somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নারীর স্বাধীনতার পথ-টা বর্তমানে বিবর্তিত রূপ নিয়ে জঙ্গলে রুপান্তর হচ্ছে.....!

০১ লা জুলাই, ২০১২ বিকাল ৫:৩৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জীবন দিয়ে সতীত্ব রক্ষা করার মত উদাহরণ নেহায়েত কম নয়, অথচ সেই সতীত্ব নাকি টাকায় বিক্রি হয় এবং প্রগতিশীল সমাজ হাততালি দিতে থাকে এই বলে যে, নারী সাহসী হচ্ছে এবং এগিয়ে যাচ্ছে!
ইদানিং কালে কিছু নারীবাদী সমাজকর্মীরা নারী অধিকার নিয়ে অনেক বড় বড় লেকচার দিচ্ছেন। নারীকে সম অধিকার দিতে হবে। নির্যাতন বন্ধ করতে হবে। আমি তাদের সাথে কিছু ক্ষেত্রে একাত্মতা প্রকাশ করি। তবে ঐ সব নারিবাদীরা কিন্তু নারীরা যে দিন দিন ভোগ্য পন্যে পরিনত হচ্ছে তা নিয়ে একটি কথাও বলছেন না।
তারা যখন বলছে নারীরা ও মানুষ! তখন আমার মনে প্রশ্ন জাগে নারীরা অমানুষ ছিল কবে?
আমাদের নারীবাদীরা কিন্তু এই মেয়েদের নিয়ে কোন কথা বলেন না। কোন্‌ এক অজানা কারণে যে তারা সুন্দরী প্রতিযোগীতার বিরুদ্ধে কোন কথা বলেন না তা বোধগম্য নয়।
বিচারকরা কিসের ভিত্তিতে সুন্দরী বিচার করেছেন, তা যারা ঔইসব অনুষ্ঠান দেখেন তারা ভাল জানেন। তবে মানদন্ড আন্দাজ করা যায়। ষ্টেজে কোন মেয়েকে তার "আবেদন" আছে বলতে সহজ ভাষায় যা বুঝায় তা হলো, "যোণকর্মে মিলিত হওয়ার জন্য অন্যদের ডাকার আহ্বানের ক্ষমতা"।
এই মেয়েগুলো যে পণ্য হয়ে যাচ্ছে, বাজারজাত হচ্ছে সেদিকে তাদের কোন খেয়াল নাই। অথচ কলামে, গোলটেবিলে, টক শো'তে এঁদের চাপাবাজিতে টিভি বন্ধ করে রাখতে হয়। আবার এই মেয়েগুলোরই কিন্তু আত্মসম্মানবোধ অনেক বেশি। কারও দ্বিতীয় বা তৃতীয় বউ হিসেবে নিজেকে কিন্তু জীবনেও মানবে না। অথচ দেদারসে নিজেকে বাজারে তুলে, অনেকের ভোগের বস্তুতে পরিণত হচ্ছে।
নারী ভোগ্য পন্যে রুপান্তরিত হোক আপনারা কি এটি ই চান?
সম্প্রতি আমদের দেশের টি ভি চ্যানেল এর জয় জয়াকার অবস্থা, সেই সাথে টি ভি চ্যানেল গুলিতে চলছে বিজ্জাপন। প্রচার ও প্রসার এর জন্য এই বিজ্জাপনেও নারীদের জয় জয়াকার অবস্থা। নারী ছাড়া বিজ্ঞাপন যেন হয়না। অনেকে বলবেন নারী যদি বিজ্ঞাপনে থাকেন তবে সমস্যা কি? আমিও তো বলি ,না সমস্যা নেই। কিন্তু এক্সের বিজ্ঞাপনে কি চমৎকারই না দেখা গেল?
গাড়ীতে একটি পুরুষ বসে আছে এটি দেখে এক তরুনি বুক টা নিচু করে লিফট চাচ্ছেন। তরুন এর গায়ের বডি স্প্রে এর ঘ্রানে মেয়েটি পাগল প্রায়! তার শরীরের বুকের বোতাম গুলী পট পট করে খুলছে। একপর্যায় গোটা বক্ষ উন্মুক্ত হয়ে যায়। শেষমেশ এটা আর বডি স্প্রে এর বিজ্ঞাপন থাকেনা। মনে হয় কোন এক মক্ষিরানী নগ্ন হয়ে কাম বাসনায় লিপ্ত হবার জন্য পুরুষ টিকে আহ্বান জানাচ্ছে!
নারী কি এইখানে পণ্য নাকি ঐ বডি স্প্রেটি এইখানে পণ্য?
আসলে কি পুরুষরা পণ্য টি কিনল, নাকি ঐ নারীর যৌন শুঁড় শুঁড়ানি দেখে মনে মনে এই ফন্দি আঁটল যদি এই স্প্রে ব্যবহার করে বাংলার ললনাদের এমন এক্সপ্রেশন তারাও পেতে পারে!
১৯৯৬ সালের কোলকাতার আনন্দলোক পত্রিকার এক সাক্ষাৎকারে তখনকার হট অ্যান্ড হিট নায়িকা মমতা কুলকারনি বলেছিলেন
“বলিউডে অভিনয় করে কোন নারী তার সতীত্ব ঠিক রেখেছেন এমন কেউ যদি বলতে পারেন তবে আমি ফিল্ম থেকে চির বিদায় নিব”
তার এই কথায় তখন অনেকে প্রতিবাদ করলেও মমতার সামনে কেউ ই দাড়াতে পারেনি।
ইটি ভি তে সাংবাদিক তানভির তারেক এর এক প্রশ্নের জবাবে চিত্র নায়িকা নিপুন বলেছিলেন,
“সিনেমাটা রাতের অন্ধকার, তাই রাতে যে যত লবিং করতে পারে সেই তত গেইন করে”
ভদ্র ভাষায় এর চাইতে আর কিছু কি বলা প্রয়োজন?
দউলদিয়ায় পতিতা পল্লিতে যারা দেহ ব্যবসা করে তারা পুরুষদের বলে কাস্টমার, আর তারা সাজে পন্যে।
দউলদিয়ায় পতিতারা না হয় পেটের দায়ে দেহ বিক্রি করে। কিন্তু সমাজের বিভিন্ন পেশার ও বিভিন্ন নারী মিডিয়া লেবাস ধারি যখন রাতে বারিধারা, গুলশান, নিকেতনে যখন পণ্য হয় তারা কি পেটের দায়ে পণ্য হয়? নাকি শরীরের চাহিদার জন্য পণ্য হয়? নাকি একটা বাড়ি বা ফ্লাট এর জন্য পণ্য সাজে?
বর্তমানে বিভিন্ন রকমের সুন্দরী প্রতিযোগীতা চলছে বাংলাদেশে। যা কিনা নগ্নপ্রায় নারীর শরীরকে, যৌনতাকে ভদ্রতার মুখোশ পরিয়ে উপস্থাপন করার ই নামান্তর।
একবার চ্যানেল আই এর একটি সুন্দরি প্রতিযোগিতার অনেক গুলী সুন্দরি ক্যা ট ওয়াক করতেছিল। বিচারক ছিলেন কানিজ আলমাছ খান, তানিয়া, আর মডেল নোবেল। একটি মেয়ে আকা বাঁকা হেটে বিচারক দের সামনে এসে দাঁড়ালেন। কিন্তু একি বীভৎস ড্রেস! এটি কি সুন্দরি প্রতিযোগিতা? ললনার পুরা শরীরের ৭০ ভাগ ই ছিল অনাবৃত!
বগল এর অংশ গুলী, বুকের অন্তর্বাস ভেদ করে যেন সব কিছু বের হয়ে যেতে চায়। এ যেন আদিম যুগের কোন একসময় এর সল্প পোশাক পরিহিতা মেয়ের শরীর প্রদর্শনীর অদেখা গল্পের চরিত্রায়ন।
বিচারক তানিয়া বল্লেন
"তোমার বুকের ঐ বিউটি বন খুব আকর্ষণীয়। তোমার লুক প্রিটি অ্যান্ড এটরাকটিভ!"
কি ভয়ানক অবস্থা ঐ রুপ প্রায় বিবস্ত্র ঐ মেয়েটিকে তানিয়া কি সুন্দর করে কমেন্ট করছেন।
মনে হচ্ছিল কোন এক উচু সমাজের এক উচু মক্ষীরানী অত্যন্ত নির্বোধ অথচ সরল সাদা সিধে একটি মেয়েকে অন্ধকার পথের দিকে আসার উদাত্ত আহভান জানাচ্ছে।
মিডিয়া কন্যা বৈশাখী টিভির এঙ্কর চৈতি আর নির্মাতা এনামুল কবির নির্ঝর এর অন্তরঙ্গ সহবাস দেখে কি কারো মনে হয় মেয়েটি ঐ পুরুষ টি দারা নির্যাতিত হচ্ছেন?
নাকি নিজের চাহিদা পুরন এর জন্য তিনি নিজেই ঐ নির্মাতার ভোগ্য পন্যে রুপান্তরিত হচ্ছেন?
আই পি এল ক্রিকেট খেলায় দেখি নারীরা মাঠের চার পাশে অর্ধ নগ্ন হয়ে ঘুর ঘুর করছে। চার ছয় কিংবা আউট হলে ই শুরু হয়ে যায় বীভৎস নৃত্য। ক্রিকেট এর সাথে নারী দেহের কি সম্পর্ক আছে আমি বুঝতে পারিনা। নারীর বিশেষ যায়গা টি দেখে দর্শকদের আদিম সুখ দেবার এই টনিক টি কি নারী ধর্ষণ এর চাইতেও বড় অপরাধ নয়?
নিত্য নতুন যে টিনএজ মেয়েরা মিডিয়াতে ঢুকছে, তারা মূলত এলিট ক্লাসের যৌন ক্ষুধা মিটাতে নিজেরাই স-ইচ্ছায় ব্যাবহিত হচ্ছে।
নারীবাদীরা ওইসব দেখেন না, হয়ত নারীর কাপড় খোলার সাথে সাথে তাদের চোখের উপর পর্দা পড়ে যায়।
আমাদের দেশের তরুনিরা পার্টি তে যাবে। আমোদ ফুর্তি করবে। সরাব পান করবে। একাধিক বয় ফ্রেন্ড থাকবে এটি মামুলি ব্যাপার। কিছু কিছু নারী আবার এটিকে তাদের স্বাধীনতা ভেবে হাত-তালি বাজাবে।
তবে ঐ নারীটি যখন তার বন্ধুর স্বীকার হয় তখন এটি কি ধর্ষণ হলে গেল?
গত বিশ্বকাপ ক্রিকেটের জন্য বাংলাদেশ দলের জার্সি প্রদর্শন করা নামে একটা অনুষ্ঠান হয়েছিল। সেজন্য গ্রামীণফোন ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড আয়োজন করেছিল গ্রান্ড শো অনুষ্ঠান।
জার্সি উৎসবে জার্সি প্রদর্শনই যদি উদ্দেশ্য হবে, তাহলে সেখানে নারী দেহকে নগ্ন ভাবে প্রদর্শন করা হলো কি কারণে?
সেই অনুষ্ঠানের খবরে জানা গিয়েছিল, অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে হাত ঘুরে যখন মাইক্রোফোন গিয়েছিল জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দলের নির্বাচক আ্যলিষ্টার ক্যাম্পবেলের কাছে। তখন ক্যাম্পবেল বলেছিল, "
আমি আসলে ডিজাইন নয়, দেখছিলাম মডেলদের।"

হ্যাঁ, সেখানে নারীকে এভাবে উপস্থাপনের উদ্দেশ্য ছিল সেটাই। তা না হলে যে জার্সির সাথে নারীর কোন সম্পর্কই নেই, সেখানে নারীকে নগ্নভাবে প্রদর্শন করা হলো কেন? জার্সি উৎসবে নারীর গায়ে একটি জার্সিও ছিলনা, ছিল অর্ধউলঙ্গ পোষাক! কোথায় আমাদের নারী অধিকার সংগঠন গুলো? এসব কি নারীকে অপমাণ করা নয়? এভাবেই কি নারীকে অধিকার দেয়া হচ্ছে?
সৌন্দর্যের দরকার নেই, তা আমি বলব না কখনও ।
আমাদের প্রত্যেকের অনেক ঐশ্বর্য আছে। শারিরীক সৌন্দর্যকে যেমন স্বাস্থ্যকর জীবন পদ্ধতির মাধ্যমে ঠিক রাখা যায়, তেমনি ব্যক্তিত্ব শারিরীক সৌন্দর্য্য ছাপিয়ে উঠে প্রায়শই । আমাদের ভালবাসা বাড়াতে হবে 'সুস্থতার' প্রতি, অসুস্থ, কৃত্রিম, অসম্ভব সৌন্দর্য্যের প্রতি নয়।
নারী এখন 'পণ্য'। খোলস সর্বস্র। মাপামাপির যোগ্য 'বস্তু' হয়ে গেছে তাদের-ই তথাকথিত এগিয়ে যাওয়ার প্রয়াস থেকে।
সেই দিন চাই না, যখন মানুষ বউ গুলিয়ে ফেলবে, সবগুলো ঐশ্বরিয়া রায়ের ভিড়ে।
হালের নারীবাদীরা বুঝিয়ে থাকেন যে, স্বল্পবসনে চলাফেরা, অবাধ যৌণাচার, ডিভোর্স, বহুগামীতা অথবা একাধিক স্বামী গ্রহণের আকাংক্ষা মানেই নারী-স্বাধীনতা।
দেখুন, উপরের সবগুলো ঘটনাই কিন্তু অফিসিয়ালি বৈধ!
তার মানে কি আমরা বৈধ-অবৈধ এর মধ্যে পার্থক্য করতে পারছি না !
নারীবাদীরা হয়তো বলবেন এই-সবি পুরুষ-শাষিত সমাজের ফলাফল, নারীর ক্ষমতা নাই। অথচ বছরের পর বছর দুইজন নারীই সর্বময় ক্ষমতায় থেকে ইনারাই তো নারীর সত্ত্যিকার ভাবে মনসতাত্তিক উন্নয়নের জন্য কিছু করে দেখাতে পারেননা।
আমার মতে
“নারীর এই ভাবে পণ্য হয়ে যাওয়ার পিছনে পুরুষরা কিছু-ক্ষেত্রে ক্রিয়ানক হিসাবে কাজ করলেও, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ক্রিয়ানক হিসাবে কাজ করে নারীর অধিক মাত্রায় তথাকথিত এগিয়ে যাওয়ার প্রয়াস...”

এই ব্যাপারে তথাতথিত নারীবাদী বোদ্দারা তর্কের খাতিরে তর্ক করতে পারবেন, কিন্তু অস্বীকার তো আর করতে পারবেননা।
আজ অজান্তেই নারীর-ই স-ইচ্ছায় নারী স্বাধীনতা হয়ে দাড়িয়েছে ভুল স্লোগানে.....
.
.
[link]
নারী স্বাধীনতা মানে ছোট থেকে ছোট কাপড় পরা....
নিজেকে আরো অধীকতর নগ্ন করা।
নারী স্বাধীনতা মানে হিন্দি সিরিয়াল দেখে....
পরকীয়া প্রেমে আদিমতায় মত্ত হওয়া।

.
.
যেসব নারীরা এসব কাজে নিজেদের জড়িত করছে, এবং যেসব নারীবাদী সমাজকর্মীরা হাততালি দিয়ে এই বলে যে, নারী সাহসী হচ্ছে এবং এগিয়ে যাচ্ছে তাদের কাছেই প্রশ্ন করতে ইচ্ছে হয়.....
নারী কি আসলেই সত্ত্যিকার অর্থে বুদ্ধিমান হয়ে সবল হচ্ছে, নাকি দিনে দিনে আরো বেশি বোকা হয়ে অবলা হচ্ছে?
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৪:৫৬
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চলতি পথের গল্পঃ দুই

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২২


‘মরচুয়ারী’ শব্দটার সাথে এর প্রবেশ পথের পেছনের গাছপালাগুলো দেখে শান্ত, নিরবিলি পরিবেশের মিল খুঁজে পেলাম।

এর পূর্বের পর্বটি পড়তে পারবেন এখানেঃ চলতি পথের গল্পঃ এক

‘মরচুয়ারী’র পথে দেখা কিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

লিখেছেন নতুন নকিব, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২৪

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশ শোকাহত। এতগুলো নিষ্পাপ প্রাণের মৃত্যু নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×