সম্রাট শাহজাহান স্ত্রী মমতাজের প্রতি ভালোবাসা অমর করে রাখার জন্য তাজমহল বানাতে পারলে আর্জেন্টাইন কৃষক মার্টিন তো স্ত্রী গ্রাসিয়েলার স্মৃতির রক্ষায় একটি গিটার বানাতেই পারেন। তার এই গিটারপ্রেমের নিদর্শন তাজমহলের চেয়ে কোনো অংশেই কম নয়। তিনি কয়েক বছর ধরে স্ত্রী গ্রাসিয়েলার সম্মানে তার খামারে গিটারের ডিজাইনে সাত হাজার সাইপ্রাস ও ইউক্যালিপটাস গাছ লাগিয়েছেন। ১৯৬০ সালে মার্টিনের বয়স যখন ২৮ তখন ১৭ বছর বয়সী গ্রাসিয়েলাকে দেখে তিনি মুগ্ধ হয়ে যান। সিদ্ধান্ত নেন বাকি জীবনটা এই নারীর সঙ্গেই কাটিয়ে দেবেন। সে সময় মার্টিন ইউরোপ ভ্রমণ করছিলেন। তবে গ্রাসিয়েলার সৌন্দর্যের মাধুর্য তিনি খুব বেশিদিন উপভোগ করতে পারেননি। ২৫ বছর বয়সে পৃথিবী ছেড়ে চলে যায় গ্রাসিয়েলা। মার্টিন ও গ্রাসিয়েলার দাম্পত্য জীবনের সুবর্ণ সময়ে যখন তারা একদিন পাম্পা খামার এলাকার ওপর দিয়ে উড়ে যাচ্ছিলেন। তখন গ্রাসিয়েলা মার্টিনকে বলেন, এখানে তারা একটি বাগান করবেন যার ডিজাইন হবে একটি গিটারের মতো। সংগীতের সব উপকরণের মধ্যে গিটার ছিল গ্রাসিয়েলার সবচেয়ে প্রিয়। তবে মার্টিন সে সময় নিজের কাজকর্ম নিয়ে এতটাই ব্যস্ত ছিলেন যে প্রিয়তমা স্ত্রীকে বলেছিলেন, এ ব্যাপারে আমরা পরে কথা বলব। হঠাৎ মারা যাওয়ার সময় গ্রাসিয়েলার পেটে তাদের পঞ্চম সন্তান। শোকে কাতর মার্টিন একদিন ঠিক করলেন স্ত্রীর শেষ ইচ্ছা পূরণ করবেন। অনেককে ডেকে গিটারের মতো দেখতে বাগান করার পরিকল্পনার কথা জানালে কেউ তেমন সাড়া দেয়নি। অবশেষে তিনি নিজেই ওই খামারে গিটারের আয়তনের নকশা করে সাইপ্রাস ও ইউক্যালিপটাস গাছ লাগাতে শুরু করেন। ১৯৭৭ সাল থেকে বাগানে গাছ লাগানো শুরু করেন তিনি। প্রথমে তার সন্তানদের দাঁড় করিয়ে গিটারের মাপ ঠিক করতেন। ধীরে ধীরে পুরো গিটারের পরিমাপে গাছ লাগানো হয়। এই সাত হাজার গাছ ঠিকমতো দেখাশোনা করতে মার্টিনকে অবশ্য অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। ডিজাইনের বাইরে গেলে নতুন করে গাছ লাগাতে হয়েছে। স্ত্রীর সম্মানার্থে এ কাজ করে ৭০ বছর বয়সী কৃষক পেড্রো মার্টিন এখন বেশ আত্মতৃপ্ত। পর্যটন এলাকা হিসেবেও ওই অঞ্চলের নাম ছড়িয়ে পড়েছে। ১৯৯০ সালে মার্টিনের জীবনে নতুন সঙ্গিনীর আবির্ভাব হলেও তাকে বিয়ে করেননি তিনি। প্রেমিকা মারিয়া অবশ্য প্রেমিকের স্ত্রী ভক্তি দেখে বেজায় খুশি সত্যিকারের ভালোবাসার জন্যই মার্টিন এমন বিশাল নিদর্শন প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছেন। মার্টিনের পরলোকগত স্ত্রীর স্বপ্নের গিটারের বাগান হয়েছে ঠিকই, কিন্তু দু’জনের কেউই ওপর থেকে দেখেননি তা।
আজব শখ গিটার বাগান
সম্রাট শাহজাহান স্ত্রী মমতাজের প্রতি ভালোবাসা অমর করে রাখার জন্য তাজমহল বানাতে পারলে আর্জেন্টাইন কৃষক মার্টিন তো স্ত্রী গ্রাসিয়েলার স্মৃতির রক্ষায় একটি গিটার বানাতেই পারেন। তার এই গিটারপ্রেমের নিদর্শন তাজমহলের চেয়ে কোনো অংশেই কম নয়। তিনি কয়েক বছর ধরে স্ত্রী গ্রাসিয়েলার সম্মানে তার খামারে গিটারের ডিজাইনে সাত হাজার সাইপ্রাস ও ইউক্যালিপটাস গাছ লাগিয়েছেন। ১৯৬০ সালে মার্টিনের বয়স যখন ২৮ তখন ১৭ বছর বয়সী গ্রাসিয়েলাকে দেখে তিনি মুগ্ধ হয়ে যান। সিদ্ধান্ত নেন বাকি জীবনটা এই নারীর সঙ্গেই কাটিয়ে দেবেন। সে সময় মার্টিন ইউরোপ ভ্রমণ করছিলেন। তবে গ্রাসিয়েলার সৌন্দর্যের মাধুর্য তিনি খুব বেশিদিন উপভোগ করতে পারেননি। ২৫ বছর বয়সে পৃথিবী ছেড়ে চলে যায় গ্রাসিয়েলা। মার্টিন ও গ্রাসিয়েলার দাম্পত্য জীবনের সুবর্ণ সময়ে যখন তারা একদিন পাম্পা খামার এলাকার ওপর দিয়ে উড়ে যাচ্ছিলেন। তখন গ্রাসিয়েলা মার্টিনকে বলেন, এখানে তারা একটি বাগান করবেন যার ডিজাইন হবে একটি গিটারের মতো। সংগীতের সব উপকরণের মধ্যে গিটার ছিল গ্রাসিয়েলার সবচেয়ে প্রিয়। তবে মার্টিন সে সময় নিজের কাজকর্ম নিয়ে এতটাই ব্যস্ত ছিলেন যে প্রিয়তমা স্ত্রীকে বলেছিলেন, এ ব্যাপারে আমরা পরে কথা বলব। হঠাৎ মারা যাওয়ার সময় গ্রাসিয়েলার পেটে তাদের পঞ্চম সন্তান। শোকে কাতর মার্টিন একদিন ঠিক করলেন স্ত্রীর শেষ ইচ্ছা পূরণ করবেন। অনেককে ডেকে গিটারের মতো দেখতে বাগান করার পরিকল্পনার কথা জানালে কেউ তেমন সাড়া দেয়নি। অবশেষে তিনি নিজেই ওই খামারে গিটারের আয়তনের নকশা করে সাইপ্রাস ও ইউক্যালিপটাস গাছ লাগাতে শুরু করেন। ১৯৭৭ সাল থেকে বাগানে গাছ লাগানো শুরু করেন তিনি। প্রথমে তার সন্তানদের দাঁড় করিয়ে গিটারের মাপ ঠিক করতেন। ধীরে ধীরে পুরো গিটারের পরিমাপে গাছ লাগানো হয়। এই সাত হাজার গাছ ঠিকমতো দেখাশোনা করতে মার্টিনকে অবশ্য অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। ডিজাইনের বাইরে গেলে নতুন করে গাছ লাগাতে হয়েছে। স্ত্রীর সম্মানার্থে এ কাজ করে ৭০ বছর বয়সী কৃষক পেড্রো মার্টিন এখন বেশ আত্মতৃপ্ত। পর্যটন এলাকা হিসেবেও ওই অঞ্চলের নাম ছড়িয়ে পড়েছে। ১৯৯০ সালে মার্টিনের জীবনে নতুন সঙ্গিনীর আবির্ভাব হলেও তাকে বিয়ে করেননি তিনি। প্রেমিকা মারিয়া অবশ্য প্রেমিকের স্ত্রী ভক্তি দেখে বেজায় খুশি সত্যিকারের ভালোবাসার জন্যই মার্টিন এমন বিশাল নিদর্শন প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছেন। মার্টিনের পরলোকগত স্ত্রীর স্বপ্নের গিটারের বাগান হয়েছে ঠিকই, কিন্তু দু’জনের কেউই ওপর থেকে দেখেননি তা।
মঞ্চে রাজনৈতিক বিভাজন

উদীচী পুড়ার সময় কি হারমোনিয়াম, তবলা, একতারা, দোতারা, সেতার কিংবা বাঁশি পুড়েনি?, মনে রাখবেন তখন আগুন শুধু কিছু বাদ্যযন্ত্র পোড়ায়নি, -পুড়েছিল এই বাংলার সংস্কৃতির, এই বাংলার শত কোটি মানুষের... ...বাকিটুকু পড়ুন
স্বাক্ষী থেকো বাংলাদেশ, স্বাক্ষী থেকো ১৮ কোটি মানুষ।
স্বাক্ষী থেকো বাংলাদেশ, স্বাক্ষী থেকো ১৮ কোটি মানুষ।
================================
ইতিহাস কখনো মুছে যায় না। যে জাতি তার মানুষের কান্না, আর্তনাদ ও ন্যায়বিচারের দাবি ভুলে যায়, সে জাতির ভবিষ্যৎও প্রশ্নের মুখে পড়ে।
আজ এক... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাকস্বাধীনতা নাকি বাকসন্ত্রাস?
বাকস্বাধীনতা নাকি বাকসন্ত্রাস?
বাকস্বাধীনতা একটি গণতান্ত্রিক সমাজের মৌলিক অধিকার। কিন্তু বাকস্বাধীনতা মানে যা খুশি তাই বলা নয়; অন্যের সম্মান, নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতাকে উপেক্ষা করারও নাম নয়।
কোনো ব্যক্তি, পরিবার, গোষ্ঠী বা... ...বাকিটুকু পড়ুন
আবার সমস্যা, ব্লগ আমাকে কেন ভোগাচ্ছে?
আবার সমস্যা ব্লগ ঠিকমত দেখা যায় না। কিছুদিন আগে এমনটি হয়েছিল। ব্লগার সুলাইমান সহজ করে সমাধান বের করে দিয়েছিল। এবার একই সমস্যা হচ্ছে তবে সেই একই উপায়ে কাজ হচ্ছে... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাংলাদেশ কি ইরানের নতুন শত্রু হতে চলেছে ?

মরুভূমির গরম বাতাস আর লোহিত সাগরের নোনা জলীয় বাষ্প যেখানে এসে মেশে, বাব এল মানদেব প্রণালীর সেই জায়গাটায় রাতের অন্ধকার নামলেই একটা অদ্ভুত নীরবতা ছেয়ে যায়। কিন্তু সেই নীরবতা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।