আমরা জানি ,যে বেশি কথা বলে তাকে বলা হয় বাচাল। তবে এ নিয়ে আমার একটা সংশয় রয়েছে , কেউ যদি কাজের কথা বেশি বলে তাকেও কি বাচাল বলা হয় ? তবে আমরা কাজের কথা বেশি বলতে পারি না। বেশি কথা বললে তাতে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা যেমন বেশি, মানুষের কাছে আপনার কথার গ্রহনযোগ্যতাও লোপ পাবে। তাই অকাজের বা কাজের অথবা অর্থহীন বা অর্থপূর্ণ যে ধরণের কথাই আপনি বলুন তা যেন আপনার আশেপাশের লোকদের ধৈয্যের বাঁধ না ভাঙ্গে । অর্থপূর্ণ কথা সাধারণত সংক্ষিপ্ত ও যথাযথ হয়ে থাকে, অর্থপূর্ণ বাক্য বেশি বড় না হওয়াই বাঞ্চনীয়। আমরা যদি একশত বাক্য বলি তার মধ্যে কতটি বাক্য কাজের কতটি অকাজের এবং কতটি একেবারেই অর্থহীন সে গুলোর পরিসংখ্যান আমরা নিজ দায়িত্বে করতে পারলেই ভালো হয়। নিশ্চই পরিসংখ্যান শেষে কাজের কথার সংখ্যা খুবই কম হবে আর এরকমটি হওয়াই স্বাভাবিক। আপনি যদি বেশি কথা বলেন আর এর বেশিরভাগই যদি কাজের কথা হয়ে থাকে তাহলে যদি আপনাকে কেউ বাচাল বলে তাহলে অবশ্যই আপনার মনুক্ষুন্য হবে। তবে আপনি কষ্ট পেয়ে যদি কথা বন্ধ করে দেন তাহলে আমরা আপনার সুবাক্য থেকে বঞ্চিত হব। কারণ আপনার মত লোক পাওয়া আমাদের দেশে কম দুঃসাধ্য নয়। তবে একেবারে মুক্তভাবে কাজের কথা না বলাই ভালো, তা হলে আপনার সুবাক্যগুলো অবমূল্যায়িত হতে পারে। বক্তার কথা এবং লেখকের লেখা সংক্ষিপ্ত ও যথাযথ হওয়াই বাঞ্চনীয়। ইংরজীতে যেটাকে বলে "aphorism". You may have heard the name of a famous writer "Francis Bacon". His writing style was aphorism. He was greatly appreciated for his writing.
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


