ব্যাপারটা ঘটাইতে হইতই। ছলে-বলে-কৌশলে। দ্বিতীয়টা বাদ। বাকি দুইটারেই যতটা ইমপ্রোভাইজ করা যায় আর কি। আমার জন্য স্বর্গীয় প্রেরণা হইয়া মাশীদ আসছিল দেশে। পয়লা বৈশাখ থাইক্যা আমার লাভ লাইফ খুবই হ্যাজার্ডাস হইয়া আছিল। ভাঙে ভাঙে অবস্থা। মাশীদের লগে মন উজাড় কইরা কথা কইছি। আরেকজন আমার প্রবাসী বান্ধবী পূর্বা আফরোজ। এরা নারী সমাজের সঙে বিট্রে কইরা আমারে যথেষ্ট টিপস যোগাইছে। সাহস দিছু নজমুল আলবাব।
এরপর ষড়যন্তো শুরু। তার সঙ্গে দ্যাখা, আমার ভুল-চুকের জন্য অনুতাপ। একটু কান্নাকাটিও করছি। তয় সেইটা ছিল একদম জেনুইন। এইভাবেই এক ফাপড়ে তারে রাজি করানো। ভাস্করের বাসায় অন্য দাওয়াত ছিল, সেইটারে বিয়ার পার্টি বানাইলাম। আমার পুরান বন্ধু বান্ধবদের কাউরে কই নাই। ব্লগের স্বজনরাই (তারাই শ্রেষ্ঠ বান্ধব) উজাড় কইরা ঝাপাইছে। আলবাব মুহূর্তের নোটিশে সিলেট টু ঢাকা জার্নি করছে। জেবতিক আরিফ উকিল বাপেদের যা যা করার তাই করছে। ভাস্কর-মৌসুমরে ধন্যবাদ দিলে অপমান করা হইব। সারিয়া যা করছে সেইটা উল্লেখ করাটাও আরো অপমান। থ্যাঙ্কস টু শরত-কৌশিক (বিয়ার আসর থিক্যা পলানিটা বাদ দিলে)। আনিকা আর তার হাবিরেও ধন্যবাদ। আমিন পোলাটাও জান দিয়া খাটছে।
ধন্যবাদ ব্লগ বন্ধুদের তারা শুভেচ্ছা জানাইছেন। প্রবাসীরা ম্যাসেঞ্জারে-এসএমএসএ বার্তা পাঠাইছেন। উই আর গ্রেটফুল টু ইউ অল।
সর্বশেষ আপডেট বউ আমার বাপের বাড়ি থাকে। সাথিয়া স্টাইলে বিয়া। স্মাইল প্যাকেজে যোগাযোগ, সেইটা ফুরাইলে দেশ। বিয়ার পর একদিন মাত্র দ্যাখা হইছে। তুমুল বিরহ কাল চলতাছে। তার অবশ্য কোনো বিকার নাই। আমিই তব্দা খাইয়া রইছি। কিচ্ছু ভাল্লাগে না। একটা ক্যাচাল হইছিল। সেইটা দারুণ একটা পোস্টের দারুণ কিছু লাইন আউরাইয়া দারুণভাবে সামাল দিছি। সেইজন্য থ্যাংকস টু রাগ ইমন।
ভালো থাইকেন সবাই। দোয়া কইরেন স্বতেজে শিগগিরই যেন ব্লগাইতে পারি। আপাতত আঙুল দেয়ার উতসাহটুকুও পাইতাছি না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




