মহুয়া,
সাদা পতাকা আমিই তুলেছিলাম আপনি দেরিতে হলেও সায় দিয়েছেন। অতএব সন্ধি। আড়ি নয়, এবার ভাব। আমার ফিরতি ব্লগে আপনার মনতব্য আমাকে সপর্শ করেছে- আপনার রাশি আমারই মতো বৃশ্চিক কীনা জানি না। কিন্তু হুল ফোটানোর তীব্রতা সেই ইঙ্গিত দেয়।
আমরা বন্ধুরা যখন কমপ্রোমাইজ করি, এখানে কমপ্রোমাইজ খাটবে না- তুমুল ঝগড়ার পর যখন আবার মিলে মিশে যাই, হাতে হাত বা বুকে বুক মেলাই। সেটি সম্ভব নয়। আপনাকে বরং একটি কবিতা দিয়ে শ্রদ্ধা জানাই। যদিও এটি আমার নিজের লেখা না, আমার মেডিকেল সতীর্থ ডাঃ মোশতাক আহমেদ যিনি অনুপম ত্রিবেদী ছদ্মনামে একসময় চট্টগ্রামের সাহিত্যাঙ্গন ও বিভিন্ন লিটল ম্যাগে তুমূল খ্যাতিমান ছিলেন- তার।
প্রতিযোগিতার এই যুগে টিকে থাকার লড়াইয়ে উচচতর ডিগ্রির প্রয়োজনীয়তা ও সংসারের চাপ দুই মিলে আমার অসাধারণ প্রতিভাধর কবি বন্ধুটি কবিতা লিখতে কলম ধরেন না বহুদিন। সঙ্গে তাকেও স্মরণ করলাম।
লোভ হচেছ আমার একটা টুকরো পংক্তিমালা জুড়ে দিতে, যার সঙ্গে আপনি সংশ্লিষ্ঠ নন মোটেই। আমার বেশিরভাগ কাব্যই ইদানিং এসএমএস বা চ্যাট নির্ভর। এটি প্রথমভাগে পড়ে। হঠাৎ ছন্দরীতির ভক্ত হয়ে পড়ার জন্য (ইদানিং র্যাপ মিউজিক শোনা হচেছ বলেই কীনা!!) এটিও সে ধাঁচের। নাম আমার সিরিজের নামেই
পরিস্থিতি- পাঁচ
ঠোঁট দুটো তোর চক্ষু মুদে স্বপ্ন দেখায়
-ফিরব কবে বাহুডোরে, আলিঙ্গনে!
সেবার তুই ছাড়বি না যে, জানি আমি
জানি আমি। আর কতটা রাখবি আড়াল
থাকবি আড়াল? সাহস করে একটু না হয়
নিলিই ঝুকি! হারা-জেতা পরের কথা,
এখন সময় ভালোবাসার,
তাতেই না হয় ডুবি-ভাসি।।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



