আজ বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে জমকালো আয়োজনের মাধ্যমে পর্দা উঠল ১১তম এস এ গেমস এর। বিশাল আয়োজনের এক জমকালো মুহূর্ত ছিল সমাপনী অনুষ্ঠান। কত সুন্দর ভাবে যে বাংলাদেশের ঐতিহ্য ,সংস্কৃতি এবং জাতীয়তার চিত্র তুলে হয়েছে তা নিজ চোখে না দেখলে বিশ্বাস করাটা সত্যিই মুশকিল। আতশ বাজির এক অপরূপ সমাহার ছিল অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে প্রত্যক্ষদর্শীরা ছাড়াও আশে পাশের লোকজনও কিছুটা উপভোগ করেছে দূর থেকে। শব্দে স্থম্বিত হয়ে গিয়েছিল পুরো এলাকা। প্রচন্ড শব্দে ফেটে যাওয়া আতশ বাজির আওয়াজে আশে পাশের অনেকে উৎকন্টা হয়ে পড়েছিল তবে অল্প কিছুক্ষনের মধ্যেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘক্ষন স্থায়ী ছিল আতশ বাজির মহড়া।
সমাপনী অনুষ্ঠান ভীষন জমকালো হওয়াটা অস্বাভাবিকের কিছু নয় কারণ এস এ গেমসে বাংলাদেশের সাফল্য একে বারে কম নয়। এস এ গেমস শুরু হওয়ার আগে বাংলাদেশের টার্গেট ছিল ১৭টি স্বর্ণ যেখানে বাংলাদেশ ২০টি স্বর্ণ অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। বলা যায় ৩টি স্বর্ণ স্বাগতিকদের জন্য বোনাস প্রাপ্তি। বাংলাদেশের লক্ষ্য এবং প্রাপ্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে বুঝা যায় যে আমাদের আত্মবিশ্বাসের অভাব ছিল। পদতালিকায় বাংলাদেশ দ্বিতীয় স্থানে পাকিস্তানকে পিছনে ফেলে শীর্ষে বরাবরের মত ভারত। সমাপনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশের সফলতার উদযাপন হয়েছে বটে। বাংলাদেশের সাফল্য মোটামোটি সব ইভেন্টই ছিল বলা যায় সাঁতারের ইভেন্টটি ব্যতীত। এটিতে বেশি সুবিধা করতে পারেনি স্বাগতিকরা। যাইহোক, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সাফল্য অর্জিত হয়েছে ক্রিকেটে এবং ফুটবলে। এই জনপ্রিয় দুটি খেলায়ই বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে একেবারে দাপটের সাথে। এবারের এস এ গেমস এ প্রথমবারের মত যুক্ত হয়েছে ক্রিকেট বাংলাদেশই প্রথম চ্যাম্পিয়ন আবার ক্রিকেট বলে কথা । আরেকটি আনন্দের বিষয় হল যে এবারের এস এ গেমসের ফুটবলে বিপক্ষ দলের একটি গোলও হজম করতে হয়নি চ্যাম্পিয়নদের ।
কারাতোতে বাংলাদেশের সাফল্য ছিল আকাশ ছোঁয়া শুধু এই ইভেন্টটি থেকেই এসেছে ৪টি স্বর্ণ । এস এ গেমস চলাকালীন সময়ে যখনই শুনেছি বাংলাদেশ স্বর্ণ পেয়েছে একজন বাংলাদেশী হিসেবে আমার বুক গর্বে ভরে গিয়েছিল ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


