প্যাথলজিকাল লায়ার বইলা একটা টার্ম আছে। এরা উঠতে বসতে মিছা কথা কয়। এমনভাবে কয়, লোকে ভাবে সত্যি হইতেই পারে। ধরেন অঃরঃপিঃ নামের একজন ব্লগার। সে এই ব্লগে লেখে। তো সে প্রথম থাইকা যা লিখব তার তো একটা ধারাবাহিকতা থাকব। কিন্তু পর্যায়ক্রমে যখন সে একই গল্প ভিন্ন ভাবে বলে, নিজেরে অন্যভাবে উপস্থাপন করে- বুঝতে হবে সামথিং ইজ ভেরি রং।
আমার লগে বেশ কয়েকজন ত্রিশোর্ধমহিলার পরিচয় হইছিল। অবদমিত কাম তাদের কোন পর্যায়ে নিয়া যাইতে পারে, তার একটা নমুনা আর কী একেকজন। তো আমি বরাবরই এই ধরণের পিসগুলার লগে মজা লই। কেস স্টাডি হিসাবে চমৎকার।
বন্ধু শরতের লগে এই জায়গায় আমার বেশ মিল। যদিও দুইজনের পর্যবেক্ষণ দুই ধরণের, কিন্তু ফলাফল এক হয়। অনেক সরল অঙ্ক আমরা দুইজন দুইভাবে মিলাইয়া একই ফল পাইছি। কৌশিকরে স্বাক্ষী রাইখা আমরা একবার দারুণ একটা এক্সপেরিমেন্ট করছিলাম। সেটার ফলাফল ছিল দুর্দান্ত। শালার এখন মেট্রিক পরীক্ষা দিলে তো জিপি না ডিপি দেয়। আমাগো সময়কালে হইলে হইত 100 তে 100। আমরা 10টা প্রেডিকশন দিছিলাম। সারিয়া আর ইমা ছিল দ্্বিতীয় ও তৃতীয় স্বাক্ষী। অদ্ভুত ব্যাপার হইল, প্রতিটি পর্যবেক্ষণ আমাদের ধাপে ধাপে সত্যি হইছে। হাহাহা কইরা একচোট হাসার পর, দুঃখবোধে আক্রান্ত হইছি। করুণায় দীর্ঘশ্বাস পড়ে।
প্যাথলজিকাল লায়ারদের নিবাসটা সবসময় স্বপ্নময়। অদ্ভুত এক স্বার্থপর জগতে তাদের বাস, এবং মানুষরে এক্সপ্লয়েট কইরা বিকৃত এক আনন্দ পায়। পোলাপান তো মাশাল্লা কথার জালেই কাইত (এবং কিছু বিবাহিতও)। অনেক নাটক দেখলাম। নটীদের কিছু কইনাই। আমার দোস্ত সেদিন আইসা আমারে একেবারে বৃত্তান্ত দিয়া গেল। তখন বুঝলাম কেন এরা মানুষ হারায়! পাবলিকে জিনিস হারায়, এরা মানুষ হারায়।
মুখোশ ডার্লিং মুখোশ। আর ম্যান্ডিবল দিয়া দুনিয়া জয় হয় না তো কখনো। জনপ্রিয়তা সাময়িক। একবার ফাস হইলেই শেষ। তখন!!! লজ্জা, মরি মরি একি লজ্জা, মরে যাই একি লজ্জা (গানটা জানি কার)!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
পাদটীকা : এই গল্প একান্তই উপলব্ধি থেকে লেখা। কেউ ব্যক্তিজীবনে মিল খুজে পেলে সেটা হবে কাকতাল। যদিও গল্পে কয়েকটা চরিত্র রাখছি আমার পরিচিতদের নামে। তারপরও গল্প গল্পই। গল্পের কথায় মনে পড়ল ঠাকুরমার ঝুলির কথা। রাক্ষসীরা কীভাবে মায়াজালে রাজকণ্যা সাজত! উত্তর পাইছি
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই আগস্ট, ২০০৬ বিকাল ৫:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



