ইসরাইলি পণ্য কেন বর্জন করবেন ??
১. বর্তমান বিশ্বের একটি দেশের বড় বড় শিল্প-অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করবার মাধ্যমে সেই দেশের অর্থনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব, আর অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করা মানে হইলো "ছাম্মাক ছাল্লে" (দেশের মোড়ল) ।
এটা স্পষ্ট যে, আমেরিকার বাজার নিয়ন্ত্রণ করে ইহুদি, আর দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির বিশাল নিয়ন্ত্রক হবার কারণে বদ্ধ-দরজার ওপারের নীতিনির্ধারকও ওরাই। গণতান্ত্রিক নেতা পরিবর্তিত হলেও আমেরিকার পররাষ্ট্র নীতি "পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করে" তা অপরিবর্তিত রাখাই এই নীতিনির্ধারক ইহুদিদের কাজ বিধায় বলা হয়ে থাকে "আমেরিকা তার পররাষ্ট্র নীতি পরিবর্তন করেনা !!!"
২. ইহুদি এই ট্যাক্স প্রদানকারীদের প্রদানকৃত অর্থতেই যেমনটা আমেরিকা চলছে /আমেরিকা যুদ্ধ করে বেড়াচ্ছে, অনুরূপভাবে ইসরাইলকে সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে সাহায্য দিতে বাধ্য হচ্ছে।
জানেন তো ?? : - ইসরাইল সামরিক শক্তিতে বিশ্বের ১০ টি দেশের একটি !!! (লিঙ্ক মন্তব্যে)
৩. বিশ্বের বাঘা বাঘা আন্তর্জাতিক মিডিয়াগুলোও ইহুদিদের কব্জায়। মাত্র ৭ টি মিডিয়া আমেরিকার মিডিয়া জগতকে নিয়ন্ত্রণ করবার সাথে সাথে বিশ্বের মিডিয়াকে প্রভাবিত করছে দারুনভাবে (লিঙ্ক মন্তব্যে) । আর এই মিডিয়ার বেড়াজালে আমাদের "দ্বীন নাই টিয়া নাই, নাইরে দুনিয়ার ফানি" টাইপ মুসলিম সহ বাকিরা সহজেই পা দিয়ে বিকৃত করছে সত্যকে।
মনে রাইখেন : - ইহুদিরা চালাকের জাতি ধান্দাবাজ, বিশ্বের সুদী কারবারের হোতা, এইসকল মিডিয়াগুলোর মাধ্যমে তারা অপরকে বোকা বানিয়ে মিথ্যাকে প্রতিষ্ঠিত করে শুধু নিজেদের এজেন্ডাগুলোই বাস্তবায়ন করছে। যারা এদের বোকা ভাবে , তারা গৃহবাসী !!
তাই, দুরে থেকে যখন কিছুই করতে পারছেন না , তখন তিনটি কাজ আমরা সহজেই করে আমাদের ঘৃনা প্রকাশ করতে পারি : -
ক. পণ্য বর্জন করা যা তাদের সামগ্রিক শক্তি /অর্থনীতির চালিকা (শত্রুর পণ্য বর্জন করা ইসলামে বৈধ একটি কাজ)
খ. তাদের বিরুদ্ধে স্ব-অবস্থানে থেকে ধীক্কার জানানো
ঘ. অসহায় ফিলিস্তিনিদের অর্থনৈতিকভাবে সাহায্য করা
যদি কেও আপনাকে প্রশ্ন করে : - "ফেইসবুক তো ইহুদি পণ্য, এইডা ছাড়েন না কেন ??
উত্তর :- মানলাম , তাইতো তাদের বানানো অস্ত্র দিয়ে তাদের বিরুদ্ধেই জনমত তৈরী/শক্তি অর্জন করতে হবে, সময় নষ্ট করার টাইম নাইরে বাহে !!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




