আমার প্রথম ব্লগ। প্রায় এক মাস পর আমাকে লেখার অনুমতি দেয়া হয়েছে
এবার এসএসসি দিলাম। আল্লাহর রহমতে গোল্ডেন এ+ ও পেয়েছি। কিন্তু কিছু কথা আছে, ভাবছেন এ+ পাইছি এত প্যাঁচাল করার কি আছে নতুন করে!!!
কিন্তু আমি আজ যে বিষয় নিয়ে লিখতে চাই তা কারো মনে কষ্ট দেয়ার জন্য না, বরং বাস্তবতার সাথে নতুন করে যোগসূত্র ঘটানোর জন্য।
রেসাল্ট এর দিন সকালে আমার আব্বাজনের এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু ফোন করে জানালো, আমি গোল্ডেন পেয়েছি। আচানক ব্যাপার!!! আমি গেছিলাম প্রাইভেট পড়তে আর বাপ দিলো ফোন। আমি পড়ব নাকি নাচবো!!! কাউকে বলতেও পারছিলাম না কারন বললে আবার জ্বালানো শুরু করবে তাদের টাও দেখার জন্য। তবুও আমার ২ ঘনিষ্ঠ বন্ধু কে জানালাম। আমরা অবশ্য পরীক্ষা দেয়ার পরই মোটামুটি sure ছিলাম যে ইনশাল্লাহ গোল্ডেন...
যাহা হোক, এবারের রেসাল্ট নিয়ে আমি ব্যাপক ছিন্তায় আছি
এ+ ১,৪০,০০০+ !!!!! গতবারের চেয়ে ৫০০০০ বেশি। আমার এক বড় ভাই দিলো ২০০৮ সালে। সিডর এর সময়। তিনি বললেন ধুমায়া এ+ পাইছে। জিজ্ঞেস করলাম কত পাইছিল??? বলে ৫০০০০ ...
হেহে!!!! ৫০০০০ তো এখন গরু ও পায়।
কথা হল কলেজ ভর্তি নিয়ে। মেসেজ পাঠালাম ঢাকার ৮টা কলেজ এ (যেহেতু আমি ঢাকায় থাকি)। তাও চিন্তায় আছি গোল্ডেন পেয়েও!!!!
ব্যাপার হল, আমার স্কুল থেকে এবার মাত্র ৩০জন এ+ পায়নি যা আগে ছিল ৬০-৭০ জনে। যেসব পোলাপান ২বছর ধরে ঢাকা কলেজের ভাই ব্রাদার দের সাথে ঘুরত, মুখে ২-৪টা বিড়ি নিয়ে সুখ টান দিত। সুযোগ পেলে মেয়েদের উত্যক্ত করত কিংবা বিভিন্ন বিদেশি মাল খেত (শুরা)। তারাও গোল্ডেন!!!!!
কাহিনীটা আমাকে ব্যাপক প্যারা দিচ্ছে
১২ তারিখ পর্যন্ত মেসেজ পাঠানোর সময় বেঁধে দিছে, তার পর ৮টা কলেজে এ পাঠানোর পর ও কম মনে হচ্ছে।
আমি এইরকম ব্যাপক এ+ পাওয়ার তীব্র নিন্দা জানাই। নুরা কাকুর কাছে আকুল আবেদন যারা খাতা দেখে তাদের খাতা দেখার সময় দিন এবং ভুয়া এ+ কমানোর সুযোগ দিন। যতই এ+ বাড়বে পড়াশুনার মান নিয়ে ততই প্রশ্ন উঠবে। আমরা যারা ২বছর কষ্ট করে পড়ছি তাদের জীবনটা ধ্বংস করবেন না। আর আরেকটা কথা, যতই এ+ বা পাশ বাড়ান, ততই আপনারা পচবেন।
আর যদি এরকম চালিয়ে যেতে চান তাহলে কলেজে ভর্তি পরীক্ষা নেন। তখন দেখবেন কয়জন চান্স পায়

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



