
জেদ্দার চোর রাজাকার বশির এখন আওয়ামী দালাল। যে নিজেই পরিচয় তুলে ধরেছে। এদের কি করা যায় ?? বলুন-:
আমার পরিচয়। রাজনৈতিক বেহায়া আমি নেয়ামুল বশির :
১.স্কুল জীবনে আমি শিবিরের রাজনীতি করতাম সক্রিয় ভাবে। ২.জেদ্দায় এসে জড়িয়ে পডি বি এন পির রাজনীতির সঙ্গে , সর্ব শেষ ৩. আমি আওয়ামিলিগ ক্ষমতায় আসার পরে আওয়ামী দালাল হয়ে বেপক আলোচনায় আসি , এখন অব্দি আওয়ামিলিগ কে বেবহার করে সকল লুটপাট কে হালাল করেছি।
এতে জেদ্দার প্রবীন শিক্ষিত আওয়ামিলিগরা বিক্খুদ্দ। কিন্তু আমার সাথে আওয়ামী কিছু লোক থাকায় কেউ কিছু করতে পারছেনা।অবশ্য এর জন্য স্কুল ফান্ড থেকে আমি প্রতি মাসে ২০০০০ রিয়াল করে দিতে হচ্ছে।
সৌদি আরবে আমি বশির :: প্রথমে জেদ্দায় আসি পেনাসনিক কোম্পানির ক্লিনার হিসেবে। তখন একজনের টাকা চুরির অপরাধে আমি চাকরচ্চুত হই , তার পর যোগদান করি দুলহুল কোম্পানিতে ক্লিনার হিসেবে সেখানেও অসদাচরণের জন্য চাক্রিচ্চুত হই ,তারপর যোগদান করি এলজি কোম্পানিতে সেলসমেন হিসেবে।
এখন আপনারাই বলেন আমি একজন salesman কত টাকা বেতন পাই??? কিভাবে আমি ৩৫০০০ রিয়াল এর বাসায় ভাড়া থাকি ?? কিভাবে আমার ছেলেকে প্রথমে মালেশিয়ায় ভর্তি করি ?? আবার সেখান থেকে ৬ মাস পর কানাডার বিশ্ববিদ্যালয় এ ভর্তি করি ??
এর পুরু বিচারের ভার আপনাদের হাতেই দিলাম। -------------------
আমার শিক্ষাগত যোগ্যতাঃঃ শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে জালিযতি নিজের এবং আমার স্ত্রীর :: আমার ভুয়া জাল সার্টিফিকেট এর কথা সবাই জানে ইভেন আগের সিজি সহ জেদ্দার গণমাধ্যম ,ও সুশীল সমাজ জানে গত স্কুল নির্বাচনে আমি ভুয়া সার্টিফিকেট দিয়ে নির্বাচন করি,সেখানে আমাকে সহায়তা করেন আক্কাস মিয়া,কাসেম মজুমদার সহ অনেকেই। আর আমার স্ত্রী জাল বি এড সার্টিফিকেট দিয়ে আজও বাংলাদেশ ইন্টারনেশনাল বাংলা শাখায় কর্মরত।আমি বি এন পির সময় তত্কালীন ঢাকার উত্তরার এম পি মেজর কামরুলের করুণায় আমার স্ত্রীর চাকুরী হয় , যিনি আজ অব্দি ঐখানেই কর্মরত আছেন। অথচ আমি আওয়ামিলিগ করি !?? -------------- জেদ্দার বিভিন্ন মিডিয়ার লোকদের মাসিক ভাতা দিয়ে আমি তাদের ও মুখ বন্দ রেখেছি স্কুলের টাকা দিয়েই।যেমন চ্যানেল আইর রুমি সাঈদ সহ অনেকেই। এখন এর দায়ভার আপনাদের উপরি ছেড়ে দিলাম। ১৬০০ ছাত্রের টাকা মেরেছি আমি। সবাই আমাকে ক্ষমা করলেও আমি আমাকে ক্ষমা করতে পারছিনা।
তাই আপনাদের সব খুলে বললাম। বিচারের ভার আল্লাহের কাছে ও দিলাম। যেন আল্লাহ্ পাক আমাকে বা আমার ছেলেকে মেরে তার যেন প্রায়শ্চিত্য করেন ।আমীন। চলবে....

সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ২:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




