শুনলাম তুমি অন্যের হবে, তাইকি?
হুটহাট কারো বউ হয়ে যাওয়া যায়কি?
লোকটা নাকি কবিতা পড়তে পারেনা
একটু পড়েই ঘুম পেয়ে যায় খুব
ভেবে দেখো কেউ নাক ডেকে আর নড়েনা
যখন রাত্রি হয়ে যায় নিশ্চুপ
বরং তুমি আমাকেই বিয়ে করো
রাত বাড়লেই সুনীল, জীবনানন্দ
চাইলে আমার হাতটা ধরতে পারো
আনতে পারো হাস্নাহেনার গন্ধ
লোকটা নাকি হাসিঠাট্টা বুঝেনা
আস্ত একটা রামগরুড়ের ছানা
লিটারেলি সব, অন্য অর্থ খুজেনা
একটাও জোক নাই গাধাটার জানা
বরং তুমি আমাকেই বিয়ে করো
হাসাবো তোমায় সকাল, দুপুর, রাতে
চাইলে আমার আঙুল ছুঁতে পারো
কিংবা মাথা রাখতে পারো কাঁধে
লোকটা নাকি ইয়া মোটা এক ভীম
এক রিকশায় বসবে কি করে বলো?
আরও শুনলাম লোকটা ভিতুর ডিম
ভয় পাবে কেউ করলে তোমায় ফলো
বরং তুমি আমাকেই বিয়ে করো
রিক্সায় মোরা এঁটে যাবো ঠিকঠাক
ভয় পেলে কভু আমাকে জড়িয়ে ধোরো
ঘুষি মেরে সব হটাবো দুর্বিপাক
লোকটা নাকি খুব হিসেবী, কিপটে
দশ পয়সাও বাড়তি খরচে কষ্ট
হীনমন্যতা ধরবে তোমায় জাপটে
বিয়ে করলেই বুঝে যাবে তুমি স্পষ্ট
মানছি আমিও ছেলেটা মধ্যবিত্ত
পাবলিক বাসে বাঁদরঝোলাই হব
তবু ভালবাসি তোমায় এটাতো সত্য
রোজ রাতে নয় ডালভর্তাই খাবো
বছরে নাহয় তিনতে শাড়িই দেবো
দুই ঈদে আর পহেলা বৈশাখে
বিনিময়ে শুধু চারটা চুমু নেবো
কপাল, গালে, চিবুকে আর ঠোঁটে :#>
ফ্যামিলি প্ল্যানিং ধুচ্ছাই সব বাজে
দেড়গন্ডা ছেলেপুলে নেবো দেখো
রুনু, মিনু হেল্প করবে তোমায় কাজে
রাতুল দুষ্টু, চোখে চোখে ওকে রেখো
মতিন, শাহেদ, ইস্কুলে যেতে চায়না
ঘুম থেকে তুলে ড্রেস পরিয়ে দেবো
বুশরামণি খামখেয়ালী, হঠাৎ ধরবে বায়না
বসে ওর সাথে সেরিলাক তাই খাবো
রোজ শনিবার সবাই মিলে ঘুরতে কোথাও যাব
বাচ্চাকাচ্চা সামলে তুমি হাসবে এদিক চেয়ে
হাঁটবো পথে, রাস্তার পাশে ফুচকাই নয় খাবো
বুঝলে পাগলী, কাটবে জীবন সুখেই তোমায় নিয়ে
বুঝলে, বরং তুমি আমাকেই বিয়ে করো
এ জন্মে, পরের জন্মে, তারও পরের জন্মে
বুঝলে পাগলী, বরং তুমি আমাকেই বিয়ে করো
দুজন মিলে হাঁটবো দূরে, সামনে, আরও সামনে

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


