জীবন্মৃত দলকানা দালাল বুদ্ধিজীবী স্পন্দিত দেশে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালনের তাৎপর্য কি!?
৪৩ বছর আগের বাংলাদেশের সে সব বুদ্ধিজীবী আর আজকের স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের মাঝে বিস্তর ফারাক। সে কালের বুদ্ধিজীবীগণ সত্যিকারের অর্থেই জ্ঞান ও বুদ্ধির চর্চা দিয়ে দেশ জাতিকে এগিয়ে নিয়েছিলেন। আর এখনকার বুদ্ধিজীবীরা বুদ্ধির ফেরীওয়ালা। এরা বুদ্ধি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। অভিধানে বুদ্ধিজীবীর সংজ্ঞা কিন্তু দুটোই! কেউ আসল আর কেউ নকল। আমাদের কপালে এখন নকলটায় জুটেছে।
একজন জহির রায়হান, মুনীর চৌধুরী কিংবা আনোয়ার পাশাসহ অন্যদের জীবনেতিহাস ও কর্মের দিকে তাকালে জাতি হিসেবে গর্বিত ও শ্রদ্ধায় মাথা নত হয়ে আসে। কী সীমাহীন অগ্রগামী ছিলেন ওরা। পুরো উপমহাদেশে সবার থেকে একধাপ এগিয়ে। শিক্ষায়, মননে,সাহিত্যে, চলচ্চিত্রে এমনকি টেকনোলজিতেও কী সাংঘাতিক অগ্রগামী ছিলেন ঠিক ও সময়টাতেই। কী চমৎকার সৃজনশীলতা। কেবল একজন জহির রায়হান বেঁচে থাকলেই এ দেশের চলচ্চিত্র জগৎটাই পুরো পাল্টে যেত। দুনিয়াসেরা হতে পারত।
ভাবলে খুব মন খারাপ হয়ে আসে। এখন আমাদের মাঝে এমন একজন গুণী কেউ নেই যাকে দলমত নির্বিশেষে সকলেই মান্য করবার মত,শ্রদ্ধা জানানোর মত, সন্মান দেবার মত। কেউ নেই। সবগুলো একেকটি রাজনৈতিক দলের ভাঁড়। দালাল। অন্ধ সাপোর্টার। তাই প্রশ্নটা 'জীবন্মৃত দলকানা দালাল বুদ্ধিজীবী স্পন্দিত দেশে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালনের তাৎপর্য কি' খুব বেশি প্রাসঙ্গিক।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


