হয়তো বা ভুল করে আজ আসিনাই ভেজা এই বাংলার বুকে আমি—
দলছুট পায়রার মতন উড়িতেছি এক রাই কিশোরীর রূপ দেখে—
শীতের দুপুরে আমি দিগন্ত সীমায় গিয়ে রৌদ্রের জল দেহে মেখে
তার উঠানের মাঝে পাখায় শব্দ করে অগোচরে আসিয়াছি নামি।
ছোট ভেজা চুল তার যখন এলায়ে থাকে শিমলতাদের মত ঘাড়ে—
চুলের গন্ধমাখা জল গড়ায়ে পড়ে—জলে তার পিঠ ভিজে আসে—
লেবুপাতাদের ঘ্রাণ দীর্ঘশ্বাস হয়ে ভাসে তারে দেখে শান্ত আকাশে—
দাঁড়কাক হয়ে উঁচু কাঁঠালের ডালে বসে চুপচাপ দেখিয়াছি তারে।
উষ্ণ বিরাগ তার লেগে থাকে শুধু যেন কাপাসী বাজের চোখ জুড়ে—
লজ্জায় ধানক্ষেত নীরব বিকেলে একা মৃদু হেসে ওঠে—
ছড়ানো চাল তার উঠানের মাঝখানে—ধানশালিকেরা এসে জোটে—
আমি শুধু তাই জেনে একাকী মাঠের মাঝে- পাহাড়ী ছড়ার সাথে চলে যাই দূরে।
হয়তো ঝরিয়া যাব—হয়তো মরিয়া যাব মাদার পাতার সাথে বহুদিন আগে—
হয়তো দু’চোখ আর সবুজ হয়ে ভিজবেনা তার রূপে কখনোই আগামীর মাঘে—
সেও যাবে তারপর—রূপ তার রয়ে যাবে নারকেল, পেঁপে আর সুপুরী বাগানে—
আমি যদি চলে যাই, বন্ধু হে, তারে তুমি খুঁজে নিতে মনে করে এসো এইখানে।।
------------------------------------------------------------৮-০২-’০৬ খ্রিস্টাব্দ
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ৩:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




