somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অফুরন্ত সময়

১০ ই মে, ২০১১ বিকাল ৩:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

-একটা বেনসন দেন তো !!!
পকেট থেকে একটা পাচ টাকার নোট বের করে দিলাম আর একটা এক টাকার নোট।
- কতদিন পর একটাকার নোট দেখলেন?
-দেখিতো প্রায়ই।
যাহ্ আমি ভাবলাম আমি অনেক দিন পর দেখলাম দেখে কেউই তেমন দেখেনা। এই নোট টা যখন পেয়েছিলাম ভাবছিলাম যে একটা এনটিক পেলাম।
মিন্টো রোড থেকে বের হয়ে রমনা থানা মসজিদের রোড এ দাড়িয়ে আছি। উফ। এখন্ও এক ঘন্টা। সাতটায় পড়াতে যেতে হবে। আজকে দ্বিতীয় দিন। এই এড়িয়াতে আমার তেমন আসা হয় নি। রাস্তা ঘাট ভালো চিনি ও না। এই এক ঘন্টা রাস্তা ঘাট চেনার কাজ এ ব্যয় করা যাবে। সমস্য হল হাত এ একটা বই আর একটা ডায়েরী। এক হাত এ ধরে এমন হাট তে ভাল লাগে না। নাহ এইবার একটা ব্যাগ কিনে ফেলতে হবে বেতন টা পেয়েই। আরো কিছু জিনিস কিনতে হবে। সিগারেট টা কেনার পর আর মনে হয় ২৮ টাকা আছে। সময় কাটানোর জন্যে সিগারেট এর মত ভাল বন্ধু হতেই পারে না। সমস্য হল সিগারেট শেষ হয়ে যায়। মাসের শুরুতেই অনেক সিগারেট কিনে রাখতে পার ভাল হত।
রাস্তা কোন ভাবেই চিন্তে পারছি না। রমনা থানা মসজিদ থেকে বাম দিকে কিছুদুর যেতেই ভিকারুন নেসা। পাশে দেখলাম মনোয়া হসপিটাল। নামটা খুব পরিচিত লাগল। কোন কারনে আমি একদিন এই হসপিটাল টা খুজছিলাম। কেন সেটা মনে পড়ল না। বের হলাম বেইলি রোড দিয়ে। কেএফসি এর কাছাকাছি যেয়ে দেখলাম একটা রাস্তা। ভাবলাম এই দিক যাই। যেখানে পড়াত যাওয়ার কথা আমার এই দিক দিয়ে হয় তো তারা তারি যাওয়া যাবে। পড়ে আবার সেই মনোয়ার হসপিটাল এ পাশ দিয়ে বের হলাম। আবার ও ভাবতে লাগলাম। কেন নামটা পরিচিত। নাহ। কিছুতেই মনে পড়ছে না। বাহ্ সন্ধা প্রায়। নামাজ না পড়তে পড়তে নিয়ম গুলাও ভুলে যাচ্ছি। যাই নামাজ পড়া যাক। ওযু করতে গিয়ে মনে হল এমন যদি নিয়ম হত নামাজ পড়তে হলে গোসল করতে হবে। কত ভাল হত। সব মসজিদে ওযুর বদলে গোসল করার ব্যবস্থা থাকতো ।
খুব গোসল করতে ইচ্ছা করছে।
বাসায় যাওয়ার সবচেয়ে ভাল ওয়েটা এখনও বের করা গেল না।
পড়িয়ে বের হলাম। ৯.০৯ । ওয়্যারলেস দিয়ে বের হলাম। বাস পাওয়া যাচ্ছে না। কোন বাস যায় এখান থেকে তাও বুঝতে পারছি না।
একটা সিগারেট দরকার। সমস্য হল টাকা শেষ। দুপুরের খাওয়াটা বিকলে খেলাম যাতে ক্ষিধে টা দেরী করে লাগে। খেতেই অনেক টাকা শেষ হয়ে গেল। একটা পিকআপ এ উঠতে পারলে ভাল হত। বাসায় যেতে অনেক দেরী হয়ে যাবে।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই মে, ২০১১ সকাল ১০:৩২
৭টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×