ডাকওয়ার্থ-লুইস মেথড এর মূলকথা হল "সম্পদ" (resources)।
প্রত্যেক দলের দুটো করে "সম্পদ" থাকে যা ব্যবহার করে সেই দল যতো বেশী সম্ভব রান করার চেষ্টা করে :
১। যত ওভার তারা পাবে (wickets in hand)
২। যত উইকেট তাদের হাতে আছে (overs remaining)
কোন দলের যেকোন ইনিংসের যে কোন সময়ে এই দুটি "সম্পদ" এর সমষ্টির উপরই নির্ভর করবে ঐ দলের আরও রান করার ক্ষমতা।
কোন ম্যাচ যখন এক বা একাধিক বার অনাকাঙক্ষিত কারণে ছোট হয়ে যায়, তখন টার্গেট স্কোরকে বাড়িয়ে বা কমিয়ে
এক বা উভয় দলেরই হারানো "সম্পদের" প্রতিফলন পাওয়া যা্য।
এ ক্ষেত্রে একটি (পূর্বপ্রকাশিত) সারণি (table) ব্যবহার করা হ্য়
যা যেকোন সংখক অবশিষ্ট ওভার বা বল এবং হারান উইকেটের জন্য,
অবশিষ্ট সম্পদের সমষ্টির হার (% of combined resources) প্রদান করে।

এই শতকরা হার ব্যবহার করে একটি টারগেট হিসেব করা হয়, যা সাধারণত হ্য় কিছু রানের ভগ্নাংশ।
যদি দ্বিতীয় দল সেই টারগেট অতিক্রম করতে পারে তবে তারা বিজয়ী হয়। আর যদি সমান করে তবে টাই হয়।
ওয়ানডে ম্যাচে প্রত্যেক দলকে কমপক্ষে ২০ ওভার এবং টুয়েন্টি-টুয়েন্টিতে প্রত্যেক দলকে কমপক্ষে ৫ ওভার খেলতে হবে।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই মার্চ, ২০১১ রাত ৩:১২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


