somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

তাইফা আর আমার আরেকটি গল্প !

০৮ ই জুন, ২০১৪ বিকাল ৩:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



-কই ? কি হল ? কিনে দাও ! দাওওওও !

দুই তিন বছরের মেয়ে যদি এমন করে কিছু কিনে দেওয়ার বায়না করে তাহলে মেনে নেওয়া যায় ! কিন্তু কোন এইচএসসি পড়া মেয়ে যদি এমন বাচ্চা দের মত আহ্লাদ করে করে তাহলে তাকে থাপড়ইতে ইচ্ছা করে !
আমার এখন তাইফাকে থাপ্পড় দিতে ইচ্ছে করছে কিন্তু দিতে পারছি না !
তাইফা আবার বলল
-কই দাও !
-দেখো বাইরের জিনিস খেতে হবে না ! এগুলো আনহাইজেনিক !
-হোক আমি খাবো !
-না !
-খাবো !
-না !
-খাবো !

আমি কঠিন চোখে তাইফার দিকে তাকানোর চেষ্টা করলাম ! কিন্তু সেদিনে তাইফা বিন্দু মাত্র খেয়াল না দিয়ে আবারও সেই কথা বলতে লাগলো ! সে ফুচকা খাবেই !
আমি বললাম
-আইসক্রিম কিনে দিতে পারি ! কিন্তু ফুচকা না !
তাইফা কিছুক্ষন কি যেন ভাবলো ! তারপর বলল
-আচ্ছা ঠিক আছে ! কিন্তু পরের বার কিন্তু ফুচকা খাওয়াতে হবে !


মেয়েদের কে নিয়ে বের হওয়া দুনিয়ার সব থেকে প্যারাময় একটা কাজ ! কিন্তু এই কাজটাই করতে হচ্ছে কদিন থেকে ! কোন প্রকার অজুহাত দিয়ে কাটানো যাচ্ছে না !
কোন রকমে বাড়িতে কাটালেই এই বদ মেয়েকে কিছুতেই পেছ ছাড়ানো যাচ্ছে না ! ঢাকায় আসার পর থেকে সব সময় ফয়সাল এখানে নিয়ে চল ওখানে নিয়ে চল ! আরে আমি কি বাস ড্রাইভার নাকি যে এখানে ওখানে নিয়ে যাবো !


তাইফা এবার এইচ এস সি পরীক্ষা দিয়েছে ! দিয়ে কাউকে কিছু না বলে একা একা চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় চলে এসেছে খালার বাসায় ! এই মেয়ের এতো সাহস আমি নিজ চোখে না দেখলে ঠিক বিশ্বাস করতাম না ! অবশ্য তাইফার খালা মানে রুনু আন্টির মুখে তাইফার কথা আগে থেকেই শুনেছি !
মেয়ের কৃত্তিকলাপের কথা আমার কম বেশি জানতাম ! মেয়েটার গল্প শুনে একবার দেখার ইচ্ছা ছিল মনে কিন্তু সেই ইচ্ছা যে এমন ভাবে পূরন হবে ভাবি নি !

তাইফার খালার সাথে আমার আম্মার আবার গলায় গলায় ভাব ! পাশি পাশি ফ্ল্যাটে থাকার কারনে দুজনে একে অন্যের জানের বান্ধবী ! যতই মেয়ে ডানপিটে হোক ঢাকা শহরে একা একা একটা মেয়েকে ছেড়ে দিয়ে কেউ নিশ্চিন্তে থাকতে পারে না যদি সেই মেয়েটি নতুন হয় ! তাই আমার উপর দায়িত্ব পড়েছে তাইফাকে ঢাকা শহর ঘুরিয়ে দেখানোর ! আমি এখন সেই দায়িত্বই পালন করছি !

তাইফার জন্য একটা কোন আইসক্রিম কিনে আনলাম !
-তোমার টা কই ?
-আমি খাবো না !
-কেন ?
-এমনি ! তুমি খাও !
তাইফা আইসক্রিম খেতে খেতে আমার দিকে তাকিয়ে বলল
-তুমি এতো বোকা কেন বল তো ?

আমি মেয়েটার দিকে তাকিয়ে বোঝার চেষ্টা করলাম আসলে মেয়েটা কি বলতে চাচ্ছে ! এই তিন দিনে এই একটা প্রশ্নই তাইফা আমাকে অন্তত বিশ বার করেছে ! কেন করেছে কে জানে ?
আমি প্রত্যেকবারই বলেছি আমি জানি না ! এখনও তাই বললাম ! তাইফা প্রত্যেকবার আমার মুখের কথা শুন হেসেছে, এবারো হাসলো ! বলল
-নাও ! আইস ক্রিম খাও !
-তুমি খাও !
-আহা ! একটা বাইট নিলে কিছু হবে না !
-আরে খাবো না !
-আচ্ছা আমার এটো খাবে না ? যাও আমিও খাবো না !

এই কথা বলতে বলতে অর্ধেক আইসক্রিম টাই তাইফা ফেলে দিল রাস্তার উপর ! আমি অবা হয়ে মেয়েটার দিকে তাকিয়ে থাকলাম ! এই মেয়ের মাথায় আসলেই সমস্যা আছে ! আমার এমন একটা ব্যাবহার করছে যেন আমি তার অনেক কিছু হই ! আমার উপর হঠাৎ করেই এমন জোর কেন কাটাচ্ছে ! আশ্চার্য ! এই মেয়ের সমস্যা কি ?

আইসক্রিম ফেলার পর আমার দিক থেকে মুখ ঘুরিয়ে অন্য দিকে ফিরে বসলো ! আমার সাথে কথা বলবে না ! উল্টো দিকে তাকিয়েই বলল
-তোমার সাথে কথা নাই ! যাও ভাগো !

কি আর করবো আবার একটা আইসক্রিমনিয়ে এলাম ! আগে এক কামড় খেয়ে ওকে দিলাম ! বলল
-এই যে আইসক্রিম খেলাম । এবার নাও !
-না নিবো না !
-আরে কি আশ্চার্য নাও ! আমি তো খাচ্ছি ! তাই না ? নাও !
-প্রথমবার কেন নিলে না ?
-ভুল হয়েছে ! ঠিক আছে ! নাও ! আর এমন হবে না !

এবার তাইফার মুখে হাসি ফুটলো সে আমার কাছ থেকে আইসক্রিম নিল !
আবার সেই প্রশ্নটা করলো
-এই বল না, তুমি এটো বোকা কেন ?
-আমি বোকাই !
-সুইট বোকা ! তোমার গার্লফ্রেন্ডের কপাল ভাল অনেক !
-কেন ?
-কারন আছে !

এই ভাবেই দিন চলতে লাগলো ! আমার অবশ্য আর কোন কাজ নেই ! ভার্সিতে সপ্তাহে তিন দিন ক্লাস থাকে ! বাকি তিন দিন বাসাতেই থাকি । বাইরে বের হওয়াটা ঠিক পছন্দ না ! ঘরে বসে সময় কাটে ! এখন তাইফার সাথে সময় কাটে !
যেদিন আমি বাইরে যাই না সারাটা দিন আমার সাথে ! মনে হয় ওর খালার বাড়ি থেকে আমাদের বাসাতেই ও বেশি থাকছে ! আমার সাথে আড্ডা মারছে আরও ভাল করে বললে আমাকে বিরক্ত করছে । আম্মার সাথে হাসাহাসি করছে ! আম্মা কে খালামনি খালা মনি বলে মুখে ফেনা তুলে ফেলছে ! আম্মা কম যান না ! আম্মা এরই ভিতর ওকে তুই বলে ডাকা শুরু করে দিয়েছে !
আমি দেখছি আর অবাক হচ্ছি !

প্রথম দিনও খানিকটা অবাক হয়েছিলাম ! ঘরে বসে মুভি দেখছিলাম কোথা থেকে একটা অপরিচিত মেয়ে আমার রুমে এসে বলল
-এই তোমার নাম ফয়সাল না ?
আমি প্রথমে কিছু বলতেই পারলাম না ! কোথা থেকে কোন মেয়ে আমার ঘরে এসে আমার নাম এমন ভাবে জিজ্ঞেস করবে এটা আমি কোন দিন ভাবতেই পারি নি ! আমি কিছু বলছি না দেখে মেয়েটি বলল
-শুনো, বিকেল বেলা ফ্রি থাকবা ! আমাকে টিএসসি তে নিয়ে যাবা ! মনে থাকবে !
-তুমি কে ?

আমার এই কথা শুনে মেয়েটি আমাকে একটা ভেংচি কেটে চলে গেল !
আমি বোকার মত বসে থাকলাম কিছুক্ষন ! পরে মা এসে সব কিছু বলে গেল ! মেজাজ টা একটু খারাপ হল কারন মেয়েটা আমর থেকে প্রায় তিনচার বছরের জুনিয়র অথচ আমাকে কত সহজেই না তুমি করে বলছে ! তাই উপর আমার এক দিনেইকেবল একটা হুকুম হুকুম ভাব দেখাচ্ছে ! মানে কি ?


এভাবেই দিন কাটতে লাগলো ! একটা সময় আমি অবাক হয়ে লক্ষ্য করতে লাগলাম আমারও তাইফার সাথে সময় কাটাতে ভাল লাগে ! আমি নিজেই ওর জন্য অপেক্ষা করতে থাকি । কখন আসবে কখন আমাকে বিরক্ত করবে, আমার মোবাইল নিয়ে ঘাটাঘাটি করবে ! বলবে
এই টা তুমি কি রাখছো মোবাইলে ?
এই টা কর ছবি ?
এই মেয়েটা কেন ?
এই ছেলেটা কেন ?
এই টা লক কেন ?
এই টা এমন কেন ?

রাতের বেলা মাঝে মাঝেই তইফা আমাকে ফোন করে ছাদের নিয়ে যায় ! রেলিংয়ের উপরে বসে কত গল্প করি আমরা ! কত রকমের কথা ! কত অদ্ভুড রকমের কথাই না মেয়েটা জানে ! তারপর এই দিকে দিনে ঢাকা শহরের এমন কোন জায়গা নেই যেখানে আমরা এক সাথে ঘুরে বেড়াই নাই ! কিন্তু সব কিছুর একটা শেষ আছে ! দেখতে দেখতে তাইফার যাওয়ার দিন চলে এল ! ইন্টার পরেরই ভার্সিটিতে ভর্তির জন্য প্রস্তুতি নিতে হয় তাইফারও দরকার ! তাই তাকে ফিরতে হবে ! ওর চলে যাওয়ার কথা শুনে কেমন একটা লাগলো যেন !


যাওয়ার দিনও তাইফাকে স্টশনে পৌছে দিতে আমিই গেলাম ! ও আর কাউকে আসতে দেয় নি । বলেছে আমি তোমাদের বাসায় এসেছি একা বিদায় নেবোও এখান থেকে ! কারও স্টেশনে আসতে হবে না !
আম্মা তো কেঁদেকেটে অস্বস্থির !


ট্রেনে ওকে সিটে বসিয়ে দিয়ে ওর পাশেই বসলাম ! এই প্রথম বারের মত দেখলাম ওর মুখ টা কেমন একটু গম্ভীর !
-কি হল ?
-কি হবে ?
-মুখ এমন বাঁদরের মত করে রেখেছ কেন ?
-বাঁদর ?
-হুম ! মহিলা বাঁদর ! গম্ভীর হলে তোমাকে তেমনই লাগে !
-মার খাবা ! বলে দিলাম !

এই বলে তাইফা অন্য দিকে তাকালো ! আমার কেন জানি মনে হল মেয়েটা চোখের পানি আটকানোর জন্য অন্য দিকে তাকালো ! বুকের ভেতর টা হঠাৎই আবার কেমন করে উঠলো ! সেই অনুভুতিই আমি কিছুতেই প্রকাশ করতে পারলাম না !

কিছু বলতে যাবো তখনই ট্রেনের হুইসেল দিয়ে দিল ! ট্রেন ছেড়ে দিবে ! এখনই নেমে পড়া উচিৎ !

আমি বললাম
-যাই কেমন ?
-তুমি এসো আমাদের ওখানে ! কেমন ?
-হুম ! আসবো !
-আসবে তো ?
-হুম !


আমি ট্রেন থেকে নেমে পড়লাম ! দরজার কাছ পর্যন্ত তাইফা এল ! আমি দরজা দিয়ে নেমে যখনই ওর দিকে ফিরে চাইলাম তখনই দেখি ওর চোখে পানি ! এই প্রথম বারের মত ওর চোখে পানি দেখে সত্যি সত্যি বুকের ভেতর টা একটা মোচড় দিয়ে উঠলো ! মনে কিছু না ভেবে ট্রেন থেকে ওকে নামিয়ে নিয়ে আসি ! বলি তোমার যাওয়ার দরকার নেই ! আমরা রাতের বেলা ছাদের বসে গল্প করবো, সারা দিনরোদের ভিতর টো টো করে ঘুরে বেড়াবো ! তুমি যেও না !


ট্রেন ততক্ষনে চলতে শুরু করে দিয়েছে ! আমি একটু পিছিয়ে পরেছি ! দাড়িয়ে দাড়িয়ে দাড়িয়ে দেখছি ট্রেনটা একটু একটু করে তাইফা কে আমার কাছ থেকে দুরে নিয়ে যাচ্ছে ! আমি যেমন ওর দিকে তাকিয়ে আছি ও তেমন আমার দিকে তাকিয়ে আছে ! এক ভাবে !
একটু হেসে হাত নাড়ার চেষ্টা করলাম ! কিন্তু মুখ দিয়ে হাসি আসলো না !

একটু পরেই তাইফা গেটের কাছ থেকে ভিতরে চলে গেল ! আমার মন টা একটু খারাপ হল ! ভেবেছিলাম শেষ পর্যন্ত মানে যতক্ষন দেখা যায় ততক্ষন তাইফা গেটের কাছে দাড়িয়ে থাকবে !

তবুও ফাকা গেট টার দিকে তাকিয়ে থাকলাম কিছুটা সময় ! ট্রেন টা বেশ দুরেই চলে গেছে ! আমি পেছন ফিরে হাটা শুরু করলাম ! ঠিক তখনই আমার কেন জানি মনে হল পিছন ফিয়ে তাকাতে ! আমি পেছনে ফিরে তাকাতেই অবাক হয়ে দেখলাম তাইফা আবার গেটের কাছে এসেছে ! তবে এবার ওর কাধে ব্যাগ !
আামর ভিতর হঠাৎই একটা ভাবনা সৃষ্টি হল !
ও কি করতে যাচ্ছে ?
নেমে পড়বে নাকি ?
বোকা মেয়েটা কি করতে যাচ্ছে ?

ট্রেন ততক্ষনে চলছে ভালই গতিতে ! আর কিছক্ষনের ভিতরেই স্টশনের প্লাটফর্ম পার হয়ে যাবে !
আরে কি করতে যাচ্ছে মেয়েটা ?

আমি তাইফা বলে চিৎকার দেওয়ার আগেই তাইফা ট্রেন থেকে লাফ দিয়ে আশ্চর্য দক্ষতায় প্লাটফর্মের উপর দাড়িয়ে পড়লো ! আমরা যেভাবে ঢাকার চলন্ত বাস থেকে নেমে পড়ি ঠিক তেমনই ! আমার মতই অনেকেই তাইফার দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকলো কিছুক্ষন !


আমি দৌড়ে গেলাম ওর কাছে ! বলল
-এটা কি ছিল ?
-দেখলা না !
-তুমি কি পাগল নাকি ?
-হুম ! কোন সমস্যা ?
-তোমাকে না থাপড়ানো দরকার ! এভাবে কেউ লাফ দেয় ! যদি কিছু হত !
তাইফা সুন্দর করে হেসে বলল
-আরে কি হবে ? মনে নেই আমরা কত বার চলন্ত বাস থেকে এভাবে নেমে পরেছি !
-তুমি কেন নেমে পড়লে ?
-কেন জানি তোমাকে ছেড়ে যেতে মন চাইলো না ! তুমি তো আর বলবা না থেকে যেতে তাই গাধার মত আমি নিজেই নেমে পড়লাম !

আমি আসলেই কোন কথা বলতে পারলাম না ! কেবল তাইফার দিকে তাকিয়ে রইলাম !
১০টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কোয়ান্টাম হৃদয়ে বিগ ব্যাং : স্পেস-টাইমের প্রেমকাব্য (আধুনিক ও রোমান্টিক)

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২০

কোয়ান্টাম হৃদয়ে বিগ ব্যাং : স্পেস-টাইমের প্রেমকাব্য (আধুনিক ও রোমান্টিক)
.................................................................................................................



কক্ষপথে ঘোরে আমার একলা মনের ইলেকট্রন,
নেগেটিভ চার্জে মেঘ জমেছে, খুঁজছে আজি কার্বন মাখা অন্যমন।
তুমি যখন পজিটিভ এনার্জিতে, এ... ...বাকিটুকু পড়ুন

পোড়ামাটি নীতি (Scorched Earth Policy).....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৫৮



পোড়ামাটি নীতি (Scorched Earth Policy).....

একটি একটি সামরিক কৌশল। কোনো সামরিক বাহিনী যখন পিছু হটে বা শত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করতে চায়, তখন তারা নিজেদেরই ফেলে যাওয়া এলাকার সমস্ত ফসল,... ...বাকিটুকু পড়ুন

জনগণের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণের পরিকল্পনাটা কোথায় ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১০


ডা. জাহেদ উর রহমান। জুলাই আন্দোলনে শেখ হাসিনা বিরোধী ছিলেন এবং তাঁকে চেনেন না, এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম। মানুষটি অ্যাক্টিভিজম ছেড়ে নতুন সরকারের মুখপাত্র হয়েছেন। এতে আমার মতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনাদের আমরা পরিষ্কার করে বলি, ভয় ভেঙে রাজপথে নেমে আসুন

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:২৫

[মানুষ এতো দুষ্ট কেন? পুরনো কথা ভিডিও সহ ফেসবুকে এভাবে না ছাড়লে হয় না। ]

“আপনাদের আমরা পরিষ্কার করে বলি, ভয় ভেঙে রাজপথে নেমে আসুন"

২৫ হাজার টাকার মজুরি আন্দোলন আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝাল্লাগে- ভাল্লাগে!

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৭


আমাদের ঝাল খাওয়ার ইতিহাস হাজার বছরের নয়, তবুও কেন আমরা ঝাল পাগল জাতি হলাম এইটা নিঃসন্দেহে গবেষনার বিষয়। পর্তুগীজেরা না আসলে আমরা হয়তো কাঁচা লঙ্কা বা শুকনো লঙ্কা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×