somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কাঠাল কাহিনী......

২০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:৪৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কাঠাল ফলটা আমার তেমন পছন্দ না, এইজন্য কাঠাল কখনো কেনাও হয় না আমার । কিন্তু কালকে চিপায় পইরা কাঠাল কিনতে বাধ্য হইছি । ওই কাহিনীটাই বলতে চাইতেছি...............

আমাদের অফিস ভিজিটে ৩ জন জাপানী ডেলিগেটস আসছেন ২দিন হলো । ওনাদের আসা উপলক্ষে আমরা যারপরনাই ব্যস্ত কিভাবে তাহাদের খুশি করা যায়,কিভাবে তেল মারা যায় । ওনারা উঠছেন হোটেল রেডিসন এ । ওখান থেকে আসার পথে রাস্তায় দেখছে কাঠাল,দেইখা পুরা টাশকি খায়া কয় এইডা কি,এইডা কেমনে খায়,আমাদেরকে এইটা খাওয়ানোর ব্যবস্থা করো । অফিসে ঢুইকাই আমার বসেরে কয় আমরা ওনলি কাঠাল খামু অন্য কিছু না । পিওনরে কইলাম কাঠাল নিয়া আসো ভালো দেইখা একটা,পিওনে কয় এত বড় রিস্ক আমি নিতে পারুম না, কাঠাল খারাপ হইলে সবাই ঝারি মারবে আমারে আমার সাথে অন্য কাউরে দেন । কি আর করা কইলাম চল আমি ই যাই । জিগাতলা গেলাম কাঠাল আনতে,এক ভ্যানে দেখি কাঠাল বেচতাছে । ভ্যান ওয়ালারে কইলাম ভাইরে দ্যাশের মান ইজ্জত তোর উপরে,বিদেশী লোক কাঠাল খাইতে চাইছে এখন যদি কাঠাল খারাপ হয় দেশের মানইজ্জত যাইবো । তুই দাম যা চাবি তাই দিমু আমারে ভালো একটা কাঠাল দে । ওই বেটায় কয় বিপদে ফালাইয়া দিলেন ভাই ।

যাই হোক বাইছা ছোট একটা কাঠাল দিলো আমারে, দাম নিলো ৭০ টাকা । ওইটা অফিসে আইনা ভালো কইরা ধুইয়া মুইছা সামনে দিলাম । এখন কয় এইটা কেমনে খামু? কাঠাল ভাংলাম । ভাইংগা আমি মহাখুশি কাঠালটা এত সুন্দর হইছে........... এত সুন্দর কাঠাল অনেকদিন দেখি নাই আমি । এক একজনে ৮-১০টা কইরা রোয়া খাইলো । খাইয়া তো মহাখুশি । কয় আমারে যাওয়ার সময় ২টা কাঠাল কিনে দিবা আমি জাপান নিয়া যামু । আমি কইলাম আইচ্ছা ।

কাঠাল ওয়ালার উপরে আমার শ্রদ্ধা চলে আসছে কাঠালটা দেইখা । ওই লোক কাঠাল বিক্রী করে অথচ দেশের আমি লগে লগে পিওন রে দিয়া আরো ১০০ টাকা পাঠাইয়া দিছি বখশিশ হিসাবে । আরো কাঠাল লাগবো আজকে জাপান পাঠানোর লাইগা ওইটাও কইয়া দিছি । আজকের গুলা ভালো দিলেই হয় ।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:৫৪
৩৩টি মন্তব্য ৩০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কি আছে কারবার

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৪৩


ঐ যে হেঁটে যাচ্ছিলাম- দেখলাম
ভণ্ডামি আর প্রলোভন কাণ্ড;
ক্ষমতায় যেনো সব, ভুলে যাচ্ছি অতীত-
জনগণ যে ক্ষেতের সফল ভিত
অবজ্ঞায় অভিনয়ে পাকাপোক্ত লঙ্কা;
চিনলাম কি আর খেলেই ঝাল ঝাল
তবু ভাই চলো যাই, হেঁটে- হেঁটেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিংহাসনের লড়াই: নেকড়ের জয়ধ্বনি ও ছায়ার বিনাশ

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৪৮



“Game of Thrones: Winter is coming” - এর ছায়া অবলম্বনে।

বাংলার আকাশে এখন নতুন সূর্যের আভা, কিন্তু বাতাসের হিমেল পরশ এখনো যায়নি। 'পদ্মপুর' দুর্গের রাজকীয় কক্ষের একপাশে বিশাল মানচিত্রের দিকে তাকিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

৭১ পরবর্তি বাংলাদেশ ( পর্ব ০৮)

লিখেছেন মেহেদী আনোয়ার, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:২৩


মুক্তিযুদ্ধে ‘ত্রিশ লাখ শহিদ হয়েছে'— এই দাবি বিশ্ববাসী প্রথম জানতে পারে ৩ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে সোভিয়েত রাশিয়ার কমিউনিস্ট পার্টির পত্রিকা ‘প্রাভদা'তে প্রকাশিত এক সংবাদ নিবন্ধে। দু'দিন পর চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ শবে বরাত!!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:২০



ইসলামি বিশ্বাস মতে,
এই রাতে আল্লাহ তার বান্দাদেরকে বিশেষ ভাবে ক্ষমা করেন। ফারসি 'শবে বরাত' শব্দের অর্থ ভাগ্য রজনী। দুই হাত তুলে প্রার্থনা করলে আল্লাহ হয়তো সমস্ত অপরাধ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফেলে আসা শৈশবের দিনগুলি!

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:২১


চট্টগ্রামে আমার ছোটবেলা কেটেছে নানুর বাড়িতে। চট্টগ্রাম হলো সুফি আর অলি-আউলিয়াদের পবিত্র ভূমি। বেরলভী মাওলানাদের জনপ্রিয়তা বেশি এখানে। ওয়াহাবি কিংবা সালাফিদের কালচার যখন আমি চট্টগ্রামে ছিলাম তেমন চোখে পড়েনি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×