#সর্বাধিক শূন্যঃ
৯০'র দশকে তাঁর বিপক্ষে বল করাটা অধিকাংশ বোলারের কাছেই ছিল একপ্রকার দুঃস্বপ্ন! মাত্র ১৭ বলেই যিনি তুলে নিতে পারেন অর্ধ-শতক তাঁকে বল করতে গেলে নার্ভাসনেস তো কাজ করবেই! শত শত বোলারের ঘুম কেড়ে নেয়া এই তিনিই নাম লিখিয়েছেন বাজে এক রেকর্ডের তালিকায়! ৩৪ বার রানের খাতা না খুলেই লঙ্কান "মাতারা হারিকেন" সনাথ জয়সুরিয়া হয়ে আছেন ওডিআই ক্রিকেটের সর্বাধিক শূন্য রানের মালিক! ৩০ বার আউট হয়ে পাক-তারকা শহিদ আফ্রিদি আছেন তালিকার ২ নম্বরে।
টেস্ট ক্রিকেটে এ কালিমা সবচেয়ে বেশি (৪৩ বার) লেগেছে ক্যারিবিয়ন দৈত্য কোর্টনি ওয়ালশের গায়ে! কিউই বোলার ক্রিস মার্টিন আছে ২-এ (৩৬বার)।
#সর্বাধিক বোল্ড আউটঃ
স্টাইল ও টেকনিকে ক্রিকেটের অন্যতম সেরা। বোলারদের খুব একটা সুযোগ দেন না বলে খেতাব-ও পেয়েছেন "দ্য ওয়াল"। আর তাঁর গায়েই কিনা লেগে আছে সর্বাধিক বোল্ড আউটের তকমা! টেস্টে ৫৪ বার এ ঘটনার শিকার রাহুল দ্রাবিড়। ৫৩ বার এলান বোর্ডার ও ৪৮ বার লিটল মাস্টার শচিন-ও পেয়েছেন এ স্বাদ।
টেস্টে না পারলেও ওয়ানডেতে ঠিকই তালিকার এক নম্বরে আছেন টেন্ডুলকার! বল ৬৬ বার ফাঁকি দিয়েছে তাঁর ব্যাটকে!
#সবচেয়ে ব্যয়বহুল ওভারঃ
ইংরেজদের হয়ে ৪০০ উইকেট পাওয়া একমাত্র বোলার। তাঁকেই বয়ে বেড়াতে হচ্ছে কলঙ্কের এই বোঝা! টেস্টে এক ওভারে ২৮ রান নিয়ে জিমি এন্ডারসনের উপর এ বোঝা চাপিয়েছেন অজি ব্যাটসম্যান জর্জ বেইলি! সান্তনা হল,তাঁর সাথে এ কলঙ্কের ভাগীদার হিসেবে আছেন দক্ষিণ আফ্রিকার রবিন পিটারসেন-ও!
মজার বিষয় হল,ওয়ানডেতে ৩৫রান দিয়ে ২ নম্বরে আছেন পিটারসেন। হল্যান্ডের ভ্যান বাঙ্গিকে ছয় ছক্কা হাঁকিয়ে তালিকার এক নম্বরে পাঠিয়েছেন পিটারসেনের-ই সতির্থ হার্শেল গিবস! গিবসকে তিনি ধন্যবাদ দিতেই পারেন!
#সর্বাধিক নো বল ও লম্বা ওভারঃ
তালিকায় এক নম্বরে থেকে নিজেকে কলঙ্কিত করেছেন ৪০০'র অধিক উইকেটের মালিক,৯০ দশকের ত্রাস কার্টলি এম্ব্রোস ! ১৯৯৩ সালে পার্থ টেস্টে ৯টি নো বলসহ ওভারটি শেষ করতে বল করেছিলেন ১৫টি! তবে ম্যাচে ৫উইকেট নিয়ে ঠিকই হয়েছিলেন প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ। এমনিতেই কি আর ত্রাস ছিলেন!
ওয়ানডেতে এ কুকর্ম যাঁর একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে তিন সংস্করনেই হ্যাটট্রিক করার গৌরব আছে তাঁর (টি-২০ হ্যাটট্রিক-বিপিএল এ)! ২০০৪ সালে এশিয়া কাপে বাংলাদেশের বিপক্ষে ৭টি ওয়াইড ও ৪টি নো বল সহ ওভার শেষ করেছিলেন ১৭বলে! অথচ তাঁর ইনিংসের প্রথম ওভারটি-ই ছিল উইকেট-মেডেন! পাকিস্তানের মোহাম্মদ সামি পেয়েছিলেন এমন রকমারি স্বাদ!
#উইকেট-শূন্য থেকে সর্বাধিক খরুচেঃ
সময়ের অন্যতম সেরা লেগ-স্পিনার ইমরান তাহিরের কপালে জুটেছে কলঙ্কের এই তিলক! এডিলেড টেস্টে ৩৭ ওভার বল করেও উইকেট-শূন্য থাকতে হয়েছিল তাঁকে। রানও দিয়েছেন ২৬৭! তালিকায় ২নম্বরে থাকা পাকিস্তানের খান মোহাম্মদ ৫৪ ওভারে দিয়েছিলেন ২৫৯!
ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়ার মাইক লুইস ১১৩ রান দিয়ে থেকেছেন উইকেট-শূন্য!
#ধীরগতির শতকঃ
১৯৭৭-৭৮ মৌসুম থেকে আজও এ বোঝা বয়ে বেড়াচ্ছেন পাকিস্তানের মুদাসসর নজর! ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লাহোর টেস্টে ৫৫৭ মিনিট সময় লাগিয়েছিলেন তাঁর শতক তুলতে!
ওয়ানডেতে ১৬৬ বল খেলে শতক পেয়েছেন অজি তারকা ডেভিড বুন। ভারতের বিপক্ষে।
#শততম টেস্টে গোল্ডেন ডাকঃ
ইতিহাসের একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে এ রেকর্ড এলিস্টার কুকের। তাঁর ক্যারিয়ারের শততম টেস্টে দ্বিতিয় ইনিংসে এ দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি। মজার বিষয় হল,এ ম্যাচেই প্রথমবারের গোল্ডেন ডাকের স্বাদ পান কুক! নিয়তি আর কাকে বলে !!!


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


