পত্রিকার পাতার একটি কমন সংবাদ, স্টার জলসার কারনে অাজ ২জন কাল ৩জন প্রান গেলো। স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া বিবাদ, অার ঝগড়া বিবাদের চুড়ান্ত রুপ বিবাহ বিচ্ছেদ অার অাবেগী নারীর চুড়ান্ত হাতিয়ার অাত্ম হত্যা। ঝগড়া বিবাদ হবেনা কেন? স্বামী সারাদিন কাজ শেষে বাসাই এলে তাকে যে একটু খোজ নেওয়া দরকার, সেটা গুরুত্ত্বপূর্ণ নয়, মেয়েদের নিকট গুরুত্ত্বপূর্ণ হলো সিরিয়াল দেখা। এটা এখন বাংলার নিত্য দিনের সামাজিক রুপ হিসেবে অাত্ম প্রকাশ করেছে। মহিলাদের একটাই দাবিঃ- নায়িকার নামের ড্রেস দিতে হবে যত টাকাই হোক। নয়তো অাত্মহত্যার হুমকি ।যার চুড়ান্ত ফলহল অাত্মহত্যা, বিবাহ বিচ্ছেদ, পারিবারিক অশান্তি।
এই সংবাদ বা লেখা গুলোকি কর্তৃপক্ষের নজরে অাসেনা। বিদেশী চানেল গুলো অামাদের যদি উপকারের চেয়ে ক্ষতি বেশিকরে তবেকি অামরা কোন পদক্ষেপ নিতে পারিনা!!! নাকি অদৃশ্য কোন রশিতে অামাদের হাত পা বাধা।
ঠিক এমনই একটি সংবাদ এসেছিলো ২০১১ সালের একটি প্রতিবেদনে।"এবছর মেয়েদের ফলাফল ছেলেদের তুলোনাই খারাপের অন্যতম কারন সিরিয়াল নাটক"।
এতো কিছুর পরেও অামাদের দেশের বুদ্ধিজীবি মহল এবং কর্তৃপক্ষ চুপ কেন???
তাদের কোন সজনের কিছু হচ্ছে না তাইকি তারা চুপ। নাকি তারা এসব সংবাদ পড়ে না!!!
না জনগনের মৌলিক সমস্যাগুলো তাদের মাথাব্যাথার কারন নয়!!!
তবে দেশের সাধারন এবং সচেতন মানুষ ( স্বল্প শিক্ষিত মানুষ গুলাও) দেশের সর্বিক বিষয়গুলা বোঝে। গল্পের ফাকে তারা তাদের ক্ষোভগুলা প্রকাশ করে।
অামাদের দেশের বুদ্ধিজীবীদের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য তারা জনগুরুত্ত্বপূর্ণ ও কল্যানকর কাজ কি জিনিস সেটা বোঝেন না। মাঝে মাঝে মনে প্রশ্ন জাগে তারা অাসলে বুদ্ধিজীবি নাকি পরজীবি।
যাহোক কর্তৃপক্ষকে অবশ্যয় সাংস্কৃতিক অাগ্রাসন এবং এর ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতন হতে হবে, এবং পদক্ষেপ নিতে হবে। নতুবা এটা ভুলেগেলে ভুল হবে দেশের জনগন কিন্তু অসচেতন নয়।
অাসুন অামরা সামাজিক সার্বিক কল্যাণের কাজে এগিয়ে অাসি।


সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ভোর ৫:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




