লিংকের পোষ্ট টা দেবার পরে ওটারই উদ্বোধন অনুষ্ঠানে গিয়ে হাজির হবো পড়ন্ত সকালের তপ্ত রোদে কঙ্বাজার হতে 78 কিমি পাড়ি দিয়ে, ভাবিইনি। কিন্তু হাজির হয়েছিলাম ।
স্টেজের সামনে পৌঁছাতে পৌঁছাতে দেখলাম হন্টন শুরু হলো সবে মাত্র। পেছন থেকে তুলে নিলাম দুএকটা ছবি। বিশাল এক পতাকা নিয়ে ছুটেছে ' জাগো বাংলাদেশ, ওয়াকাথন' এর পার্টিসিপেন্টরা। বালু উড়ছে বাতাসে। চ্যানেল আইএর ফারজানা ব্রাউনিয়া আকর্ষনীয় সাজে ক্যামেরায় পোজ দিচ্ছে আর এলাকার হাজার খানেক লোক হা করে তাকিয়ে আছে।
চারদিকে ভীষন হৈ চৈ। মাননীয় উপদেষ্টা কে ফিরে আসতে দেখলাম 500 হন্টকের হাঁটাথন থেকে। মাথায় ধরে আছে একজন ছাতা। বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট সেলিব্রেটিকে দেখলাম বেশ ব্যাস্ত। তাদের মধ্যে আছে আফজাল , সাচ্চু আর সুদর্শন দাড়িওয়ালা আসাদুজ্জামন নূর।
অনেকের মাঝে আলাদা ব্যঞ্জনা নিয়ে স্টেজের দিকে এগিয়ে আতে দেখলাম গ্রামীন ফোনের রুবাবা দৌলা মতিন কে। সাদা বালুর উপর দিয়ে ধবধবে সাদ পোষাকে তার সৌন্দর্য আকৃষ্ট করছিল পায় সবারই চোখ।
এলাহী আয়োজন । পাশের হ্যালি প্যাডে দাঁড়ানো দু দুটো হেলিকপ্টার। দেশ গরীব হতে পারে , তাতে কি, এমন এক জাকজমকপূর্ণ হাঁটার আয়োজন দেশের জন্য গৌরবের । ওমন কথাই বলছিল বক্তারা।
জানলাম পাঁচ কিমি পর পর হন্টকদের জন্যে রয়েছে ড্রিংকস আর স্ন্যকস এর ব্যবস্থা। মনে আবার শঙ্কা সমুদ্র পরিবেশ এর কোন বিপর্যয় ঘটবে নাতো আবর্জনায়?
ভাবতে ভাবতে প্রচন্ড রোদ জ্বালাচ্ছিল বেশ। গ্রামীন ফোনের ভাড়া করা হেলিকপ্টার টা উড়াল দিতেই আমরা( আমি এবং সাথে গ্রামীন ফোনের কঙ্বাজারস্থ কজন বন্ধু) টেকনাফ সী বীচ ত্যাগ করলাম।
হোল ডে ভ্রমনের প্রাথমিক পর্ব শেষ হলো ওখানেই। এবার মূল ভ্রমন শুর হলো আমাদের । প্রথম পর্যায়ে উঠলাম গিয়ে দমদমিয়া সাফারি পার্কের পাহাড়ে....
সে ভ্রমনের বর্ননা নিয়ে নতুন পোষ্ট দেব শীঘ্রই।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে মার্চ, ২০০৭ বিকাল ৩:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



