দাদাবাড়ির মাঝি নাদের আলী বলেছিলো "ট্রানজিট দে, দেখিস একদিন তিস্তা দিয়ে দিবো। জঙ্গী হটা, বানিজ্য ঘাটতি কমিয়ে দিবো।" দাদা সব নিয়ে নিয়েছে। দেয়নি কিছু, আমাদেরও দেখা হয়নি কিছুই, 43 বছর কেটে গেল। বাজার গেছে, আকাশ গেছে, পত্রিকার পাতাগুলো গেছে, চিন্তা গেছে, সিনেমা হলটা বাকী ছিলো, এবার সেটাও যাচ্ছে। যে দেশের মন্ত্রীর একমাত্র এজেন্ডা মনে হয় ভারতের ছবি আমদানি (তাও আবার ভারতের সবচেয়ে অখাদ্য ছবিগুলো ), যে দেশের মন্ত্রী মনে করে বাংলাদেশের সিনেমার উন্নতির একমাত্র উপায় ভারতের ছবি আনা এবং আমাদের ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক ভারতীয় কোনো সংস্থাকে দেয়া, সে দেশের ভবিষ্যত চরম উজ্জ্বল।
এইরকম চিন্তাশীল মানুষ যদি দেশ চালায়, সে দেশের ভবিষ্যত উজ্জ্বল না হয়ে পারে না। আশা করি অন্যান্য দেশও (যাদের সিনেমার অবস্থা খারাপ) আমাদের দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে চলচ্চিত্র বিপ্লব সাধন করবে।
বিঃদ্রঃ পাশে বসা ছোটো ভাই বললো "দুই দেশের ছবি না বিনিময় হওয়ার কথা"। আমি তাকে পুনরায় "নাদের আলী"র কবিতা পড়তে বললাম।
খুশী হয়ে ছোট্ট ভাই আমাকে "জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় জঙ্গী দমনের গুরুত্ব" বিষয়ে একটা বক্তৃতার রিপোর্ট ধরিয়ে দিয়ে বললো "দেশ চালাতে এইরকম প্রতিভাই আসলে দরকার"!
আমি বললাম "এইরকম একটা মন্ত্রী তুই ফুসলিয়ে নরেন্দ্র মোদীকে দিয়ে দে। আমরা বেঁচে যাই"!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



