somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটি প্রশ্ন ও উহার উত্তর পত্র

০৫ ই জুলাই, ২০০৬ বিকাল ৪:০৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রশ্নঃ বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী একটি অপরূপ দেশ (!) এ রাষ্ট্রপতি সমাচার নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলিতেছে কারণ রাষ্ট্রপতি লুকোচুরি খেলায় অংশগ্রহন করিয়াছেন জ্ঞাতে অথবা অজ্ঞাতে , ( প্রশ্নের আগে ভূমিকা বেশী হইয়া গেল , আসলে ্ও দেশে তাই ই ঘটিয়া থাকে),
এখন প্রশ্ন হইল রাষ্ট্রপতির লুকোচুরি সমাচার অবগত হওয়ার সাপেক্ষে আপনার মতে কি কি লাভ হইয়াছে?

উত্তরঃ
[ উত্তরদাতার পরিচয়ঃ এমন এক ব্যক্তি যার চোখে প্রত্রিকার প্রথম পাতায় নিত্যদিন চোখে পড়ে রাষ্ট্রপতি র শারীরিক অবস্থা নিয়ে বিতর্ক বিষয়ক লেখাগুলো। তিনি প্রতিদিনউ একই খবরের ভাবলেশহীন কথার প্যাচগুলো পড়েন এবং বহু কষ্টে ও 2+2=5 কেমনে হয় বুঝতে পারেননা।]

আজ আর আমি স্টুডেন্ট নই । কিন্তু ছিলাম একদিন। আজ চাইলেও মনে করতে পারবনা সেই ছাত্র দিনে কত কত পরীক্ষার হলে বসে কত খাতায় কত কিছু লিখেছি এই মন প্রাণ আর আধা কেজো মাথা খাটিয়ে। মনে পড়ে তবুও সে সেব খাতায় মাঝে মাঝে মতামত মূলক অনেক প্রশ্নে সাধ মিটিেিয় লেখার ধারণা টুকু। লালসালু নামক এক উপন্যাস ছিল কোন এক ক্লাশে , সেখানের দূর্দান্ত ভিলেন মজিদ এর চরিক্র বিশ্লেষণ করতে বলা হয়েছিল এক প্রশ্নে, পরীক্ষার হলে বনে আমার কেন জান মজিদ কে ভীষণ সাহসি দূর্বার , আত্মপ্রেমিক মনে হইল, মজিদ কে আমি ভিলেন হইতে নামাইয়া সেসব বিশেষণ মালা পড়িয়ে দিলাম। এই দেখেন কি উত্তর দিতে গিয়ে কি বলা শুরু করেছি। এই কারনেই তো সব প্রশ্ন খাতায় উত্তর হইয়া দাফন হতোনা আমার পরীক্ষায়। বেশী কথা বলিলে আবার সাধু চলিত মিঙ্ড হইয়া যায়। গেছে এতক্ষণে মনে হইতেছে কিছু। ঠিক করে পড়বেনআশা করি।


প্রশ্নে বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী দেশ টিকে কেন অপরূপ দেশ বলা হলো সেটা নিয়ে আমি প্রশ্নকারীকে প্রশ্ন করিতে চাই । যদি তিনি অপ শব্দটা কে উহার অন্যত্র ব্যবহার বিধি অনুযায়ী নেগেটিভ অর্থে ব্যবহার করে থাকেন তবে মনে হয় মিল খাইতে পারে। যেমন অপকৃষ্টি, অপসংস্কার, অপচিকির্ষু।
সে যা হোক বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী একটি অপরূপ দেশে তাহার সংসদীয় সরকারের পুতুল রাষ্ট্রপতি বেশ টক অফদা কান্ট্রি হইয়া আছেন। উহা রাষ্টপ্রতির জন্য নিশ্চয় বড় প্রাপ্তি। এ দৃষ্টিকোণ মাথায় রেখে আমি পয়েন্টআকাওে নিচে কিছু লাভ উল্লখ করতে সাধ প্রকাশ করছিঃ

1। রাষ্ট্রপতি সাহেব এর টুকিটাকি খবর নিয়ে সাংবাদিকরা গবেষণা করিতেছেন নিত্য , যাহা উনি পুতুল কর্মে নিয়োজিত সময়ে সজীব শাসকদের খবরের আড়ালে বিসু্তুত সম্ভব ছিলনা।

2। প্রত্রিকাগুলোর প্রথম পাতায় এবং ভেতরের পাতায় অন্তত দুকলাম জুড়ে লেখার মতো বেশ একটা টপিকস পাওয়া গেছে।

3। প্রধার মন্ত্রী সাহেবা নিজে রাষ্ট্রপতি হয়ে আর ও অনেকদিন সরকারে যুক্ত থাকার এক বিশেষ অসম্পূর্ণ সিদ্ধান্তের বাস্তব রূপ দেয়ার সম্ভাবনা জাগিয়ে রাথা সম্ভব হচ্ছে।

4। রাষ্ট্রপতি সাহেব কে বিশ্রামে দিয়ে নতুন একজন কে পুতুল চরিত্রে রূপদান সেখানো সম্ভব হচ্ছে।

5। রাষ্ট্রপতি সাহেব আগে দুবেলা হাটতেন। এখন পনেরবার হাটতে পারছেন দিনে।

6। রাষ্ট্রপতি সাহেব এর সিংগাপুরের চিিিকৎসক বলেছেন তিনি রাষ্ট্রপতির কর্ম পরিচালনার মতো সুস্থ কিন্তু দেশের মোসাহেব চিকিৎসকরা বলছেন উল্টো। উহাতে বিদেশের ডাক্তার দের মিথ্যা বাদী প্রতিয়মান করে তাদের প্রতি জনগন এর আস্থাভাজন মনোভাব নষ্ট করে দেশর ডাক্তারদের পসার এর উন্নতি ঘটানো সম্ভব হইতে পারে।

7। অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি বা ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি এই সব বিতর্ক নিয়ে জ্ঞানীদের ও বিশেষঅজ্ঞদের তর্কের মাধমে দেশ ও জাতি সংবাধানের কিছু ধারা শিখল। এও বুঝল পক্ষে বিপক্ষ রু পাশেই
বেশ যুতি্ক আছে। আসলে জ্ঞানেিদও কমতি নেই , তাই যে দল ই ক্ষমতায় থাকুকনা কেন। ভাল লক্ষণ(!!!)

8। তর্ক আর কথা পাগল জাতিকে তর্কেও এমন এক বিষয় দান করে সরকার বেশ সু শাসকের কাজ করেছে ।এটাও লাভ।

9। রাষ্ট্রপতি সাহেব জীবনে অনেক সিগনেচার করতে চেয়েছিলেন। আর যতি পুরণ না হয় তাই এই অবসওে বসে ইচ্ছামত প্রাকটিস করার নামে পূরণ করে নিচ্ছেন।

10। আমার মত অর্বাচীন মানুষ ও কিছু লিখতে পারার মত টপিকস খুঁজে পেয়েছে এর মাধ্যমে।

আর ও পয়েন্ট খুঁজলে বা ভাবিলে পাওয়া যউবে হয়তো। সময় কম এবং মার্কস বিহীন প্রশ্ন দেখে আর বাড়াইলামনা। নিজের খেয়ে কেই বনের মোষ তাড়ানোর ইচ্ছে পোষন করলে বাড়াইতে পারেন।

রাত 2:00[06/07/06]
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গল্প - অভাগীর সুর ব্যঞ্জনা – পর্ব ১ -

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:০৮


শহরটা রাতে কখনও পুরো ঘুমোয় না। কেউ প্রেমে জাগে, কেউ স্বপ্নে, কেউ অপরাধবোধে।আর কেউ কেউ জেগে থাকে অভাবে। তিনতলার ছোট্ট ভাড়া-বাড়িটির জানালার পাশে বসে শিরীন হারমোনিয়ামের রিডে আঙুল রাখল।

বাইরে তখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিল সিমন্স একটি নাম একটি ইতিহাস

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:১৮



"ফিল সিমন্স একটি নাম একটি ইতিহাস"

একটা সময় ছিল, যখন বাংলাদেশ ক্রিকেটে "কোচ" শব্দটা মানেই ছিল ঝড়!

রাসেল ডোমিঙ্গো, হাথুরুসিংহে-
Phil Simmons (2024–present)
Chandika Hathurusingha (2014–2017, 2023–2024)
Russell Domingo (2019–2022)
Steve Rhodes... ...বাকিটুকু পড়ুন

জন্মদিনে তাহাদের জন্য শুভকামনা। আমার জন্মদিনের স্মৃতি...

লিখেছেন করুণাধারা, ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৫৬



একেকটা জন্মদিন পার করা মানে জীবন বইয়ের একেকটা পৃষ্ঠা পড়ে ফেলা, কয়েক বছর পরপর সেই বইয়ের একেক অধ্যায় শেষ হয়! বইটা ট্রাজেডি না কমেডি, একেবারে শেষ পর্যন্ত না পৌঁছালে তা... ...বাকিটুকু পড়ুন

চুপ - একদম চুপ

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৭



আমরা শুধু চুপ থাকবো -
আমাদের কথা বলার মুখ নেই
আমাদের দেখার মতো চোখ নেই
আমাদের শোনার মতো কান নেই
মনে হয়, মনে হয় -
আমাদের হাত-পাও নেই।

আমাদের বিবেক নেই
আমাদের চিন্তা-চেতনাও নেই
আমরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

হিজিবিজি নদী চলে মন উদাসের দেশে !

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:০২





হিজিবিজি নদী চলে মন উদাসের দেশে !

...................................................................
মানচিত্রের আঁকাবাঁকা রেখায় তারে পাবেনা,
সে নদী তো চেনা কোনো ঠিকানায় যাবে না।
তার কোনো কূল নেই, নেই কোনো ঘাট,
সে বয়ে চলে একা, বুক জুড়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×