগারেটটি হচ্ছে সেই সাপ।
এই চিন্তা করতে করতে আপনার সিগারেট শেষ হয়ে যাবে।
এর পর আপনি উপভোগ করতে পারবেন এক অনাবিল শান্তি। কারণ আপনি এই ১ম মনোযোগ দিয়ে সিগারেট খেয়েছেন।
বি দ্রঃ আইডিয়াটি কোয়ান্টাম মেথড থেকে ধার ক

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


