না লিখে পারি না, তাই লিখি।লেখা নিয়ে ভাবার,বসার সময়ই মেলে না অনেক সময় এই জীবনের পাথর ভাঙ্গার পটে।তখন নিজেকে বড় নিঃস্ব নিরর্থক মনে হয়।অথচ উল্টো যদি সারাক্ষণ জীবিকার দুর্ভাবনায় বা চাকরি ক্ষেত্রের বিপন্নতায়
ভারাক্রান্ত থাকতে হয়,কিংবা চাকরিহীনতার অভিশাপ বয়ে ফিরতে হয়,তখন? তাই যখন লেখা-পড়া-চিন্তা চর্চার ফুরসত মেলে না প্রায়শই মনে পড়ে নারী-সংবেদনশীল বা আজকালের অভিধায় নারীবাদী লেখিকা ভার্জিনিয়া ওলফের কথাটি।প্রায় শত বছর পূর্বে তাঁর উচ্চারিত সত্য আজকের নারীর জন্যই শুধু নয় বিত্তহীন নারী-পুরূষ সবার জন্য সমান ।বলেছিলেন,একজন নারীর জন্য যদি একটি ঘর ও বছরে পাঁচ শ’ডলারের উপায় থাকতো তা হলে নারীও হতে পারতো সময়ের বড় লেখক।
এমনই এলোমেলো ভাবনায় ক্লান্ত ক্ষুব্ধ মনের বানানো ক’টি কথা লেখা ছিল গতকালের পাতায়,তা-ই আজকের তুচ্ছ পরিবেশনা---
মুর্খ মুখরতার মাঝে কতবার
নিজেকে খুঁজে নিতে নিতে নিখোঁজ হয়ে গেছি
সেই তেতো স্বাদ চাটতে চাটতে কেটেই তো গেলো কাল।
কোকাকোলায় গলা ভিজিয়ে
মন গলানো উচ্চারণের কোনো শব্দ সঞ্চয়ে নেই
অতএব অবধারিত হয়ে উঠে ইস্তফা---
আর মাসোয়ারা খাতায় কাটা পড়ে গেলে নাম
সবক’টি খোলা দরজার খিল
একে একে লেগে যায়
জীবনের এ বড় করূণ কূটাভাস।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




