ভেঙে ফেলেছি রোদের কণা, ভেতর থেকে বেরিয়ে এসেছে সুতীব্র ইতিহাস। আমি প্রস্তুত ছিলাম। অথবা ছিলাম না। আমার ঘরকন্না এখন ইচ্ছানির্ঘুম বাতাস, নিকোটিন আর দারুরসের পেয়ালা, কর্কশ দিন ও মায়াময়ী রাতের সাথে।
-হ্যালো রাত! হ্যালো সেক্সি!
এইসব রাতে যৌনতা ভর করে। ভর করে করে ভোর হয়। কাক ডাকে। পসরা সাজায় শহর। যৌনতার শহর।
ফার্মগেট টু গুলিস্তান!
গুলিস্তান টু ফার্মগেট!
ভাড়া দশ টাকা। বিআরটিসি ডাবল ডেকার। চেপে বসি আপার ডেক। পাশের সিটে কোনো শহুরে আপা। নকল নারী।
-হ্যালো আপা! হ্যালো সেক্সি! ভেতরে বেশ পরে আছেন লাল ব্রা। সাদা কামিজের তলে লাল!
কামিজ সালোয়ার ব্রা। যৌনতা। শহর মানে যৌনতা। এখানে যৌনতা ফেরি হয়। সুদূর গ্রাম থেকে শহরে আমদানি । পাড়ায় পাড়ায় রপ্তানি।
*
-এতদিন পর!
যদি জেনেই থাকো বিভ্রান্তির ইতিহাস, তবে পাল্টে নিতেই পারতে ভুল খতিয়ান। তবুও অপেক্ষায় ছিলাম। অপেক্ষায় অপেক্ষায় অপেক্ষা শেষ। তারপর তুমি এতদিন পর।
নতুন বাজার। বাড্ডা থানা। গুলশান লেক পাড়। বসুন্ধরা আবাসিক। মানিব্যাগে চেপে রাখি অ্যাপোলো হাসপাতালের পেশেন্ট কার্ড। সেই সব বাঁশের ফ্লোরের কাবাব দোকান নেই দেখি। তবে সেই টেবিল বয় আছে। এখন চায়ের দোকানদার। আগের মতই যত্ন করে বসালো। দুইটা কাপ ধুয়ে এক কাপ চা দিলো সে। আরেকটা কাপ খালি।
ফেরার আগে দেখি, একটা কাপ ভেঙে ফেলেছে দোকানি।
*
-হ্যালো রিকশা! হ্যালো সেক্সি!
রিকশায় রিকশায় যৌনতা ফেরি হয়। চৌত্রিশ বুকে হাত রেখে চুমু খায় বেপরোয়া কিশোর।
বুকের ভেতর হাত রেখে বল দেখি, কখনো থ্রি দেখোনি!
আমি দেখেছি। দেবনায়ার থেকে বেইবস্ ডট। তুমি শ্লা হিপোক্রেট। মাথায় টুপি রেখে নিচে পরে রাখো হিরো প্লাস্টিক!
*
আমার এখন একলা থাকতেই ভালো লাগে। নার্সিসিজম ইজ দ্য বেস্ট লাভ। মোবাইলে চাপা শুনেই যারা ফোন সেক্স করে ফেলো, তোমাদের জন্যে আমার মোবাইলই রইল। তুমি ভাবো, আমিও মাতাল। শালী, তোমার যখন খসে, আমি তখন হাসি।
-হ্যালো অপরিচিতা! হ্যালো সেক্সি!
যৌনতার শহরে প্রেম মানে লাল শাক ভাজা, কাঁঠালের বিচি, রুই মাছের ঝোল। দেখে জল আসে মুখে। খেয়ে একটা গোল্ডলীফ ধরালেই ফিলিংস শেষ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




