somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কিছু প্রশ্ন ঘুরে ফিরে !

০৩ রা জুন, ২০১৭ ভোর ৬:৩৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

দেশে গাছের ব্যাপক অভাব,যেখানে ২৫ শতাংশ বনায়ন দরকার সেখানে আছে মাত্র ৯ শতাংশেরও কম।
তদুপুরি এমন ব্যাপারটা মাথায় না এনে দেশের মারাত্মক সৌন্দর্য বর্ধন এর জন্য ক্রমাগত মূর্তি স্থাপন এর মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা খরচ করে কতগুলো বেহুদা পাথর বসানোর মাধ্যমে দেশের কি সেবা হচ্ছে আর সৌন্দর্যের কি বৃদ্ধি হচ্ছে !
উলঙ্গ মূর্তির উলঙ্গ সংস্কৃতির ধারা সৃষ্টি আপন জুয়েলার্স আর বদরুল তৈরি ছাড়া আর কি করেছে?
কোটি কোটি টাকা অপচয় করে কি পাওয়া যাচ্ছে?বরং এই টাকা দিয়ে গাছ লাগালে অক্সিজেন,ফল,ফুল,কাঠ আর একটু সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি হত।
মৃণাল হক কান্দে ! ন্যাকামু করে সে এখন পর্যন্ত যতগুলো বাটপারি তথ্য দিয়েছে তার জন্য তাকেই তো প্রথমে সুপ্রিম কোর্টের সামনে দাড় করিয়ে থাপড়ানো দরকার।
মূর্তি নিয়ে ইসলামী শক্তিকে দোষারোপ করার আগে প্রথম প্রশ্ন টাকা দিয়ে এমন মূর্তি নির্মাণের কি প্রয়োজন ছিল !
একবার বলে থেমিস আরেকবার বলে বাঙ্গালী রমণী!
থেমিস হলে এক বিষয় আর বাঙ্গালী রমণী হলে আরেকটা বিষয় আসে।হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী যিনি তিনি তাহলে ন্যাবিচারের উদাহরণ না (আমার ভাষায় কোন পক্ষেই বলছি না)! থেমিস আসলো কেন ?
আর বাঙ্গালী রমণী (মৃণাল এর দ্বিমুখী তথ্য মতে) হলে তো আরও ভয়ঙ্কর!ইচ্ছা করেই সুপ্রিম কোর্টের সামনে একটা মূর্তি স্থাপন করেছে মারাত্মক গোলযোগ সৃষ্টির জন্য,সন্দেহ আছে?
আর বাঙ্গালী রমণী টা কে যে ন্যায়বিচারের মূর্ত প্রতীক হয়ে সুপ্রিম কোর্টের সামনে গিয়ে খাড়ায়া পড়লো !
সেখানে যুদ্ধাপরাধের বিচার করে শেখ হাসিনা যেখানে নাকি অনন্য ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন সেখানে ন্যায়বিচারের প্রতীক তিনিও হলেন না কেন!
আর ধর্ম কেন সাধারণ দৃষ্টিকোণ থেকেই বলছি যে গাছ অধিক উপকারী এবং সৌন্দর্য বর্ধক হওয়া সত্ত্বেও সেখানে জনগণের কোটি টাকা খরচ করে মূর্তি বসানো টা তো একধরনের বিলাসিতা এবং মানবতার সাথে চপেটাঘাত!
এখনো ডাস্টবিনের খাবার খায় মানুষ আর কুকুর একসাথে,গাছের ওভাবে পরিবেশ বিপর্যস্ত।সব কিছু কেন উপেক্ষিত?
আর অন্য একটা দৃষ্টিকোণ থেকে ৮৫ ভাগ মুসলিম অধ্যুষিত দেশে মুসলমানদের অনুভূতিতে আঘাত না দিয়ে অসাম্প্রাদায়িক কিছুও তো করা যেত,মূর্তি কেন?এটা কি কোনভাবে উস্কানি দেয়া হল?
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা জুন, ২০১৭ ভোর ৬:৩৭
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....

বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০১


আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×