somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নিশিকে প্রোপজ করে কি বিপদেই না পড়লাম !!!

২৯ শে এপ্রিল, ২০১২ দুপুর ২:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

-এই সুমন ! এই সুমন দাড়াও !
কে ডাকে ? আমি এদিক ওদিক তাকালাম । আশেপাসে হাজার খানেক লোকজন । কার দিকে তাকাবো ?
অবশ্য কণ্ঠটা খুবই পরিচিত । আমি ঐ পরিচিত মুখটাকে দেখার জন্য আবারও এদিক ওদিক তাকালাম । কিন্তু কোথায় ? কোথাও দেখতে পেলাম না ওকে !
-এই সুমন ! দাড়াও বলছি !
আমি এবার শব্দের উৎস লক্ষ্য করে তাকালাম । সামনে দাড়িয়ে থাকা বাসটার থেকে মনে হল আমাকে ডাক দিলো ।
সত্যিই তাই । একটু ক্ষনের মধ্যে নিশির মুখটা দেখতে পেলাম ।
হাসি মুখ । আমার দিকে তাকিয়ে হাসল ।
তারপর হাসলো । হাত নেড়ে বলল
-হাই !!
আমিও হাত নাড়লাম ।
-হাই !!
হাতের ইশারায় আমাকে দাড়াতে বলল ।
আমি বললাম
-আরে নামতে হবে না । নামতে হবে না ।
কিন্তু নিশি আমার কথা শুনলো না । তাড়াহুড়া করে বাস থেকে নেমে পড়ল ।
আমার সামনে দাড়িয়ে আর একবার হাসি দিল । ভুবন ভূলানো হাসি । আমি খানিকটা অস্বস্তিতে পড়লাম । অবশ্য অস্বস্তির কারনও আছে ।

আজ রবি বার । ঠিক বৃহস্পতিবারে আমি ওকে প্রোপজ করেছিলাম ।
মুখে বলার ঠিক সাহস হয় নি । একটা চিঠি লিখে দিয়েছিলাম ।
গত বৃহস্পতিবারে যখন চিঠিটা দিয়েছিলাম ও বলল
-কি এটা ?
আমি অস্বস্তি নিয়ে বললাম
- কিছু না । বাসায় নিয়ে পড় ।
নিশি হাসি মুখেই নিল ।
-এখন খুলবো না?
-না না এখন না । বাসায় গিয়ে !
নিশি হাসলো । আর কিছু বলল না ।
তারপর দুদিন পার হয়ে গেছে । নিশি আমাকে একবারও ফোন দেয়নি । আমি ও দেই নি । আমি অনেকবার দিতে চেয়েচিলাম । কিন্তু কেন জানি দিতে পারি নি । বারবার মনে হয়েছে না জানি নিশি কি বলবে ?
আমি ভেবেছিলাম ও নিজেই আমাকে ফোন করবে ! ভাবছিলাম ঐদিন রাতেই ও ফোন দিবে ! বলবে যে আমিও তোমাকে পছন্দ করি ।
কিন্তু সব কিছু তো আর আমি যেভাবে ভাববো ষেভাবে হবে না ।
নিশি আর ফোন করে নি । কাল পর্যন্ত আমি আশায় ছিলাম । কিন্তু আজ জানো সেটা আর বে না । তারমানে ও আমার প্রোপজ গ্রহন করছে না ।
অস্বস্তিটা বেড়েই চলছে । একবার মনে হল কি দরকার ছিল এমন একটা গাধামী করার ।
নিশির সাথে কি সহজ সম্পর্কই না ছিল ! দেখা হত । কথা হত । দিন তো খারাপ যাচ্ছিল না । তাহলে এতো তাড়াহুড়ার কি দরকার ছিল ?
আর কয়দিন অপেক্ষা করলে কি এমন ক্ষতি হয়ে যেত !!
এখন হয়তো আর কোনদিন ওর সাথে থিক মত কথাই বলতে পারবো না অস্বস্তির জন্য ।

বাস থেকে নেমে আমার দিকে এগিয়ে এল ও হাসিমুখে । আমর অস্বস্তিটা আরো এক ধাপ বেড়ে গেল । বললাম
-এখানে নামলে কেন? একবারে ক্যাম্পাসে গিয়ে নামতে !
-সমস্যা নাই ! বেশিতো দুর না । টোমার সাথে গল্প করতে করতে যাই ।
সমস্যা তো তোমার নাই । কিন্তু সমস্যাতো আমার । এখন আমি তোমার পাশাপাশি হাটবো কেমন করে ! বললাম
- না মানে একটু হাটতে হবে তো !!
-আহা!! হোক না !! সমস্যা তো নাই । তাই না? নাকি আমার পাশে হাটতে তোমার সমস্যা আছে ?
-না সমস্যা থাকবে কেন ? কি যে বল না !!
আমি হাসার চেষ্টা করলাম । নিশি কেমন চোখে যেন আমার দিকে তাকাল । তারপর হাসলো । ওর হাসি দেখে আমার মনটা আরো একটা কেমন করে উঠল ।
বার বার মনে হচ্ছিল নিশি যদি এখন চিঠির প্রসঙ্গ তোলে !! তাহলে লজ্জার সীমা থাকবে না । যদি বলে -আবির তোমার কাস থেকে আমি এটা আশা করি নি । আমি তোমাকে কেবল বন্ধু মনে করতাম ।
দুঃখের বিষয়টা এখানেই । মেয়েরা কেবল আমাকে বন্ধুই মনে করে । উপকারি বন্ধু ।
-এই নাস্তা করছো ?
- না এখনো করি নি । ক্যান্টিনে গিয়ে করি ?
-ঐখানে খুব ভীড় থাকে । ঢুকতে ইচ্ছা করে না । আসো এই হোটেল টাতে ঢুকি !
-চল ।
ওকে হোটেলে ঢুকে পড়লাম নাস্তা করার জন্য । কোনার দিকে একটা টেবিল নিলাম ।
নাস্তা আসতে আসতে নিশি আমাকে বলল
-সুমন
-বল ।
-আজকে একটা বিশেষ দিন জানো ?
- কি বিশেষ দিন ?
-এখন বলবো না । পরে ।
-পরে কেন? এখনই বল ।
-না এখন বললে মজা নষ্ট হয়ে যাবে । পরে ।
না জানি কি বলবে । আমার মনের ভীতর কু ডাকতেই থাকে । বারবার ঐ একই কথাই মনে হতে থাকে । কি দরকার ছিল ? কি দরকার ছিল ওকে প্রোপজ করার ।
আজ নিশিটাও কেমন জানি রহস্যময় আচরন করছে । আগে তো আমার সাথে এমন করে কথা বলতো না । যা মনে আসে বলে ফেলতো । হাসতো আমাকে হাসাতো । আমিও ওর সাথে মজা করতাম । কিন্তু আজ কিছুই করতে পারছি না ।
মোট কথা ওর সাথে সহজই হতে পারছ না ।
মোটামুটি চুপচাপই নাস্তা খেলাম দুজনে । তবে নাস্তা খাওয়ার সময় দেখলাম ও বারবার আমার দিকে আড় চোখে তাকাচ্ছে । আর কেমন একটা অদ্ভুদ হাসির রেখা ফুটে উঠছে ওর মুখে । ঐ হাসির রেখটাই আমার অস্বস্তিটা আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে ।
ক্যাম্পাসে ঢুকতে ঢুকতে নিশি বলল
-আজ ক্লাস কখন শেষ ?
-আজ একটু দেরি হবে ।
-কত দেরি ?
-এই তিনটা !
-এতো দেরি ??
- হুম এক্সেম আছে ।
-ও !
ওকে খনিকটা হটাশ মনে হল । আমি বললাম
-তুমি বাসায় চলে যেও কেমন ! কাল কথা হবে আবার । এই বলে আমি ডিপার্টমেন্টের দিকে হাটা দিলাম । ও চলে গেল ওর ডিপার্টমেন্টের দিকে ।
আসলে আমি চাইছিলাম ওর সাথে আর আমার দেখা না হোক ! খুব লজ্জা লাগছিল ওর সামনে দাড়াতে !
ছি! কি লজ্জার একটা বিষয় !!
ওকে কেন যে প্রোপজ করতে গেলাম !
নিশি সব সময় আমাকে বলতো যে এই ঢাকা শহরে আমি নাকি ওর সব থেকে ভাল বন্ধু । সব থেকে কাছের মানুষ । তাই ও সব সময় আমার সাথে সব কিছু শেয়ার করতো । আর আমি কি করলাম !!!
গাধার মত ওকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়া বসলাম !!
কি এমনটা প্রয়োজন ছিল !
নিশি কখনই আমাকে ঐ রকম কিছু ইঙ্গিত দেই নি । ভার্সিটিতে আসতো আমার সাথে দেখা করতো । আড্ডা মারতো এই । তবে এটা সত্যি যে আমি ছাড়া ওর আর কোন ভাল বন্ধু নেই । নেই মানে ওকে আর কখনও অন্য কারো সাথে আমি কথা বলতে দেখি নি । এর যা কথা বার্তা সব কিছু আমাকে ঘিরেই । একেবারে ভার্সিটির ভর্তির প্রথম দিন থেকেই ।
ওর সাথে পরিচয় হয় খানিকটা অদ্ভুদ ভাবেই । ঐ দিন ভর্তির শেষ দিন ছিল । টাকা পয়শা ব্যাংকে জমা দিয়ে যখন বের হব ঠিক তখন দেখলাম একটা মেয়ে ব্যাংকের এক কোনায় দাড়িয়ে আছে চুপচাপ । এমনি সাধারন ভাবেই পাশ কাটিয়ে চলে যাচ্ছিলাম । ঠিক তখনই মেয়েটার চোখের দিকে আমার দৃষ্টি গেল । কি মায়াময় একটা চোখ ! আর ঐ মায়াময় চোখদুটোতে পানি টলমল করছে । যে কোন সময় পানি গড়িয়ে পড়বে । কৌতুহল কিছুতেই দমাতে পারলাম না । কাছে গিয়ে বললাম
-কি হয়েছে ?
মেয়েটা আমাকে একবার দেখল । একবার মনে হল হয়তো বলবে না । কিন্তু একটা পর মুখ খুলল । যা বলল তার সারমর্ম হল আজ টাকা জমা দেবার শেষ সময় । কিন্ত বাসে আসার সময় ওর ব্যাগ হারিয়ে গেছে । ব্যাগের ভিতর ওর মোবাইল আর ভর্তি ফি ছিল ! বলতে বলতে মেয়েটা চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ল ।
আমি বললাম
-ঢাকায় কোন আত্মীয় আছে ?
মেয়েটা মাথা নাড়াল ।
আমি বললাম
-বাসায় ফোন কর আমার মোবাইল দিয়ে ?
-বাসায় ফোন করে লাভ নাই । আজকের মধ্যে টাকা পাঠানো সম্ভব হবে না ।
মেয়েটা নিরবে কাঁদতে লাগল । আমার কেন জানি খুব মায়া লাগলো ।
বুদ্ধি দিয়ে বিচার করলে দেখা যাবে এসব ঝামেলায় নিজেকে জড়ানোর কোন দরকারই নাই । কিন্তু মন সাই দিলো না কিছুতেই । মেয়েটাকে ছেড়ে আসতে পারলাম না কিছুতেই । উপকার করলামই!
প্রথম প্রথম ঢাকায় এসেছি বলে বাবা বেশ মোটা অংকের টাটাই দিয়ে ছিল ।
মেয়েটার টাকা জমা দিয়ে দিলাম । ঐ দিনই জানলাম মেয়েটার নাম নিশি । তারপর থেকে নিশির সাথে আপনা আপনি বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে । আর এখন আমার মনে হচ্ছে সেই বন্ধুত্বের সমাপ্তির সময় চলে এসেছে ।

পরীক্ষা শেষ করতে করতে প্রায় সাড়ে তিনটা বেজে গেল । পরীক্ষা খুব বেশী ভাল হয় নি । তাই মেজাজটা একটু খারাপ ই ছিল । কিন্তু যখন ডিপার্টমেন্ট থেকে বের হলাম দেখলাম সামনের মাঠটাতে নিশি বসে আছে । বেশ খানিকটা অবাকই হলাম । এই মেয়েটা এতোক্ষন বসে আছে কেন ?
আমাকে বের হটে দেখে এগিয়ে এল ।
-বাব্বাহ !! বের হলে শেষ পর্যন্ত ?
আমি বললাম
-তুমি এতোক্ষন বসে আছো কেন? কোন দরকার ছিল নাকি ? আশ্চর্য !
কাল বলা যেত না??
নিশির মন যেন একটু খারাপ হল । ও আমার দিকে না তকিয়া অন্য দিকে তাকাল ।
-কি হল কথা বলছো না কেন ? এটার কোন দরকার ছিল ? -এটার কি কোন দরকার ছিল ? তিন ঘন্টা কি কেউ এমনি এমনি বসে থাকে ?
নিশি এবার আমার দিকে তাকাল !।
-তুমি বুঝবে না । আমি এতোক্ষন ধরে তোমার জন্য বসে আছি আর তুমি কিনা.............!!!
নিশি কথা শেষ করলো না । ঠিকই তো । মেয়েটা এতোক্ষন ধরে আমার জন্য বসে আছে, নিশ্চই জরুরী কিছু । সকাল বেলাতেই বলেছিল যে আজ একটা বিশেষ দিন । আমি ভেবেছিলাম অন্য কিছু । আমার চিঠি বাদ দিয়েও তো অনেক কিছু থাকতে পারে !
আমি বললাম
-আচ্ছা ! সরি । বল । কসের জন্য বসে আছো ? আজ কি বিশেষ দিন ?
-বলব না ।
-আরে বলবা না কেন? প্লিজ বল । প্লিজ ! আচ্ছা আমি সরি তো বলেছি ।
নিশি কি যেন ভাবলো ! তারপর একটা ঘাসে ভরা জায়গা দেখিয়ে বলল
-আসো ঐ খান টাতে বসি
দুজন বসলাম । খানিক্ষন চুপ থাকলাম দুজন । তারপর নিশি বলল
-তোমার চিঠি আমি পড়েছি।
আমার অস্বস্তিটা আবার ফিরে এল । না জানি কি বলবে !! আমি খুব আসতে করে জিজ্ঞেস করলাম
-তো তোমার কি .......... কথা শেষ করতে পারলাম না ।
-তোমার চিঠি দেওয়া দেখেই আমি বুঝে গেছিলাম যে ওর মধ্যে কি আছে । আমি ঐদিন হ্যা বলতাম কিন্তু.।
ও হ্যা বলত !!! ও মা্ই গড !!
আমি বললাম
-কিন্তু....?
-আজ একটা বিশেষ দিন বলছিলাম না?
-হুম । কি বিশেষ দিন ?
-আজ আমার জন্মদিন । আমি চাচ্ছিলাম এই দিনে তোমার প্রোপজটা এক্সেপ্ট করি ।
-ভাল করেছ । এক গিফট দিয়া দুটা অকেশন পার হয়ে যাবে । ;);););)
নিশি হাসলো ।
এতোক্ষন যে টেনশনে ছিলাম তা দুর হয়ে গেল ।
যাক বাবা!! বাঁচলাম।


গল্পটা এখানে আছে
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে এপ্রিল, ২০১২ দুপুর ২:২০
২২টি মন্তব্য ২২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শাল বাইম এর বদলে কুঁইচা......

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৩ ই আগস্ট, ২০২২ সকাল ১১:০৫

শাল বাইম এর বদলে কুঁইচা......

বাইম মাছ খুব সুস্বাদু একটি মাছ। আমাদের দেশে সাধারণত দুই ধরনের বাইম মাছ পাওয়া যায়। একটা তারা বাইম/গুছি বাইম ইংরেজিতে বলে Star Baim। অন্যটার নাম শাল... ...বাকিটুকু পড়ুন

লেখক সালমান রুশদির উপর আক্রমন

লিখেছেন কাল্পনিক_ভালোবাসা, ১৩ ই আগস্ট, ২০২২ দুপুর ১:০২

লেখক ও সাহিত্যিক সালমান রুশদির উপর আক্রমনের ঘটনা ঘটেছে। ধারনা করা হচ্ছে উগ্রবাদী 'ধর্মীয়' মনোভাবের কারনে এই আক্রমনের ঘটনা ঘটেছে।



সালমান রুশদি মূলত খ্যাতি অর্জন করেন 'মিডনাইটস চিলড্রেন' নামক... ...বাকিটুকু পড়ুন

আরও একটি বিচার হবে।

লিখেছেন মোহাম্মদ গোফরান, ১৩ ই আগস্ট, ২০২২ দুপুর ১:২৫


(ছবিতে কপি রাইট আছে।)


দুনিয়ায় বিচার শেষ বিচার নয়।
আরও একটি বিচার হবে।
সেটাই হলো শেষ বিচার।
এই বিচারে তাদের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে
যারা দেশ প্রেম ইমানের অঙ্গ
নামক কথাটিকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মডুদের কাছে অনুরোধ এবং ব্লগারদের কাছে ক্ষমা চেয়ে দরখাস্ত

লিখেছেন কিশোর মাইনু, ১৩ ই আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৩:২২

স্কুলকলেজে থাকতে মারাত্বক বই পড়ুয়া ছিলাম। বাতিঘর নামের এক লাইব্রেরীতে গিয়ে সারাদিন বসে থাকতাম। নতুন কোন বই পেলেই পড়ে ফেলতাম। এক পর্যায়ে গিয়ে বাতিঘরের গার্ড পর্যন্ত যখন বাতিঘর থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্মবিশ্বাস

লিখেছেন মোহাম্মাদ আব্দুলহাক, ১৩ ই আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৪:২০



মৃত্যু এবং ধর্ম থেকে মানুষ দূরে থাকতে চায়। ধর্ম হলো আয়না। মানুষ আত্মদর্শন করতে চায় না। অন্যের সকল দোষ পরখ করে খুঁটিয়ে দেখে, নিজেকে নির্দোষ ভাবে। অন্যের খাটের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×