#এক্সপেরিয়েন্স_শেয়ারিং (২-মে-২০১৫)
সময় বিকাল ৫ টা। শান্ত নদী। সময় বাচাতে বাবা আর আমি উঠে পরলাম স্পীড বোটে। কাওরাকান্দী টু মাওয়া ২০ মিনিটের নদীপথ। সর্বমোট যাত্রী আমরা ২০ জন। স্পীডবোট ছাড়ার একটু পরেই সময় চালক বলল সামনে নদীতে ঢেউ আছে, আপনারা কেউ নড়বেন না। শুনেই বুঝে গেলাম স্পীডবোটে উঠার ডিসিশনটা ভুল ছিল। কিন্তু কিচ্ছু করার নাই। কাওরাকান্দীর ছোট চ্যানেল পার হয়ে বোট মূল বদীতে এসে পড়ল। নদীর ঢেউ দেখে ততক্ষণে বোটের সবাই দোয়া-দুরুদ পড়া শুরু। বিশাল আকারের ঢেউ স্পীডবোটের উপর আছড়ে পড়ছে। বোটের সবাই ভিজে চুপসে গেছি। বোট একবার ঢেউয়ের উওর চড়ে, পড়ক্ষণেই লাফ দিয়ে নিচে নামে। দুই হাত দিয়ে শক্ত করে বোট ধরে আছি। এই নদীতে লঞ্চেও কেউ পার হতে চাইবে না। আমরা ২০ জন যাত্রী বসে আছি একটা পুচকে স্পীড বোট এ !!! যাই হোক ১০/১২ মিনিট পরে অবশেষে ভালভাবে মাওয়া ঘাটে এসে পৌছালাম।সময় বিকাল ৫ টা। শান্ত নদী। সময় বাচাতে বাবা আর আমি উঠে পরলাম স্পীড বোটে। কাওরাকান্দী টু মাওয়া ২০ মিনিটের নদীপথ। সর্বমোট যাত্রী আমরা ২০ জন। স্পীডবোট ছাড়ার একটু পরেই সময় চালক বলল সামনে নদীতে ঢেউ আছে, আপনারা কেউ নড়বেন না। শুনেই বুঝে গেলাম স্পীডবোটে উঠার ডিসিশনটা ভুল ছিল। কিন্তু কিচ্ছু করার নাই। কাওরাকান্দীর ছোট চ্যানেল পার হয়ে বোট মূল বদীতে এসে পড়ল। নদীর ঢেউ দেখে ততক্ষণে বোটের সবাই দোয়া-দুরুদ পড়া শুরু। বিশাল আকারের ঢেউ স্পীডবোটের উপর আছড়ে পড়ছে। বোটের সবাই ভিজে চুপসে গেছি। বোট একবার ঢেউয়ের উওর চড়ে, পড়ক্ষণেই লাফ দিয়ে নিচে নামে। দুই হাত দিয়ে শক্ত করে বোট ধরে আছি। এই নদীতে লঞ্চেও কেউ পার হতে চাইবে না। আমরা ২০ জন যাত্রী বসে আছি একটা পুচকে স্পীড বোট এ !!! যাই হোক ১০/১২ মিনিট পরে অবশেষে ভালভাবে মাওয়া ঘাটে এসে পৌছালাম।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


