র্যাম্বো খ্যাত নায়ক সিলভার ষ্ট্যালন অভিনীত ছবি ‘ডেমোলিশন ম্যান’ মুভিতে বাচ্চা, ধুমপান এবং সেক্স নিয়ে একটি শিহরন ছড়ানো পুরোনো নিয়মে জীবনচারন দেখানো হয়েছে। সেখানে দর্শকদের বোঝাতে চেষ্টা করা হয়েছে যে, এসব পুরোনো ধাঁচের সামাজিক শারিরীক সম্পর্ক নিয়েই জীবন। কিন্তু এ নিয়ে বিজ্ঞানীদের আগামী ২০৩২ সালের চিন্তা কিন্তু অন্যরকম। সেখানে নারী-পুরুষের শারিরীক মেলামেশা তো দুরের কথা, সেক্সের আনন্দে এমনকি চুমুরও পর্যন্ত প্রয়োজন হবেনা।
কারণ, তাঁরা এমন একটি বিশেষায়িত পোশাকের আবিষ্কার করতে যাচ্ছেন যেটি মিলনকালে নারী-পুরুষের সকল স্নায়বিক ক্রিয়া প্রতিক্রিয়ার সবই রেকর্ড করে রাখা হবে। আর সেটি সময়মতো পরিধান করলেই আপনি পেয়ে যাবেন মিলনের চরম তৃপ্তি! বিনয় মুখোপাধ্যায় (ছদœনাম যাযাবর) এর লিখা ‘দৃষ্টিপাত’ বইয়ে একটি উদ্ধৃতি আছে, “বিজ্ঞান মানুষকে দিয়ে বেগ, কেড়ে নিয়েছে আবেগ। সেখানে আছে গতির আনন্দ নেই যতি (চোখ)র আয়েশ।”
সত্যিই, আজকের ব্যাস্ত এই বিজ্ঞানের যুগে যেখানে মানুষের যতির আয়েস মেলা ভার সেখানে অযথা বিয়েথা করে সংসারধর্ম পালনের সুযোগ কোথায়? মিলনের তৃপ্তিও কোনওমতে পার করতে পারলেই যেন বাঁচে। একেবারে হাত-পা ঝারা হওয়া যায়। ডেমোলিশন ম্যান এর কো-ষ্টার স্যান্ড্রা বুলক বলেছেন ভবিষ্যতের মানুষ ‘ভিআর’ যুক্ত একটি হেলমেট পরিধান করবে আর সেক্স নিয়ে কেবল ভাববে। ভবিষ্যত নিয়ে ভাবেন এমনি একজন ইয়ান পিয়ারসন জানান,
ভবিষ্যতে আমরা চরম পরিতৃপ্তি (অর্গাজম) এর একটি মেশিন বানাতে যাচ্ছি যেটি শারিরীক মিলনের সময়কালে যৌনানুভুতিকে সম্পুর্ণ আলাদা করে ফেলতে পারবে এবং তা একটি মেমোরীতে সংরক্ষন করবে। হলিউডের রিলিজকৃত বার্বারেলা, ডেমোলিশন ম্যান এবং সিøপার ছবিতে এরই একটি ডেমো দেখানো হয়েছে মাত্র।
জনাব ইয়ান আরও বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যেই আমরা মানুষের শরীরে এক ধরনের ইলেক্ট্রনিক সার্কিট বসাতে সক্ষম হব যেটি যৌনমিলনকালে আমাদের নার্ভাস সিষ্টেমের ক্রিয়া প্রতিক্রিয়ার যাবতীয় তথ্য-অভিজ্ঞাতা পরবর্তী সময় ব্যবহারের জন্যে সংরক্ষন করে রাখবে। ঠিক একেবারে যেন কম্পিউটার কি’বোর্ডের শর্টকার্ট কন্ট্রোল+শিফ্ট+ও (অর্গাজম) এর মত।
আলোচিত ব্লগ
যু্ক্তিসংগত ব্যাখ্যা চাই-১

আমরা সবাই জানি ইসলাম ধর্মে, আত্মহত্যাকারীর পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। সহীহ বুখারীতে এসেছে, আল্লাহ তা'আলা বলেন, "আমার বান্দা নিজের জীবনের ব্যাপারে আমার আগেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে, তাই আমি তার ওপর... ...বাকিটুকু পড়ুন
মোল্লাতন্ত্র ধর্ষণ-হত্যা ও নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধের সমাধান নয়, বরং তা বৃদ্ধির একটি কারণ

সাত বছর বয়সের ছোট্ট শিশু রামিসাকে ধর্ষণ করে গলা কেটে হত্যার ঘটনার সমাধান হিসেবে, মোল্লাতন্ত্রের মুখপাত্র আহমাদুল্লাহ হুজুর পুরাতন এক ফতোয়া নিয়ে হাজির হয়েছেন। এইসব নৃশঃসতার মাত্রা কমিয়ে আনার একমাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন
বেজন্মা

হু বেজন্মা কথা শুনার পর
আমি বিরক্ত মনে করতাম
কিন্তু বেজন্মা কথাটা সত্যই
স্রোতের মতো প্রমান হচ্ছে-
খুন ধর্ষণ করার পশুত্বকে
বলে ওঠে বেজন্মা ক্যান্সার;
ক্যান্সারের শেষপরিণতি মৃত্যু
তেমনী বেজন্মার হোক মৃত্যু-
চাই না এই বেজন্মাদের বাসস্থান
আসুন রুখে... ...বাকিটুকু পড়ুন
ভালো থাকো ছোট্ট মা এই অনিরাপদ শহরে

মাঝে মাঝেই মনে হয়, পৃথিবীতে আমি যদি সত্যি কাউকে নিঃশর্ত ভালোবেসে থাকি, তবে সে আমার মেয়ে।
ওকে প্রথমবার কোলে নেয়ার দিনটার কথা আমাকে আবেগ প্রবণ করে তোলে ছোট্ট একটা উষ্ণ... ...বাকিটুকু পড়ুন
রাষ্ট্র কেন রামিসাদের রক্ষা করতে ব্যর্থ?

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় কাঠামো, আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা এবং সামগ্রিক নাগরিক নিরাপত্তা নিয়ে যে গভীর ও দমবন্ধ করা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তা কোনো কাল্পনিক ভীতি বা বিচ্ছিন্ন অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।