somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সামুতে ১৪ বছর পূর্তি

২৮ শে জুন, ২০২০ দুপুর ১২:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বিগত বেশ ক'মাস ধরে একটা ব্যক্তিগত গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্টে কাজ করছি। মূলত একাই ডাটাবেস ডিজাইন, মডেলিং করা, স্ক্রিপ্ট তৈরী করে সেটা সার্ভারে রান করা, কোড ডিবাগ করা, নতুন কোড লিখার কাজ করছি। পাশাপাশি যোগ হয়েছে, প্রকাশনীতে সাহিত্য সংরক্ষেনের কাজ। থিম ডেভেলপ করা, বাগ ফিক্স করা। ওয়ার্ডপ্রেস কমিউনিটির জন্য প্লাগিনের আপডেট রিলিজ করা। ব্যক্তিগত বিশাল ডাটা আর্কাইভিং এর জন্য তথ্যগুলো সাজানো, সেটা ডিস্কে বার্ণ করে নিরাপদে সংরক্ষণ করা। বলা যায়, এক প্রকার ভীষণ ব্যস্ততায় কাটছে। মাঝে মধ্যে সামুতে ঢুঁ দিচ্ছি। নিজের ব্যক্তিগত ব্লগ বেশ কিছুদিন ধরে অবহেলিত হয়ে পড়ে আছে। এতকিছু একার পক্ষে বেশ কঠিন হয়ে যাচ্ছে, তবুও চেষ্টা করে যাচ্ছি।

রাতের খাবার শেষ করে প্রজেক্ট এর কোড রিভিউ করছিলাম, হঠাৎই মনে হলো সামুতে ঢুঁ দিয়ে আসি। ঢুকেই দেখলাম সামুতে কয়েক ঘন্টা আগেই আমার ১৪ বছর হয়েছে। কয়েক সেকেন্ড-এর জন্য ভাবছিলাম কতগুলো বছর চলে গেলো! অবশ্য বেশীক্ষণ ভাবিনি। ভেবে কোন লাভও নেই। সময়তো বহতা নদীর মতো, তবুও মানুষ বলেই হয়তো পাওয়া না-পাওয়ার ভাবনাগুলো মনের অজান্তেই চলে আসে। আসলে ব্লগে কোন প্রাপ্তির প্রত্যাশা নিয়ে নয়, নিতান্তই নিজের মনের ভাবনাগুলো প্রকাশ করার জন্যেই আসা।

পৃথিবীটা একটা অস্থির আর অভাবনীয় সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। ১৪ বছর আগের সময় আর আজকের মধ্যে ব্যবধান এতটাই বেশী যে, সেটা নিয়ে ভাবতেও এক রকম ভয় কাজ করে। সবার মধ্যেই এক অজানা উদ্বেগ, উৎকন্ঠা। কিন্তু এমনতো হওয়ার কথা ছিলো না! লিখালিখির জন্য যে পরিবেশ প্রয়োজন সেটাও আর অতটা স্বচ্ছ বা স্বাধীন নেই। কোন একটা ইস্যু মনে আসলেই সেটাকে অবাধে লিখার মতো পরিবেশটাকে আরো বেশী সংকুচিত করে ফেলা হচ্ছে ব্যক্তিগত আক্রমন করে। কোন মতামতের উপর গঠনমূলক সমালোচনা হতে পারে, তবে অনেকেই সে ধরনের মানসিকতা পোষণ করেন না। পুরো ব্যাপারটাকেই বেশ উদ্বেগজনক মনে হচ্ছে। এ ধরনের সমাজ ব্যবস্থা বা মানসিকতা দিয়ে আর যাই হোক সামনের দিকে এগিয়ে যাওয় কঠিন।

শুধু বলবো, সব কিছুর পরেও লিখালিখির এই অভ্যেস যেন অব্যাহত থাকে। ক্রান্তিকাল বরাবরই ছিলো, আছে আর থাকবে। এর মাঝেই আমাদের সবাইকে এগিয়ে যেতে হবে। আগামী দিনগুলো সবার জন্য সুন্দর হোক, এই প্রত্যাশাই করছি। সবাই ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে জুন, ২০২০ দুপুর ১:৪২
১৭টি মন্তব্য ১৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

তেল-চাউলে তেলেসমাতি !

লিখেছেন সাইন বোর্ড, ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:২৬


মুদি দোকানে গিয়েছিলাম বিরিয়ানির মসলা কিনতে । দোকানি আমাকে দেখে কিছুটা আফসোস করে বলল,ভাই ফাটাফাটি একটা ব্যবসা চলে গেল, দশ লাখ টাকার সয়াবিন তেল কিনে রাখলে এখন একেবারে লাল... ...বাকিটুকু পড়ুন

শীতের পিঠা ও রস

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:১৯

১।



পাটি সাপটা ঃ

শীত এলেই পিটা খাওয়ার ধুম পড়ে যায় সারা বাংলাদেশে। এছাড়াও সারা বছরই অল্প-স্বল্প পিঠা বানানো ও খাওয়া হয়। এলাকা বেধে একেক পিঠার একেক নাম আবার বানানো... ...বাকিটুকু পড়ুন

» আলোকচিত্র » বাংলাদেশের ল্যাভেন্ডার ফুল

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৪:২৪

০১।



এবার শ্বশুর বাড়ীতে এই বেগুনি বুনোফুলের দেখা পেলাম। নাম দিয়েছি বাংলাদেশের ল্যাভেন্ডার। ফসলের ক্ষেতজুড়ে এই ফুল ফুটে আছে। এখানে সেখানে থোকা থোকা বেগুনি ফুল দেখে মনটাই আনন্দে ভরে উঠেছিলো।

একটি ক্ষেত... ...বাকিটুকু পড়ুন

সোহানী আপার জীবন ও জীবিকার গল্প আমার ভীষণ ক্ষতি করে দিয়ে গেলো... :-B

লিখেছেন পদ্ম পুকুর, ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৫:৩৯


ছোটবেলা থেকেই ‘আউট বই’ পড়ার মারাত্মক নেশা ছিলো। সে নেশা এমনই যে এসএসসি পরীক্ষা চলাকালীন এক সন্ধ্যায় হুমায়ূনের নতুন একটা বই হাতে আসলো, যেটা আবার পরদিনই ফেরত দিতে হবে, অতএব... ...বাকিটুকু পড়ুন

নতুন প্রেসিডেনট বাইডেন প্রথমদিন মারাত্মক কিছু ভুল করেছেন।

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৮:৪৬



অভিষেকের দিন(২০ই জানু ), বিকেলবেলা হোয়াইট হাউসে ঢুকে জো বাইডেন ১৭ টি এক্সেকিউটিভ অর্ডার সাইন করেছেন; ইহা করে তিনি ভয়ংকর ধরণের বড় ভুল করেছেন বলে আমার মনে হচ্ছে!... ...বাকিটুকু পড়ুন

×