... সান্ধ্য খবরে আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি আমি...
... বাজেটে...
... কঙ্গোয় এক বিমান দূর্ঘটনায়...
১০ সেকেন্ডের মামলা। মনিটরে চোখ রেখে পড়ে যাওয়া। কিন্তু তাতেই ১০ ঘণ্টা কাবার। পরশু থেকে শুরু হয়েছিল। আজ সম্ভবত শেষ হলো। পাবলিকের ভিড়ে ক্লোজআপওয়ান ও ফেইল!
একুশে টিভির ৮ তলায় শুধু নয়। তালায় তালায় মানুষ। নানা জাতের এবং পাতের। দৃষ্টিসুখের তো বটেই।
আমার যাওয়া হঠাতই। চিপককে ফোন দিচ্ছে গত রাত থেকেই। তাকে খোঁজ নিয়ে জানাতে হবে। ব্যাপারটা যথারীতি ইগনোর করা হবে সে জানে। তাই আশাকে দিয়ে কয়েকবার ফোন করিয়েছে। অতএব প্রতিশ্রুতি। ঠিকাছে, সকালে জানাব।
সকাল আটটায় অফিসে পা রাখতে না রাখতেই ফোনের জ্বালাতন।
একটা ঘটনা আছে অবশ্য নেপথ্যে। কয়েকদিন আগে বিডিনিউজের মোবাইল ভয়েস কাস্টিংয়ের অডিশন নিয়েছি। চিপককে এসেছিল। আমি ভাই জায়গা মতো ভীষণ পেশাদার। ওই একখানে কোনো আলগা খাতির নাই। সে বাদ পড়ায় মহা ক্ষ্যাপা। এরপর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে আমাকে নিউজ প্রেজেন্টার হয়েই দেখাবে। এখানে ওখানে ভর্তি হওয়ার জন্য দৌড়াচ্ছে। পুরা খোঁজ জেনে ফেরার পর ডাবল চেক। আমাকেও নাকি খোঁজ নিতে হবে! বকা দিতেই সম্পর্ক ভেঙে দেয় অবস্থা।
যাহোক। হাড়ভাঙা খাটুনি শেষে বাসায় ফিরছি ভারত-শ্রীলঙ্কা দেখব বলে। কি কুক্ষণে ফোন করেছিলাম। পেয়ে বসল। যেতে হবে। সে আবার চালাক চতুর। তার সিরিয়াল ২৩ নম্বর গ্রুপের সঙ্গে। নীচে দাঁড়িয়ে না থেকে সে উঠে গেছে উপরে ১৫ নং গ্রুপের সঙ্গে। ভালোই অডিশন। কিন্তু টিকবে না। ওই নাকি সুরের ন্যাকা আওয়াজে নিউজ প্রেজেন্টেশন হয় না।
সমস্যা হয়েছে তার খানিক আগে। ওইখানে তার অনেক হঠাৎ বান্ধবী জুটেছে। দাড়িগোফে আমাকে দেখে তারা উল্টোপাল্টা বলেছে। তার মন খুব খারাপ হয়েছে। কৌশিকের ফোনটা আসার আগপর্যন্ত সে কাঁদছিল। তাকে কি সান্তনা দিই! বললাম, কাঁদতে থাক্ ।
চান্সে আমি কয়েকজনকে কার্ড দিয়ে এলাম। আমি এখনো একটেল আর গ্রামীনের জন্য ইংলিশ ভয়েস কাস্টার খুঁজছি। কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে ইমপ্রেসিভ মনে হলো। বাকিটা দেখা যাক।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



