
সেদিন ধর্মতলায় একটি কাজ ছিল । ফেরার পথে এসপ্ল্যানেড থেকে মেট্রো ধরে দমদমে নেমে সিঁড়িবেয়ে উপরে উঠছিলাম, ডানদিকে টার্ন নিতেই একজনের সঙ্গে চোখাচোখি হয়ে গেল । মনে হল কোথায় যেন দেখেছি ওনাকে । এমন সময় হঠাৎ ফোনটি বেঁজে ওঠায় চোখ নামিয়ে ফোনটি ঘাটতে ঘাটতে এগিয়ে চললাম । পিছন থেকে নারী কন্ঠে ,
- Excuse me.! আপনি কী পিটার চৌধুরী?
- মাথা নেড়ে সম্মতি দিয়ে, পাল্টা জিজ্ঞাসা করলাম ,
- আপনি তটিনী মুখার্জি?
সঙ্গে সঙ্গে একঝলক হাসি । চিরাচরিত শিশুসুলভ বিহ্বলতা ।
-কত্তদিন পরে দেখা ।
- হ্যাঁ , তা প্রায় পঁচিশ বছরেরও বেশি হবে ।
সঙ্গে সঙ্গে আপনি থেকে তুমিতে চলে এসে,
- তুমি এখন কী কর?
- বলার মত তেমন কিছু করিনা । তবে একেবারে বসে না থেকে একটি সফ্ট ড্রিঙ্ক কোম্পানীর আঞ্চলিক ম্যানেজার । তুমি কী কর ?
-আমি ঐ সাইকোলজিস্ট । নিজস্ব চেম্বার আছে গল্ফগ্রীনে । তুমি এখন কোথায় থাকো ?
-সল্টলেক , ১৪ নম্বর ট্যাঙ্ক ।
- সল্টলেক!
- হ্যাৃ, সল্টলেক ঠিকই, তবে সেটা ধ্যারধেরে গোবিন্দপুর । তা তটিনী তুমি কোথায় থাকো ? আমার নিউটাউনে ফ্লাট আছে ।
আমাদের কথা শেষ হবার আগেই তটিনী ব্যাগ থেকে একটি কার্ড বার করে এগিয়ে দিয়ে বললো ,
- ফোন করবে । বড্ড তাড়া আছে । আবার দেখা হবে ।
আমিও হাত দেখিয়ে বিদায় জানিয়ে এগোতে লাগলাম ।
আমরা তখন কলেজে পড়ি , তটিনী কলেজে বেশ জনপ্রিয় ছিলো । একেতো রূপ ছিল দেখার মত । চোখদুটি ছিল অত্যন্ত মায়াবী । সেই সঙ্গে ছিল সকলকে অসম্ভব আপন করে নেওয়ার ক্ষমতা । হাসতো একেবারে প্রাণ খুলে । আমরা ওর হাসি প্রসঙ্গে বলতাম , হাসিতে ও একশোতে একশো পাবে । একবিকালে ক্লাস শেষে আমরা বেশ কয়েকজন একবার ওর এই ভুবনমোহিনী হাসি ও সবাইকে আপন করার রহস্য জানতে চেয়েছিলাম । উত্তরে তটিনী জানিয়েছিল ,
- আমি তখন ক্লাস নাইনে উঠেছি, গার্লস স্কুলে পড়ি । বাবা প্রত্যেকদিন সকালে অফিসে বেড়িয়ে যায়, ফেরে অনেক রাতে । মা সারাদিন বাড়ির কাজ সামলিয়ে আর আমাকে সময় দিতে পারছিল না। তাছাড়া মা আর্টস গ্রাজুয়েট হওয়ায় ক্লাস নাইন থেকে ইংরেজি ও বিজ্ঞানের জন্য আলাদা মাস্টার রাখার প্লান বাড়িতে আগে থেকেই ঠিক ছিল । যে কারনে নুতন ক্লাসে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে আমার জন্য দুজন গৃহশিক্ষক নিযুক্ত হল । অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সমর সরকার আমাকে ইংরেজি পড়াতেন । আর দুই বিজ্ঞান ও অঙ্ক করাতেন বিজন সাঁতরা । বিজনদা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাপ্লায়েড ম্যাথমেটিক্সে M.Sc পড়ে । বিজনদার পড়ানো আমার যতটা ভালো লাগতো ঠিক ততটাই বোরিং ছিল সমরবাবুস্যরের পড়ানো ।
সমরবাবুস্যর প্রচন্ড গল্প করতেন । প্রত্যেকদিন পড়ানো শুরু করবেন Tense দিয়ে। কথায় কথায় বলতেন, Now we discuss. আবার পানও খেতেন পড়াতে পড়াতে । বেশ কয়েকবার পানের পিক মুখের এক পাশ থেকে ফিনকি দিয়ে ওনার পাঞ্জাবীতে পড়েছে। একবারতো আমার ইংরেজি বইতেও পড়েছিল । বাবাকে সে কথা বলতে ,
-ওনার বয়স হয়েছে । এই বয়সে একটুআধটু এরকম হয় । তবে উনি খুব ভালো ইংরেজি পড়ান ।
বাবা যাই বলুক সমরবাবুর এই বোরিং ইংরেজি পড়ানোর ফলে বিষয়ের প্রতি আমার একটি বিতৃষ্ণা চলে আসে । মাধ্যমিকের রেজাল্টেও তার প্রভাব পড়েছিল । ইংরেজিতে আমি সর্বনিম্ন নাম্বার পেয়েছিলাম ।
এদিকে বিজনদার কাছে বিজ্ঞান পড়ে আমি সেবার অর্ধবার্ষিক পরীক্ষায় স্কুলে তিনটি বিষয়েই প্রথম হয়েছিলাম । খাতাবার হবার কয়েকদিন পরে আচমকা বিজনদা আমাদের বাড়িতে পড়াতে আসা বন্ধ করে । প্রথমে মনে হয়েছিল হয়তো দাদার ব্যক্তিগত অসুবিধার জন্য আসছে না । আরও কয়েকদিন যেতেই মাকে জিজ্ঞাসা করতেই শুনি বিজনদাকে পড়াতে আসতে বারন করে দিয়েছে। কারন জানতে চাইলে মা অবশ্য সব বিষয়ে মাথা ঘামাতে নেই বলাতে আমি নিশ্চুপ হয়ে যাই । এই ঘটনাতে মনে প্রচন্ড ব্যাথা পেয়েছিলাম । কয়েকদিন রাগ করে স্কুলেও যাইনি । মায়ের সঙ্গে কথাও তেমন বলতাম না ।
দিনপনেরো পরে একদিন সন্ধ্যে বেলা আবার একজন গৃহশিক্ষক এলেন, অশোক সেনাপতি । মাঝবয়সি এবং বিবাহিত মাস্টারমশাইকে আমি অশোকদা বলতাম । আশ্চর্য! আমার মাও ওনাকে অশোকদা বলে ডাকা শুরু করলো । অশোকদা কোনও চাকরি পায়নি । প্লেন সাইন্স গ্রাজুয়েট । টিউশনিই পেশা, পড়াতেনও খুব খারাপ নয় । তবে অস্বীকার করবোনা যে বিজ্ঞান বা অঙ্ক কষে যে মজা বা আনন্দ পাওয়া যায় তা শিখেছি বিজনদার কাছ থেকে । অশোকদার আবার extra জ্যামিতিতে বেশ সমস্যা ছিল । আমি হঠাৎ কিছু সল্ভ করতে দিলে উনি রেগে যেতেন । তবে উঁকি মেরে দেখে নিতেন । দুদিন পরে অন্য একটি সমস্যা সমাধানে হঠাৎ করে আগের অঙ্কটা করে দিতেন । অশোকদার অঙ্কের সমস্যাটা বুঝতে পারলেও আমি ধরা দিতাম না । ক্লাস নাইনে বার্ষিক পরীক্ষায় আশানুরূপ নম্বর আমি পাইনি । অথচ আমি বেশ বুঝতে পারছিলাম অশোকদা আমাকে আমার প্রয়োজন মত পড়াতে পারছে না । বাবামাকে বললেও কোন কাজ হবেনা ভেবে কিছু বলতাম না ।
যথারীতি অশোকদা ক্লাস টেনেও পড়াতে আসতেন । সবে দুমাসও তখন স্কুল হয়নি , হঠাৎ একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি বাবা অফিসে যায়নি । মায়ের মুখ থমথমে । দুজনের কারো মুখে কোনও কথা নেই। আমি বাবাকে অফিস না যাওয়ার কারন জিজ্ঞেস করলাম । বাবা কোন উত্তর দিল না । মাও যন্ত্রের মত কাজ করে যাচ্ছে । এক অসহ্য গুমোট অবস্থায় আমার মাথা গরম হয়ে গেল । চিৎকার করে উঠলাম ,
- তোমরা আমার সঙ্গে কেন এমন আচরণ করছো ? তবুও দুজন নির্বিকার । আমি রাগে ছুটে খাটে গিয়ে শুয়েশুয়ে কাঁদতে লাগলাম । সারাদিন প্রায় নিজের ঘরে স্নান খাওয়া দাওয়া না করে কাটিয়ে দিলাম । সন্ধ্যের দিকে প্রচন্ড ক্ষিদে পেল । সামান্য দুমুঠো ভাত খেয়ে নিলাম । ছোটো থেকেই বাবামা ছিল আমার সবচেয়ে প্রিয় বন্ধু । আমি কোনোদিন আমার বাবামাকে ঝগড়া করতে দেখিনি । কোনদিন কোনও কথাও লুকাই নি । অথচ কেন যে আমাদের সংসারে এমন প্রলয় ঘটে গেল আমি কিছুই বুঝতে পারছিলাম না ।
এদিকে সেদিনের এই রহস্যের বেশ কিছুদিন পরে আবার আমি স্কুলে যাওয়া শুরু করলাম । বাবা যদিও পরেরদিন থেকে অফিসে যাওয়া শুরু করেছিল । পরিবর্তন যেটা হল অশোকদার আমাদের বাড়িতে পড়াতে আসা বন্ধ হয়ে গেল । ক্লাস টেন, একেতো পড়ার চাপ তার উপর সামনে টেস্ট পরীক্ষা । মনে মনে প্রচন্ড টেনশনে পড়লাম । একদিনতো বাড়িতে ভীষণ কান্নাকাটি শুরু করলাম । মা আমার পাশে এসে দাঁড়ালো । শাড়ির আঁচল তুলে আমার চোখের জল মুছতে মুছতে প্রশ্ন করলো ,
- আচ্ছা তনি ( আমাকে বাবামা আদর করে সংক্ষেপে এই নামে ডাকতো ) একটা কথা জিজ্ঞেস করবো , সত্যি কথা বলবি ?
- তুমি এভাবে কেন জিজ্ঞাসা করছো ? আচ্ছা মা আমি তোমাদের কী লুকাচ্ছি বলে তোমাদের মনে হয় ? ছোটো থেকে আজ পর্যন্ত এমন কোনও কথা আমার নেই যা তোমাদেরকে বলিনি ।
- না মানে, প্রথমেতো তোর সঙ্গে বিজনের সম্পর্ক ছিল ।
- আমার সঙ্গে? বিজনের সম্পর্ক ! তোমরা কীভাবে বুঝলে ? কে তোমাদের বলেছে যে তোমাদের মেয়ের এরকম সম্পর্ক তৈরী হয়েছে ?
- না, কাউকে বলতে হয়নি । আমরা তোর ঘুমের মধ্যে শুনেছি সে কথা ।
- ঘুমের মধ্যে! বিজনের সঙ্গে আমি কথা বলছিলাম । মা আমি হাসবো না কাঁদবো ভাবতে পারছি না । তা কী কথা বলেছিলাম আমি ?
- না, তেমন কোনও কথা নয় । সব পড়াশোনার কথা বলছিলি ।
- আর তাতেই তোমরা তোমাদের মত বুঝে নিয়ে তাকে পড়াতে আসা বন্ধ করে দিলে ?
- আসলে তোর বাবা বললে , হাজার হোক আমরা ব্রাহ্মণ ।
- মা , তোমরা তোমাদের মেয়েকে এখনও চিনলে না । আচ্ছা বিজনদা যাক । অশোকদা তো বিবাহিত । বাবার চেয়ে হয়তো সামান্য বয়সে ছোটো । তা ওনাকে কেন বারন করলে ?
- ঐযে! সেদিন রাতে ঘুমের মধ্যে আবার অশোকদার সঙ্গে কথা বললি । বিশ্বাস কর মা , আমি তোর বাবা প্রচন্ড ভয় পেয়ে গেছি । তুই আমাদের একমাত্র মেয়ে । এভাবে তোর কিছু হয়ে গেলে আমরা পাগোল হয়ে যাবো, তনি ।
- মা, একসময় তোমাদের জন্য আমার গর্ব হত । কিন্তু আজ আমি বুঝতে পারছি আমি এ কোথায় এসে পড়েছি । আমার আর বেঁচে থাকার কোনও ইচ্ছে নেই ।
- না না! তনি , আমার মা। এমন অলক্ষুনে কথা বলিস না ।
পৃথিবীতে সবচেয়ে আপনজন যে বাবামা তাদের বিশ্বাস হারিয়ে আমি তখন রীতিমতো মানসিক রুগী । স্কুলে যেতাম খেয়ালখুশি মতন । বাড়িতে আর কোনও মাস্টারের কাছে পড়বোনা জানিয়েছিলাম । নিজে যেটুকু পেরেছি পড়াশোনা করে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিই । তার মধ্যে ইংরেজিতে পেয়েছিলাম সর্বনিম্ন নাম্বার । এদিকে বাবামায়ের সঙ্গে আমার কথাবার্তা একেবারে কমে গেল । কোনও কোনও সপ্তাহে একবারও ওদের সঙ্গে কথা হতনা । মাও পারতপক্ষে আমার ঘরের দিকে আসতো না । ইতিমধ্যে এগারোক্লাসে পড়াকালীন মাসতুতো দাদার বিয়ের নেমন্তন্ন পড়লো । আমি তখন এমনিতেই সারাদিন প্রায় ঘরে কাটাতাম । সুতরাং বিয়ে বাড়ি যাওয়ার কোনও ইচ্ছা ছিল না । অথচ বাবামা আমাকে ছেড়ে যেতে অস্বীকার করলো । মাসিকে মা জানিয়েও দিল যে আমাদের যাওয়া হচ্ছেনা । মায়ের এই অসহায় মুখটি আমাকে ভীষন ব্যাথিত করে । আমার জন্য বাবামায়ের যাওয়া আটকে যাচ্ছে দেখে, অবশেষে মত দিই । মা খুব খুশি হয়েছিল।
আমার মাসতুতো বোন শিবানী আমার চেয়ে দুবছরের ছোটো । তবে ছোটো থেকেই ও ছিল আমার ভীষণ নেওটা । সেদিন রাতে শিবানীর সঙ্গে প্রচুর কথা হয়েছিল । শিবানীকে বলতে পেরে নিজেকে অনেকটা চাপমুক্ত মনে হয়েছিল । রাতে একসঙ্গে ঘুমিয়েছিলাম । পরেরদিন সকালে বাবামা যেন সম্পূর্ণ বদলে গেল। আমিও অবাক হয়ে গেলাম । ওদের এই হঠাৎ পরিবর্তনের কারন খুঁজে পেলামনা । একেবারে সবকিছু আগের মত লাগছিল ।
বিয়েবাড়িতে এমনি ব্যস্ততা তার উপরে আমার সঙ্গে বাকিদের আচরণের সদ্য পরিবর্তনে মনের মধ্যে একটা কিউরেসিটি তৈরী হল । শিবানী কে কথা আছে বলে একটা ফাঁকা স্থানে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসা করতেই ও হেসে একেবারে মাটিতে পড়ার উপক্রম করলো। আমিই ওকে ধরে শান্ত হতে চাপ দিলাম । শিবানীর কথায়,
- বাড়িশুদ্ধ লোকজন তোমাকে খুব খারাপ ভাবছিল। সবার ধারনা, বাড়িতে যে কোনও টিউটর পেলেই তুমি নাকি তার সঙ্গে প্রেমে জড়াতে । যেটা রাতে ঘুমের মধ্যে সব বলে ফেলতে । কিন্তু গতরাতে নাকি তুমি আমার সঙ্গে প্রচুর কথা বলেছো । বাড়িশুদ্ধু সবাই সেকথা শুনেছে । আর এর ফলেই সবারই ধারনা হয়েছে যে তোমার এরকম কিছু আগে ছিল না । ঘুমের মধ্যে কথাবলার পরিনাম যে কী মারাত্মক হতে পারে তা আমার চেয়ে আর কে ভালো জানে ।
দাদার বিয়ের পর বাবামা আমাকে নিয়ে এক সাইকোলজিস্টটের কাছে নিয়ে যায় । টানা তিনমাস আমাদের ওনার কাছে যেতে হয়েছিল । আমার সঙ্গে ঐদিদির খুব বন্ধুত্ব হয়েগেছিল । উনি বাবামাকে আমাকে ফ্রিভাবে সবার সঙ্গে মিশতে দিতে বলেছিলেন । ঘুমের মধ্যে কারও সঙ্গে কথা বলা মানে কোনও প্রেমঘটিত ব্যাপার নয় । আমরা সারাদিন যাদের সঙ্গে আপনমনে কথা বলি বা ভাবি সেগুলি মাঝে মাঝে ঘুমের মধ্যে আমাদের মুখে চলে আসে । যে কারনে এটা কখনই ভয়ের কারন নয় । উল্লেখ্য তার পর থেকে বাবামা আমার কোনও বিষয়ে কখনও সন্দেহের চোখে দেখতো না । আমি সারাদিন যেটাই করি সন্ধ্যেতে মায়ের সঙ্গে চুটিয়ে আড্ডা দিতাম । আমারা আবার আগেরমত একে অপরকে ফিরে পেলাম ।
তটিনীর কথা ভাবতে ভাবতে ওর দেওয়া কার্ড থেকে নম্বরটা নিয়ে কল দিতেই রিং হতে লাগলো । হ্যালো বলে পরিচয় দিয়ে আমার প্রশ্ন ছিল ,
- তটিনী তুমি বিয়ে করেছো কাকে ?
ওপ্রান্ত থেকে হাসতে হাসতে উত্তর এল ,
- প্রথমে যার কাছে বিজ্ঞানকে ভালোবেসে ছিলাম, সবার কাছে ধাক্কা খেতে খেতে কখন যে মানুষটার প্রতি টান চলে এসেছিল তা আমি নিজেই বুঝতে পারিনি । সে অনেক কথা । বিয়ে করেছি বিজনদাকেই । আর সাইকোলজি নিয়ে পড়ার কারন যে অভিজ্ঞতা আমার জীবনে হয়েছিল, সেখান থেকে বার হতে গেলে এটাই ছিল আমার কাছে সর্বোৎকৃষ্ট পথ। আমার দ্বিতীয় প্রেম সাইকোলজি । বলে আবার হাসির লহরী তুললো ...
বিঃদ্র- পোষ্টটি উৎসর্গ করা হয়েছে অন্যতম জনপ্রিয় কবি শ্রদ্ধেয় বিদ্রোহী ভৃগুভাইকে।
( ছবিটি আমার প্রিয় ছাত্র শ্রীমান সুজিত কুমার দাসের আঁকা )
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:০৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


