somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

অমায়িক হাসি
আমি আসল নাম ব্যবহার করিনি,যেটা দেয়া সেটা আমার ছদ্মনাম।আমার আসল নাম না হয় অজানাই থাকলো সবার কাছে।লেখালেখি করার একটা প্রবল ইচ্ছেই আমাকে ব্লগের পাতায় টেনে নিয়ে এসেছে।মূলত কবিতা লিখি,সাথে অন্যান্য বিষয়েও টুকটাক লেখার চেষ্টা করি।কবি বলেই অনেকে ডাকে চেনা-জানার

বদলে যাওয়ার সময় এটাই

০৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:৩৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এই দেশের বেশিরভাগ টিনএজার ছেলেমেয়ে জীবনের মানে বোঝা তো দূরে থাক,জীবন বানান করা ছাড়া এর ভেতরের নিগূঢ় অর্থও উপলব্ধি করতে পারেনা।দোষ আসলে তাদের নয়,দোষ এদের বাবা-মায়ের।কারন এদের বাবা-মা মনে করে ছা-পোষা চাকরী করাই জীবনের সবকিছু।যেকোন মূল্যে পাব্লিক ভার্সিটিতে টিকলেই সে ভালো ছাত্র,মেধাবী।জীবনের মানে এদেরকে এসবই শিক্ষা দেয়া হয়।তারাও তাই শেখে। আমি এইসব বাবা-মায়ের মৃত্যু কামনা করি।মৃত্যু কামনা করি সেইসব অসুস্থ মানসিকতার যারা উন্নত রুচি কি বোঝেনা,বোঝেনা উন্নতির আসল অর্থ কি।যারা জানেনা লেখাপড়ার বাইরেও একটা জগত আছে এবং সে জগতের পরিধি নেহায়েত কম নয়।
কেউকি জানেন আওরঙ্গজেবের পরে কেনো মুঘলরা আর এগোতে পারেনি? কারণ তাদের বহুপুরুষ ধরে গড়ে ওঠা সাম্রাজ্য কি করে বাঁচাতে হয় সে শিক্ষা তারা গ্রহন করেনি এবং মহামতি আওরঙ্গজেব নিজেও ভাবেননি সে শিক্ষা দিতে হবে। তিনি ভেবেছিলেন বংশানুক্রমিক যুদ্ধবাজি মানসিকতা এদের মধ্যেও সুপ্ত আছে এবং প্রয়োজন বোধে সে শক্তি বাবর-আকবরের মতই জ্বলে উঠবে।বাস্তবতাও তাইই। সে শক্তি সুপ্তই ছিলো,জ্বলে আর ওঠেনি।
আমাদের বাবা-মায়ের মনেও এ ধারনা বদ্ধমূল হয়ে গিয়েছে যে আমরা ছাত্রজীবনে লেখাপড়া করতে থাকি সময়মত আমাদের মধ্যেও টমাস আলভা এডিসন,রবি ঠাকুর,ড.ইউনুসের মত জাজ্জল্যমান শক্তি দৈবভাবে আবির্ভূত হবেন। আসলে সে চিন্তা যে তাদের পূর্ববর্তীরাও করেছে সে কথা তারা ভুলে যায় শুধু তাই নয় বরঞ্চ এদের মনে আসলে এই প্রশ্নের কোন স্থানই নেই।
এজন্যেই অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদের একটা কথা আমার কাছে অসম্ভব ভালো লেগেছিলো।এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছিলেন "এদেশের যা অবস্থা তাতে রবী-নজরুল তো অনেক ভালো আমার মতন আবু সায়ীদও আর জন্মাবে কি না তাতে আমার সন্দেহ আছে।" যথার্থই বলেছেন তিনি।সফল মানুষের অভাব বাড়ছে দিনকে দিন। নেতৃত্ব হচ্ছে মুষ্ঠিবদ্ধ। একটা সময় ছিলো যখন বাবা-মা ছেলেদের বলত রাজনীতিতে যেতে। কেউ রাজনীতি না করলে তাকে হেয় করা হত,বন্ধুমহলে তাকে ঠাট্টা করা হত।কিন্তু আজ ব্যাপারটা ঠিক উলটো। যেনো কারোই কোন অনুভূতি নেই।সকলেই অসাড় জীব। জীবন আছে তবে সেটা নামেমাত্রই।
এ যেনো জীবন্ত তাসের রাজ্য।রাজা,রানী,গোলাম,দুয়ারী সকলেই আছে।সকলেই নিজের কাজ করে,নিয়মের বাইরে যেনো আসা তাদের জন্যে পাপ।এ অবস্থা যে দূর হবে সে অবস্থাও দেখিনা।কারন পশ্চিমা সংস্কৃতির দাপটে এখনকার ছেলেমেয়েরা এদেশের নাম ঠিকভাবে উচ্চারন করতেও লজ্জিত হয়।আর আমি লজ্জিত হই আমি নিজেও এই সময়ের একজন টিনএজার বলে।
এ সময়কার বেশিরভাগ টিনএজার ছেলেমেয়েরাই শো-অফ নামক ফোবিয়াতে ভোগে।এদের আচার-আচরণ,কথাবার্তা সব কিছুতেই একটা পরোক্ষ শো-অফ নামক রোগের লক্ষন দেখা যায়। এরা ভাবে নিজেকে বাহ্যিকভাবে সাজিয়ে তুলতে পারাতেই সার্থকতা। আরেকদল আছে,যারা একটু ভিন্ন তবে শ্রেনী একই,এরাও বন্য।এদের জীবনের সফলতা হচ্ছে স্কুলে-কলেজে প্রথম হওয়া।এদের জীবনে আছে চার দেয়াল,একটা টেবিল আর একটা চেয়ার। এরা একেতো ইনোভেটিভ না তার উপর কিছু ক্ষেত্রে এরা সমাজের বিষবৃক্ষ। কেননা এদের সফলতা এই তথাকথিত সমাজে যদিও তাদের সফল করে কিন্তু একি সাথে বিকারগ্রস্থ এসব ছেলেমেয়েদের তথাকথিত সফলতা করে অন্য অনেক ছেলেমেয়ের জীবনকে বিষাদ্গ্রস্থ।কারণ সফল হবার পরে এদের গাধার স্বরে আনন্দোল্লাস তার বাবা মায়ের কানে যতই রবীন্দ্র সংগীত মনে হোকনা কেনো,অন্যদের কানে তা নেহায়েত গাধার চিৎকার নয় ভয়াবহ নরকের বিভীষিকার আওয়াজ।
আমি এইসব ছেলেমেয়েদেরও মৃত্যু কামনা করি।আমি চাই এরা সমূলে নিশ্চিহ্ন হোক। কেননা এরা সমাজের নয়,দেশের নয়,জাতির নয় এরা এসেছে নিজের স্বার্থ উদ্ধার করতে।এরা আগাছা স্বরুপ।এপিজে আব্দুল কালাম বলেছেন,”যদি তুমি সূর্যের মত জ্বলে উঠতে চাও তবে আগে তোমাকে সূর্যের মতন পুড়তে হবে”। আচ্ছা কটা ছেলে আছে এ কথা অর্থ জানে? বোধ হয়না খুব বেশি। না জানার কারণটাও স্পষ্ট।আসলে এসব বুঝিয়ে সময় নষ্ট করার পক্ষপাতি এ যুগের বাবা-মায়েরা নন। তারা অসম্ভব ভাবে নিয়মানুবর্তিতার দাস।সময়ের প্রতিটা সেকেন্ডকে কিভাবে পাঠ্যপুস্তকের ভেতরে ব্যয় করতে হবে সে শিক্ষা বোধকরি জন্মের আগে থেকেই এখনকার ছেলেমেয়েরা পেয়ে থাকে।কেননা পিতা-মাতা জন্মের আগে থেকেই বলে “আমার ছেলেকে ডাক্তার বানাবো,ইঞ্জিনিয়ার বানাবো”। এবং তাদের নিজেদের অজান্তেই পেটের ভেতরেই মুহূর্তের মধ্যে মৃত্যু হয় একজন রবী ঠাকুরের,একজন পাবলো নেরুদার,একজন লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চির। কেউ তা নিয়ে চিন্তা তো দূরে থাক ওসব নামও দেখি ইদানিং ছেলেমেয়েদের সামনে নিতে ভিত হন কেননা ওসব করে ছেলেমেয়েরা যদি কি করে সময় অপচয় করতে হয় তা শিখে যায়??বাস্তবিক এসব পিতামাতার মৃত্যু হওয়া উচিত।এরা জাতিকে মানুষ উপহার দিতে পারছেন না উলটো জাতির কাঁধে চাপিয়ে দিচ্ছেন অনাকাঙ্ক্ষিত বোঝা।যে বোঝা একদিন এত বেশি ভারী হবে যে তার ভার সহ্য করতে না পেরে প্রাচীন সভ্যতার মতন এ জাতিও একদিন মুখ থুবড়ে পড়বে।এবং একদিন অন্য কোন সভ্যতার লোকেরা লিখবে প্রাচীন কালে বাঙালি নামে একটি জাতি ছিলো যারা বোকামির কারনে ধবংস হয়ে গিয়েছে।
ছেলেমেয়েগুলোর দোষও নেহায়েত কম নয় বৈ কিছু ক্ষেত্রে তারা নিজেরাই নিজেদের এসব অবস্থার জন্যে দায়ী।যেমন একটা ছেলে বাবাকে গিয়ে বলে বাবা মোবাইল কিনবো টাকা লাগবে।তৎক্ষণাৎ দানবীর হাতেম তাঈ সদৃশ পিতা তাকে টাকা দেয় এবং সেই টাকায় ছেলে মোবাইল কেনে। কিন্তু একজন ছেলেও আছে কি শুধু মাত্র একুশের বইমেলা ব্যাতীত কখনো বাবার কাছে গিয়ে বলেছে বাবা বই কিনবো টাকা দাও? না।উলট তারাও ভাবে যে ওসব বস্তাপচা গদ্যভান্ডার না পড়ে মোবাইল(ছেলেদের ক্ষেত্রে) অথবা লিপ্সটিক,কানের দুল(মেয়েদের ক্ষেত্রে) কিনে নেয়াই ঢের।অতএব জাতিকে পেছনে পড়েই থাকতে হয়।
আরো আছে।এ দেশের নৈতিকতার অবক্ষয় একেবারে চুড়ান্ত পর্যায়ে গিয়ে পৌছেছে।তার কারণ অনেক।তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি দায়ী হচ্ছে পশ্চিমা সংস্কৃতিকে অন্ধভাবে অনুসরণ।সেসব দেশে বিয়ে বহির্ভূত সম্পর্কের অভাব নেই,আমাদের দেশেও তা দিন দিন বেড়ে চলেছে।এসব করছে কারা?নিশ্চয়ই আমাদের বাবা-মায়ের বয়সী কেউ নয়।করছে উঠতি বয়সের তরুন-তরুনীরা।এবং এদের সিংহভাগ এ কাজ করে শুধু মাত্র নিজেদের মধ্যে পাশ্চাত্যের প্রতি যে ভালোবাসা(!) অনুভব করে তা থেকে।আর জাতি এগিয়ে যাচ্ছে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতে।কিন্তু আমাদের দেশের কোন মহান সমাজকর্মীকে আমি আজ পর্যন্ত এসব নিয়ে কথা বলতে দেখিনি,শুনিওনি।বোধ করি তারা কালের বিবর্তনে অন্ধ এবং বধির হয়েছেন।
ছেলেমেয়েদের মধ্যে এসব চিন্তা-চেতনা যে হারে বাড়ছে তা শুধু বাড়তেই থাকবে কারন রোগই সংক্রামক,স্বাস্থ্য নয়।আর এ থেকে পরিত্রানের একমাত্র পথ বাবা-মায়েদের সচেতনতা এবং ব্যাক্তি ও সমাজ পর্যায়ে এ নিয়ে সচেতন অবস্থান।কিন্তু ডাক্তার নিজেই যদি অসুস্থ থাকেন তবে রোগী যাবে কই? এজন্যে আগে বাবা-মায়েদের সচেতন হতে হবে।আর তার একমাত্র উপায় হচ্ছে বই পড়া এবং উন্নত রুচির কর্ণধার হচ্ছে বই।যে জাতির লাইব্রেরী যত সে জাতি তত উন্নত নয়,বরঞ্চ যে জাতির লাইব্রেরীর পাঠক যত সে জাতিই তত উন্নত এ কথা আমাদের সকলের বোঝা উচিত।এ কথা যারা অস্বীকার করেন তারা আমাদের পিতা-মাতা।তাদের চোখে ছেলে গল্পের বই পড়া মানে গোল্লায় যাওয়া,গল্প লিখতে বসা মানে ভবিষ্যতের ভিখিরি বনে যাওয়া এইসব চিন্তা ভাবনা দূর করতে হবে। ছেলে সারাদিন ঘরের বাইরে থাকে,পাড়ার মোড়ে আড্ডা দেয় মানেই এই ছেলেকে দিয়ে কিছু হবেনা এইওসব চিন্তাচেতনা আমাদের গোড়া থেকে সমূলে উপড়ে ফেলতে হবে।আমাদের দেখাতে হবে আব্রাহাম লিংকন রাস্তার উপর থেকেই উঠে এসেছিলেন এবং তারপরে তিনি তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন পুরো বিশ্বকে।আমাদের দেখাতে হবে জীবনে বড় হবার জন্যে পাঠ্যপুস্তকই একমাত্র আবশ্যক নয় এটা শুধুমাত্র একটা আনুষাঙ্গিকতা মাত্র।কেতাবী বিদ্যায় পাশ করা ছেলেমেয়েরাই জীবনে সফল নয় বরঞ্চ এ জগতে বেশিরভাগ উন্নত মানুষরাই কেতাবী বিদ্যার ধারে কাছেও ছিলেন না।
আর এই জাতির ভবিষ্যৎ এখন আমাদের মত তরুন সমাজের হাতে।আমরা নিজেরাও নিজেদের অবস্থার পরিবর্তন করার ইচ্ছা পোষণ না করলে স্বয়ং বিধাতার কোনরুপ আবশ্যিকতা নেই আমাদের প্রতি দয়া দেখানোর।অতএব সময় এখনি।বদলে যেতে সময় লাগে একথা যেমন সত্য তেমন একথাও সত্য বদলানোর জন্যে প্রয়োজন অঙ্গিকার।তাই প্রত্যেকে এই মুহূর্ত থেকেই অঙ্গীকার করি যে বদলানোর।যে বদলের মাধ্যমে শুধু আমি একা বদলাবোনা;বদলাবে পুরো দেশ,পুরো জাতি।আর সে বদল হবে উন্নতির বদলানো।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৫ সকাল ১১:৩৮
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Sajna

লিখেছেন আরমান আরজু, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১



Sajna
Love is sacred;
Commences from the intense mystery of pure souls.
Has a beginning, but no end;
Here, only peace prevails.
So, love—
Solely for the sincere and the disenchanted,
Not for the pharisaic.
...বাকিটুকু পড়ুন

বিপ্লব সংহতি দিবস সফল ও সার্থক হোক.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:১১



আজকে নাকি বিপ্লব সংহতি দিবস। দল ক্ষমতায় থাকলে অনেক রকমের দিবস পালিত হয়। আওয়ামী লীগের সময় শেখ জামাল-কামালের বিবাহ দিবস, শিশু শহীদ শেখ রাসেলের সুন্নাতে খৎতা দিবস আরো কতো কি?... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝাল্লাগে ভাল্লাগে- ২

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৯


"যে-রাঁধুনী জানে তার তরকারিতে স্বাদ হয়নি, সে নিমেষে লঙ্কার কৌটো উপুড় করে দেবে। তারপর অতিথি যখন কান দিয়ে ধোঁয়া ছেড়ে হাঁউমাউ করবে, রাঁধুনী তখন মিটিমিটি হেসে বলবে—‘একটু ঝাল বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

চা এর আড্ডা।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:১৬



শনিবার
৭ নভেম্বর ২০২৬
২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৬ জমাদিউল আ. ১৪৪৮ হিজরি

কিছু মুহূর্ত কখনো হারিয়ে যায় না, সময়ের স্রোতে শুধু স্মৃতি হয়ে মনের গভীরে জমা থাকে।

২০১১ সাল। তখন আমি ইন্টারে পড়ি। নানীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

২৪'র ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে দেশে ডানপন্থা ও মৌলবাদী চেতনা-রাজনীতির চরম উত্থান

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২৩



২৪-এর ৫ আগস্টের পর দেশ দীর্ঘদিনের স্বৈ/রাচারী শাসন থেকে মুক্ত হয়েছিল ঠিকই; কিন্তু দুঃখজনকভাবে দেশ চলে গিয়েছিল বিপুল সংখ্যক ডা*নপন্থী বা মৌ*লবাদী চেতনা বা রাজনীতির ধারক-বাহক-সমর্থকদের কবলে।
হ্যাঁ, হাসিনার পতনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×