তারার দূরত্ব মাপার সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে লম্বন পদ্ধতি ( parallax measurement )
১) পৃথিবীর ২ স্থান থেকে যদি একটা তারার অবস্থান পর্যবেক্ষণ করা হয় তো দেখা যাবে, পেছনের স্থির তারাদের সাপেক্ষে আমাদের আলোচিত তারার অবস্থানের কিঞ্চিত তারতম্য হয়েছে। এই কৌণিক তারতম্য পরিমাপ করে ত্রিকোণমিতির সাধারণ সূত্র ব্যবহার করে তারার দূরত্ব মাপা যায়। । এক্ষেত্রে পৃথিবীর ওই ২ অবস্থানের দূরত্ব অবশ্যই জানা থাকতে হবে ।
২) কোন কোন তারার ক্ষেত্রে এই লম্বন পরিমাপ মাপা হয় পৃথিবীর কক্ষপথের ২টি অবস্থান থেকে। এতে ৬ মাস পরে কোন তারার কৌণিক বিচ্যুতি পরিমাপ করে তারার দূরত্ব জানা যায়। এক্ষেত্রে পৃথিবীর কক্ষপথের ২ বিন্দুর দূরত্ব অবশ্যই জানা থাকতে হবে ।
এভাবে কোন তারার কৌণিক লম্বন যদি হয় ১ আর্কসেকেন্ড , তবে ওই তারার দূরত্ব ১ পারসেক ।
১পারসেক = ৩.২৬ আলোকবর্ষ বা ৩১০০০০০০০০০০০০ কিলোমিটার
উদাহরণ----- প্রক্সিমা সেন্টরি তারার কৌণিক বিচ্যুতি ০.৭৬'' তাহলে প্রক্সিমা সেন্টরি তারার দূরত্ব ১/.৭৬ = ১.৩ পারসেক
অর্থাৎ তারার কৌণিক বিচ্যুতি যা, তার বিপরীত মানই পারসেকে ওই তারার দূরত্ব।
এই পদ্ধতিতে .০১'' বা ১০০ পারসেকের বেশী দূরত্বের তারা মাপা যায় না।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে মে, ২০১৪ রাত ৯:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



