এখন প্রশ্ন হইল রাষ্ট্রপতির লুকোচুরি সমাচার অবগত হওয়ার সাপেক্ষে আপনার মতে কি কি লাভ হইয়াছে?
উত্তরঃ
[ উত্তরদাতার পরিচয়ঃ এমন এক ব্যক্তি যার চোখে প্রত্রিকার প্রথম পাতায় নিত্যদিন চোখে পড়ে রাষ্ট্রপতি র শারীরিক অবস্থা নিয়ে বিতর্ক বিষয়ক লেখাগুলো। তিনি প্রতিদিনউ একই খবরের ভাবলেশহীন কথার প্যাচগুলো পড়েন এবং বহু কষ্টে ও 2+2=5 কেমনে হয় বুঝতে পারেননা।]
আজ আর আমি স্টুডেন্ট নই । কিন্তু ছিলাম একদিন। আজ চাইলেও মনে করতে পারবনা সেই ছাত্র দিনে কত কত পরীক্ষার হলে বসে কত খাতায় কত কিছু লিখেছি এই মন প্রাণ আর আধা কেজো মাথা খাটিয়ে। মনে পড়ে তবুও সে সেব খাতায় মাঝে মাঝে মতামত মূলক অনেক প্রশ্নে সাধ মিটিেিয় লেখার ধারণা টুকু। লালসালু নামক এক উপন্যাস ছিল কোন এক ক্লাশে , সেখানের দূর্দান্ত ভিলেন মজিদ এর চরিক্র বিশ্লেষণ করতে বলা হয়েছিল এক প্রশ্নে, পরীক্ষার হলে বনে আমার কেন জান মজিদ কে ভীষণ সাহসি দূর্বার , আত্মপ্রেমিক মনে হইল, মজিদ কে আমি ভিলেন হইতে নামাইয়া সেসব বিশেষণ মালা পড়িয়ে দিলাম। এই দেখেন কি উত্তর দিতে গিয়ে কি বলা শুরু করেছি। এই কারনেই তো সব প্রশ্ন খাতায় উত্তর হইয়া দাফন হতোনা আমার পরীক্ষায়। বেশী কথা বলিলে আবার সাধু চলিত মিঙ্ড হইয়া যায়। গেছে এতক্ষণে মনে হইতেছে কিছু। ঠিক করে পড়বেনআশা করি।
প্রশ্নে বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী দেশ টিকে কেন অপরূপ দেশ বলা হলো সেটা নিয়ে আমি প্রশ্নকারীকে প্রশ্ন করিতে চাই । যদি তিনি অপ শব্দটা কে উহার অন্যত্র ব্যবহার বিধি অনুযায়ী নেগেটিভ অর্থে ব্যবহার করে থাকেন তবে মনে হয় মিল খাইতে পারে। যেমন অপকৃষ্টি, অপসংস্কার, অপচিকির্ষু।
সে যা হোক বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী একটি অপরূপ দেশে তাহার সংসদীয় সরকারের পুতুল রাষ্ট্রপতি বেশ টক অফদা কান্ট্রি হইয়া আছেন। উহা রাষ্টপ্রতির জন্য নিশ্চয় বড় প্রাপ্তি। এ দৃষ্টিকোণ মাথায় রেখে আমি পয়েন্টআকাওে নিচে কিছু লাভ উল্লখ করতে সাধ প্রকাশ করছিঃ
1। রাষ্ট্রপতি সাহেব এর টুকিটাকি খবর নিয়ে সাংবাদিকরা গবেষণা করিতেছেন নিত্য , যাহা উনি পুতুল কর্মে নিয়োজিত সময়ে সজীব শাসকদের খবরের আড়ালে বিসু্তুত সম্ভব ছিলনা।
2। প্রত্রিকাগুলোর প্রথম পাতায় এবং ভেতরের পাতায় অন্তত দুকলাম জুড়ে লেখার মতো বেশ একটা টপিকস পাওয়া গেছে।
3। প্রধার মন্ত্রী সাহেবা নিজে রাষ্ট্রপতি হয়ে আর ও অনেকদিন সরকারে যুক্ত থাকার এক বিশেষ অসম্পূর্ণ সিদ্ধান্তের বাস্তব রূপ দেয়ার সম্ভাবনা জাগিয়ে রাথা সম্ভব হচ্ছে।
4। রাষ্ট্রপতি সাহেব কে বিশ্রামে দিয়ে নতুন একজন কে পুতুল চরিত্রে রূপদান সেখানো সম্ভব হচ্ছে।
5। রাষ্ট্রপতি সাহেব আগে দুবেলা হাটতেন। এখন পনেরবার হাটতে পারছেন দিনে।
6। রাষ্ট্রপতি সাহেব এর সিংগাপুরের চিিিকৎসক বলেছেন তিনি রাষ্ট্রপতির কর্ম পরিচালনার মতো সুস্থ কিন্তু দেশের মোসাহেব চিকিৎসকরা বলছেন উল্টো। উহাতে বিদেশের ডাক্তার দের মিথ্যা বাদী প্রতিয়মান করে তাদের প্রতি জনগন এর আস্থাভাজন মনোভাব নষ্ট করে দেশর ডাক্তারদের পসার এর উন্নতি ঘটানো সম্ভব হইতে পারে।
7। অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি বা ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি এই সব বিতর্ক নিয়ে জ্ঞানীদের ও বিশেষঅজ্ঞদের তর্কের মাধমে দেশ ও জাতি সংবাধানের কিছু ধারা শিখল। এও বুঝল পক্ষে বিপক্ষ রু পাশেই
বেশ যুতি্ক আছে। আসলে জ্ঞানেিদও কমতি নেই , তাই যে দল ই ক্ষমতায় থাকুকনা কেন। ভাল লক্ষণ(!!!)
8। তর্ক আর কথা পাগল জাতিকে তর্কেও এমন এক বিষয় দান করে সরকার বেশ সু শাসকের কাজ করেছে ।এটাও লাভ।
9। রাষ্ট্রপতি সাহেব জীবনে অনেক সিগনেচার করতে চেয়েছিলেন। আর যতি পুরণ না হয় তাই এই অবসওে বসে ইচ্ছামত প্রাকটিস করার নামে পূরণ করে নিচ্ছেন।
10। আমার মত অর্বাচীন মানুষ ও কিছু লিখতে পারার মত টপিকস খুঁজে পেয়েছে এর মাধ্যমে।
আর ও পয়েন্ট খুঁজলে বা ভাবিলে পাওয়া যউবে হয়তো। সময় কম এবং মার্কস বিহীন প্রশ্ন দেখে আর বাড়াইলামনা। নিজের খেয়ে কেই বনের মোষ তাড়ানোর ইচ্ছে পোষন করলে বাড়াইতে পারেন।
রাত 2:00[06/07/06]
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।
একটি প্রশ্ন ও উহার উত্তর পত্র




