আমি আমার অনেক গুরুত্বপূর্ন ডকুমেন্ট(ওয়ার্ড, এঙ্লে) ও প্রায় 200 কন্টাক্ট নাম্বার রেখেছি। ইন্টারনেট থেকে ফ্রি ই-বুক নিয়ে পিডিএফ ফাইল হিসেবে পড়তে পারছি, শুনতে পারছি মিউজিক। টিএঙ্-এ আগের পিডিএগুলোর তুলনায় অনেক ভালো মানের মিউজিক শোনা সম্ভব। আমার কোন একটা ব্লগে বলেছিলাম আমি মোবাইল দিয়ে ছবি তুলতে ভালোবাসি। আমার নোকিয়া এন70 মোবাইলে ব্লুটুথ থাকার কারণে খুব সহজেই আমি ছবিগুলো পিডিএতে ট্রান্সফার করে, অবসর সময়ে দেখি। ছবিগুলো খুবই সুন্দর আসে, কারণ এই পিডিএ'র মনিটর 16বিট কালার সাপোর্টেড। আপাতত আমি একটা 1গিগাবাইট-এর এসডি মেমরি কার্ড ব্যবহার করছি, খুব শীঘ্রই একটা 2গিগা এসডি কার্ড কিনবো আশা করছি। যদিও আমি বলবো 1গিগাবাইট এর একটা কার্ডই যথেষ্ট, যদি না আপনি এটাকে মিউজিক প্লেয়ার হিসেবে ব্যবহার করেন।
আমাকে অনেকেই বলেছিলেন, মোবাইল সহ পিডিএ বা এমডিএ কেনার জন্যে, কিন্তু আমি কখনোই পিডিএর মতো একটা বড় ডিভাইস মোবাইল ফোন হিসেবে ব্যবহার করতে সাচ্ছন্দ্য বোধ করিনা, আমার ব্যক্তিগত অভিমত হলো, পিডিএ আর মোবাইল ফোন আলাদা হওয়াটাই ভালো। তবে এর সুবিধা যেমন আছে, তেমনি অসুবিধাও আছে। যদিও নোকিয়া এন70 মোবাইলে পিডিএর প্রায় সব বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান, তবুও বলবো খানিকটা বড় স্ক্রিনে নিউজ পড়া, মেইল চেক করার মজাই আলাদা।
বাংলাদেশে যেহেতু ওয়াই-ফাই এর ব্যবহার খুবই কম, তাই আপনারা ইচ্ছে করলেই ব্লুটুথ এনাবল মোবাইল ফোনের সাথে কানেক্টেড করে, জিপিআরএস ব্যবহার করতে পারেন এই পিডিএ দিয়ে। এছাড়াও এর আরো অনেকগুলো ফিচার আছে, যেগুলো আপনারা পাম এর ওয়েব সাইটে গিয়ে জানতে পারেন।
আমাদের এই ব্লগিং সাইটে অনেকেই পিডিএর প্রতি দুর্বল থাকতে পারেন, কেউ হয়তো ব্যবহার করছেন, আর কেউ হয়তো ভাবছেন কিনবেন। যারা নতুন কিনতে চাচ্ছেন তাদের প্রতি আমার বক্তব্য হলো আপনারা পাম টিএঙ্ কিনে ব্যবহার করতে পারেন খুব সাচ্ছন্দ্যে। আশা করছি আপনি নিরাশ হবেন না।
পাম টিএঙ্-এর বৈশিষ্ট্যগুলোঃ
- পাম এর নতুন অপারেটিং সিস্টেম গারনেট 5.4
- ইন্টেল 312 মেগাহার্টজ এআরএম প্রসেসর
- ইন্টারনাম মেমরি 128মেগা বাইট।
- 320* 480 (16বিট) টাচ স্ক্রিন।
- বিল্ট-ইন ওয়াই-ফাই
- ব্লুটুথ ও ইনফ্রারেড
- মাইক্রোসফট অফিস (ওয়ার্ড, এঙ্লে, পাওয়ারপয়েন্ট)
- নোটপ্যাড
- এমএমসি, এসডি, এসডি আই/ও কার্ড সাপোর্ট
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:০৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



