প্রহলাদ মন্ডল সৈকত, নিয়োগ পরিক্ষার পুর্বেই প্রার্থীর কাছ থেকে ডোনেশনের টাকা নিয়ে প্রার্থী চুড়ান্ত করার চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় অভিভাবক মহলের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনাটি ঘটেছে,কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলাধীন চান্দামারী ফাজিল মাদ্রসায়।
জানা গেছে, উপজেলার এ বিদ্যাপিঠে প্রিন্সিপাল নজরুল ইসলামের তেলেসমাতিতে ম্যানেজিং কমিটি নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল। ফলে এ প্রতিষ্ঠনটিতে শিক্ষা ব্যবস্থা ভেস্তে যেতে বসেছে। অবশেষে বিভিন্ন দলাদলির পর এমপির ডিওলেটারে এমপির প্রতিনিধি হিসেবে সভাপতি পদে সাখাওয়াত হোসেন নির্বাচিত হয়। এরই মধ্যে ম্যানেজিং কমিটির অধিকাংশ সদস্য ও টিআর প্রতিনিধিকে না জানিয়ে গোপনে প্রিন্সিপাল নজরুল ইসলাম সভাপতির সাথে আতাত করে ৮টি পদের বিপরীতে প্রায় ৪০ লাখ টাকা গোপন চুক্তির মাধ্যমে উপাধ্যক্ষ পদে আখতার আহসানসহ অধিকাংশ প্রার্থী চুড়ান্ত করে। পরে প্রার্থীর টাকা দিয়ে গোপনে পত্রিকায় বিধিবর্হিভূতভাবে মাদ্রাসার ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি না দিয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে পত্রিকা গায়েব করে দেন। ঘটনাটি এলাকায় ফাঁস হয়ে পড়লে সভাপতি, প্রিন্সিপাল ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ব্যপারে ওই প্রতিষ্ঠানের টিআর প্রতিনিধিরা জানান, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সম্পর্কে কিছুই জানি না। সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন জানান, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রিন্সিপাল দেয়ার কথা ছিল। দিছে কি-না জানি না। প্রিন্সিপাল নজরুল ইসলাম জানান, পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার চঞ্চল কুমার ভৌমিক জানান, স্থানীয় এমপির প্রতিনিধি বেশীর ভাগ প্রতিষ্ঠানের সভাপতি হওয়ায় আমরা সঠিকভাবে খোঁজখবর নিতে পারি না। নিয়ম অনুযায়ী মাদ্রাসা বোর্ডের ওয়েবসাইটে দিতে হবে। #

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




