বাংলাদেশীদের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ অপপ্রচারের কারণে যেহেতু সৌদি সরকারের মধ্যেই বাংলাদেশীদের সম্পর্কে অনীহা তৈরী হচ্ছে সেহেতু বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ে এ বিষয়ে আলোচনা হতে হবে। প্রধান উপদেষ্টার উচিত সৌদি আরব এসে বাদশাহ আবদুল্লাহর সাথে ১০ মিনিটের জন্য হল্ওে একটা আলোচনা করা এবং তাকে অনুরোধ করা ভ্রাতৃপ্রতিম মুসলমান বাংলাদেশীদের প্রতি সদয় হ্ওয়ার। এছাড়া ্ও পরিস্কারভাবে বাদশাকে অবহিত করা যে, কোন বাংলাদেশী অপরাধমূলক কার্যক্রমের সাথে জড়িত থাকলে তারা বিচারের জন্য বাংলাদেশ সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে এবং কেউ বড় অপরাধ করে বাংলাদেশে পালিয়ে গেলেও সৌদি সরকারের তথ্যের ভিত্তিতে তাকে দেশেই বিচারের ব্যবস্থা করবে। এছাড়াও সৌদি আরবে অপরাধমূলক কার্যক্রমের সাথে জড়িত থাকলে অভিযুক্ত ব্যাক্তির পাসপোর্ট নবায়ন করা হবেনা এরকম কঠোর আইন বাংলাদেশ সরকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছে তা সৌদিসরকারের বিভিন্ন স্তরের ব্যাক্তিদের বোঝাতে হবে।
যেহেতু একটি আরবী ্ওয়েবসাইট, কয়েকটি দৈনিক পত্রিকায় ব্যপকভাবে প্রচারিত হয়েছে যে, বাংলাদেশী কমিউনিটি সর্বোচ্চ ক্রাইম এর সাথে জড়িত, এই বিষয়টি প্রতিরোধ করতে হলে সৌদি সরকারের সহযোগিতায় গত কয়েক বছরের অপরাধমূলক কার্যক্রমের তিয়ান সংগ্রহ করে মিডিয়ার কাছে তুলে ধরতে হবে যে, অপরাধমূলক কার্যক্রমের েেত্র বাংলাদেশ মোটে ও শীর্ষস্থানীয় নয়। মিডিয়ার পূর্বে যে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে তা ভুল প্রমাণিত করতে হবে তথ্যের ভিত্তিতে। প্রয়োজনে সৌদি মিডিয়ার শীর্ষস্থানীয় ব্যাক্তিদেরকে নিয়ে অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে হবে এবং সেখানে সৌদিআরবে বসবাসরত বাংলাদেশীদের পজিটিভ কর্মকান্ডগুলিকে ফলাও করে প্রচার করতে হবে । যেখানে বিভিন্ন দেশের অনুষ্ঠানগুলিতে সৌদি মিডিয়ার প্রতিনিধিগন উপস্থিত থাকেন সেখানে বাংলাদেশের জাতীয় অনুষ্ঠানগুলিত্ওে সৌদি মিডিয়া অনুপস্থিত থাকে। এটা বাংলাদেশ এম্বেসী, কনসুলেট এবং বাংলাদেশী কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের এক বিরাট ব্যার্থতা। যে কোন প্রক্রিয়ায় সৌদি মিডিয়ার সাথে বাংলাদেশ এম্বেসী , কনসুলেট এরংবাংলাদেশী কমিউনিটি মধ্যে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। কিভাবে করতে হবে তা অবশ্যই সৌদিআরব এসে পরিস্থিতি যাচাই করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
বাংলাদেশী কমিউনিটির মধ্যে সকল গ্র“পিং বন্ধ করে সবাই এক কাতারে এসে কাজ করতে হবে। অপরাধী যেই হোক বাংলাদেশী কমিউনিটি তাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। আঞ্চলিকতা এবং রাজনীতিক প্লাটফর্ম বাদ দিয়ে সোসাল ডেভোলপমেন্ট বিষয়ক ফোরাম তৈরী করতে হবে এবং এসব ফোরামের গঠনমূলক কার্যক্রম ফল্ওা করে সৌদি মিডিয়ায় প্রকাশ করার ব্যবস্থা করতে হবে।
যেহেতু সৌদি সরকার ঘোসনা দিতে যাচ্ছে যে, ১.৫ মিলিয়ন এর বেশী শ্রমিক কোন একক দেশ থেকে নেয়া হবেনা সেহেতু বাংলাদেশ থেকে নতুন শ্রমিক আনা বিরাট এক অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যাবে। একটা ভ্রাতৃপ্রতিম মুসলিম দেশ হিসাবে বাংলাদেশ যে অন্যদের চেয়ে বেশি সুবিধা দাবি করতে পারে তা সৌদি সরকারকে বুঝিয়ে বাংলাদেশীদের জন্য কোটা বৃদ্ধি করতে হবে । আর যদি আপাতত কোটা বৃদ্ধি করা না যায় তাহলে কম বেতনে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক পাঠানো বন্ধ করতে হবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



