সেদিন স্রোতের ভেতর ভেসে ডুবে ভেসে যাচ্ছিলো
জোছনাকুমারী
আমাদের বিবশ শরীর ঘ্রাণের হিসেব লিখে লিখে
তখনো ঘুমিয়ে যায় নি পুরোপুরি
আমাদের হাতগুলো বিভিন্ন যোনিপথ ঘুরে এসে
থেমে পড়েছিলো পাশের বাড়ির বারান্দায়
রোদে ঝুলানো কারো ধূসর ব্রার গায়ে লেগে থাকা
নিপলের পুরোনো দাগে
এইসব রাত জোছনার ত্রিমাত্রিক কলঙ্ক হয়ে যায়
আর আলগোছে কেউ তুলে নিয়ে যায় ব্রাগুলো...
আহ!জোছনাকুমারী!
ডালিমফুলের ঘ্রাণ লেগেছিলো বলেই তোমার সালোয়ারে
পড়েছিলাম প্রথমবারের মত সঙ্গমের সংবিধি
অথচ শিশ্নের অন্ধকারে লুকিয়ে ছিলো ইতিহাস
কাটাফলের ভবিষ্যৎ
তারপর কুমারীজীবন তোমার সমাপ্ত হল তপ্ত বুকের ছায়াতলে
এখানে ওখানে ছড়িয়ে গেলো আড়াই যুগের হিসেব নিকেশ
তুমি জেনে নিলেই পারতে!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


