আজকের কাহিনী এটা। আমকে কল থেকে বের হয়েই কষ্টের কাহিনীটা বলেছে।
নাম দুটো আসল নয়। কাহিনীটা ৮৫% সত্যি।
আমার পরিচিত এক ছেলে অমিত (ছদ্মনাম) গ্রামীনফোনের কল সেন্টারে অনেকদিন হল চাকরি করে। সঙ্গত কারনেই আসল নাম উল্লেখ করা হলনা।
যেহেতু কল সেন্টার তাই মেয়ের অভাব নেই। কিন্তু সে তেমন কাউ কে পাত্তা দিত না (!) বলে শুনেছি।
কয়েকদিন আগের ঘটনা। নতুন জয়েন করা একটা মেয়ে বন্যা। সে কাকতালীয় ভাবে একবার অমিতের পাশের পিসি তেই বসে। নতুন বলে কিছু কিছু বিষয়ে তাকে কলের মধ্যেই কিছু হেল্প করে অমিত।
মেয়েটা পরপর কয়েক দিন পাশা পাশি বসে ও সাহায্য পায়। ফলে অমিতের মনের পায়েস জমে খীর হতে শুরু করেছে প্রায়।
আজকের ঘটনা (আসলে গতকাল) অমিতের থেকে কিছুটা দূরে মেয়েটি বসে। এমন ভাবে যে বন্যা দারালে অমিতকে বা অমিত দাড়ালে বন্যাকে দেখতে পারবে।
অমিতের বন্যার ঠোঁট দেখে দূর মনে হল রক্ত জবা। এত লাল কেন ভেবে সে কলের মাঝেই একটা এসএমএস দেয় " পান খেয়েছো নাকি"?
মেয়েটা এসএমএস এর জবাবে একটা মিস্টি হাসি দেয়।
একটু পরে অমিত আবার আরেকটা এসএমএস পাঠায়, " Don't do it again."
এবার আর হাসি না, একটা এসএমএস রিপ্লে আসে। "কেন?"
অমিতের মনের পায়েস যেন এবার ডীপ ফ্রীজে জমা হল, না জমে যাবি কই?
এবার সে আরেকটা এসএমএস পাঠায় " আমার কলে সমস্যা হয়"
আর কোন জবাব আসে না। অমিত ভাবল তাহলে গিয়ে একটু কথা বলে আসি।
বন্যাকে জিজ্ঞেস করল "কল শেষে কি ড্রপ নিবা? (ড্রপের ব্যাবস্থা আছে গ্রামীনে,চাইলে নেয়া যায়)
মেয়ে বলল "না"।
অমিত এর মনে যেন ডুগডুগি বেজে উঠলো। আত্মারাম বুঝি খাচা ছাড়া হবে এবার। পায়েস শেষ পর্যন্ত মনে হচ্ছে জমেই গেল।
অমিত আবার বলল" কিভাবে যাবে?
বন্যা সামান্য হেসে জবাব দিল "আমার Husband আসবে"
ফুটো বেলুনের মত সব চুপসে গেল। ডুগডুগি থেমে গেল। আত্তারাম এর কোন অস্তিত্ব অমিত অনুভব করল না। পায়েস কিভাবে যেন একবারে ১০০ ডিগ্রী তে ফুটতে শুরু করল।
এত ফোটা ফুটির মাঝেই অমিত মুখে হাসি ধরে রাখতে চেষ্টা করে বলল" ও" ।
আর দাঁড়ালো না ওখানে অমিত। নিজের স্থানে ফিরে আসলো।
অমিতকে বলছি, বাবা আর যেখানে সেখানে পায়েস জমাতে যাস না। আগে জেনে নে ওটা ফ্রীজ নাকি ওভেন।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ২:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



