somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইচ্ছে হলে ভালোবাসিস ...

০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সুর্যঃ
একদিন ভোরবেলা লাল সুর্যটাকে দেখে মুগ্ধ দৃষ্টিতে কিছুক্ষন তাকিয়ে ছিলাম। বুকে কেমন জানি অস্থির এক অনুভুতি। ভালোবেসে ফেললাম সুর্যটাকে। তারপর সারাদিন অপেক্ষা...আর কষ্ট...সুর্যটা শুধু আমার কষ্টের প্রহরগুলোকে আরো খাঁটি করে তুলল। দিনান্তে হারিয়েও গেল। অপলক তাকিয়ে আবারো কষ্ট মেশানো মুগ্ধতা। নির্ঘুম সারারাত, কখন ভোর হবে। অতঃপর আবার ভালোবাসা, আবার খাঁটি হওয়া, আবার নির্ঘুম। খুব নিপুন হাতে আকা একটা বৃত্ত। ভাঙ্গার সাধ্যই নেই আমার। আচ্ছা, সুর্য কি বলতে পারে তার কতটুকু কাছে গেলে, তাকে কতটুকু ভালোবাসলে সে বুঝবে আমায়? আগুনরঙ্গা প্রজাপতি চাই আমার, উড়ে যাবো, সুর্যের দিকে ...

গোধুলীঃ
গোধুলীটা আমার সবসময়ই প্রিয়। কেমন জানি একটা মায়া ছড়িয়ে দেয়। মায়া নামে কারো সাথে পরিচয় হবার ইচ্ছে ছিল কোন একসময়। পরে লজ্জায় আর কাউকে বলতে পারতাম না। ছায়ার মায়া যে জোনাকীর আলোর মত অদ্ভুত স্নিগ্ধময়, চোখের পাতা পরে না, ভয় হয় এই বুঝি নিভে গেলো, আসলেই কি জ্বলেছিল আমার জন্যে? নাকি মায়া?

নদীঃ
আমি না হয় শান্ত নদী হব। উত্তাল ঢেঊ অন্য কারো জন্যে তোলা থাক। একজন খুব দরদ দিয়ে গাইত, এই ঝিনুক ফোঁটা সাগর বেলায়... খুব জানতে ইচ্ছে করে, ঝিনুকের আমন্ত্রন উপেক্ষা করার শক্তি সে কোথা থেকে পেল। নদীর তীরে ঝিনিক কুড়ানো হয়নি কখনো, নদীর তীরে মনে হয় ঝিনুকদের থাকতে নেই, তবু আমি শান্ত নদী হব...

সাঁঝবাতির রুপকথাঃ
মা প্রতি সন্ধ্যায় সাঁঝবাতি দিয়ে প্রনাম করতে বলতেন। সেই থেকে শুরু, আজো নত হয়ে আছি। কখন যে সাঁঝবাতিকে জড়িয়ে রুপকথা হলো বিন্দুমাত্র টের পাইনি। রুপকথা নিয়ে আরো রুপকথা। এভাবেই রুপকথারা ...সব কিছুই জীর্ন হয়, সাঁঝবাতি উজ্জল থেকে উজ্জলতর, ধ্রুবতারার মত। রুপকথাগুলোকে রেখে দিব, ছুঁতে দেবনা কাউকে...

শামুক ও নদীঃ
ছোটবেলা থেকেই শামুক দেখে কেমন জানি লাগত। খানিকটা লবন এনে ছড়িয়ে দিলেই ব্যস। ইদানিং কি যা হয়েছে, নিজেকে শামুকের মত মনে হয়, যথারীতি লবন দেয়ার মানুষের অভাব হয়না। আমিও চুপচাপ। আমার তো রক্ত নেই, আমার আবার কিসের ভয়? শামুক আর নদীর মধ্যে একটা মিল আছে, দুটোই শান্ত। আমিও শান্ত ...

মানুষগুলো কেমন জানি অন্যরকম, কোন গভীরতা নেই, সব অস্থির ...


নির্ঝরের মুক্তগদ্য দেখে খুব হিংসা হত, আমি কেন উনার মত লিখতে পারি না, আজ সাহস করে শুরু করে দিলাম। জানি কিছুই হয়নি ...তবু ...
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৪
৮৪টি মন্তব্য ৮৩টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

যে আয়না আর প্রতিচ্ছবি রাখে না

লিখেছেন মুনতাসির রাসেল, ০৪ ঠা মে, ২০২৬ সকাল ১১:১৯


আমাদের ভালোবাসা ছিল এক গোপন সন্ধ্যার মতো,
জোনাকিরা তখন শব্দহীন কবিতা হয়ে বসত সিঁথির পাশে,
হাত ধরলেই হৃদয় জেগে উঠত,
বুকের ভেতর গুনগুন করত অনন্ত প্রতিশ্রুতির গান।

তুমি তখন আমার দেহে নয়,
আমার সত্তার স্পর্শে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুতাপ (ছোট গল্প)

লিখেছেন আবু সিদ, ০৪ ঠা মে, ২০২৬ সকাল ১১:৪৯

একনাগাড়ে ৪-৫ বছর কাজ করার পর রহিমের মনে হলো, নাহ! এবার আরেকটা চাকরি দেখি। লোকাল একটা কোম্পানিতে কাজ করত সে। কিন্তু কোনকিছু করার জন্য শুধু ভাবনাই যথেষ্ট নয়। সে চাকরির... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ আমাদের খারাপ দিনের পর

লিখেছেন সামিয়া, ০৪ ঠা মে, ২০২৬ দুপুর ২:৩৩


করোনার সময় নানান উত্থান পতন ছিল আমাদের, আব্বা মা ছোটবোন সহ আমি নিজেও করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রায় মরে যেতে যেতে বেঁচে গিয়েছিলাম শেষ মুহূর্তে, বেঁচে গিয়েছিল আমাদের ছোট্ট সোনার... ...বাকিটুকু পড়ুন

ডোগান- এক রহস্যময় জাতি

লিখেছেন কিরকুট, ০৪ ঠা মে, ২০২৬ বিকাল ৫:১০



আফ্রিকার মালি এর হৃদয়ে, খাড়া পাথুরে পাহাড় আর নির্জন উপত্যকার মাঝে বাস করে এক বিস্ময়কর জনগোষ্ঠী ডোগান। বান্দিয়াগারা এস্কার্পমেন্ট অঞ্চলের গা ঘেঁষে তাদের বসতি । এরা যেন সময় কে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-১৩)

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০৪ ঠা মে, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



সূরাঃ ১৩ রাদ, ১১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১। মানুষের জন্য তার সম্মুখে ও পশ্চাতে একের পর এক প্রহরী থাকে। উহারা আল্লাহর আদেশে তার রক্ষণাবেক্ষণ করে। আর আল্লাহ কোন সম্প্রদায়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×