চন্দ্রছাপ স্টলে সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। আমার বউ বলল, দেখি তো 'জীবনে হঠাৎ' বইটা। বই হাতে নিল আমার বউ।'কেমন বিক্রি হচ্ছে?' আমার বউ জিজ্ঞাসা করলে সেলস গার্লকে। 'মোটামুটি'। আমাকে দেখিয়ে বলল,'ও লেখেছে, বইটা?' সেলস গার্লটা বলল, কবিতাগুলো থেকে আমিও কিছু পড়েছি? ভালো লেখেছে। মনটা আমার খারাপ ছিল। সেই সময় মেয়েটার কথায়ও মন ভাল হয় নাই। আমার পাঠক খুব কম। কারণ, আমাকে সহ্য করার মতো মানুষ খুব কম এই ভুবনে। স্রোতে বিরুদ্ধে সব সময় লেখি। তাই, বেশি দূর আগাতে পারি না। বইমেলা থেকে বের হওয়ার পথ। সাথে মুনমুন। চারদিকে ধেয়ে আসছে, অমানুষের স্রোত। বলিষ্ঠ দু হাত দিয়ে নিজের ভালবাসাকে আগলে এবারের মতো বইমেলাকে বিদায় দিলাম। অনেক স্বপ্ন দিয়ে ১৩ই ফেব্রুয়ারিতে প্রথম গিয়েছিলাম বাবার জন্মবার্ষিকীতে নিজের প্রথম বইয়ের মোড়ক উম্মচন করার জন্য, আজ শেষ করলাম আলোকায়ন নামক দালাল প্রকাশনে সারাদিন আমার বই ডিসপ্লেতে না রাখা তাদের মালিকে নির্দেশের মাধ্যমে। আমার আব্বু বেঁচে থাকলে, ওদের চিহ্ন পর্যন্ত অমর একুশে বইমেলায় থাকতো না। কেউ কি জানাতে পারে, এদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা যায় কিনা?
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:৫৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




