দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সুভাষচন্দ্র বসুর বিচার হবে কি না তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু করেছিল তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার। ভারতে নিযুক্ত ভাইসরয় লর্ড ওয়াভেলের জন্য তৎকালীন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে আর এফ মুডি যে নোট তৈরি করেছিলেন, তাতে এমনই ইঙ্গিত রয়েছে। নথি প্রকাশ করে দাবি লন্ডনের সাংবাদিক আশিস রায়ের। তাঁর পেশ করা নথি অনুযায়ী, চূড়ান্ত গোপন ওই নোটটি লেখা হয়েছিল ২৩ অগাস্ট, ১৯৪৫। তাতে সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে ব্রিটিশ সরকার কী কী করতে পারে সে রকম বেশ কয়েকটি সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছিল।
সুভাষচন্দ্র বসুকে ভারতে এনে তাঁর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলায় বিচার চালানো যেতে পারে। রানির শত্রু পক্ষের হয়ে কাজ করার অভিযোগ আনা যেতে পারে।
বার্মা অথবা মালয়ের আদালতে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে বিচারে হতে পারে সুভাষচন্দ্র বসুর।ভারতের বাইরে সেনা আদালতে তাঁর বিচার হতে পারে।সুভাষচন্দ্র বসুকে ভারতে নজরবন্দী করে রাখা যেতে পারে।সেশেলস-এর মতো ব্রিটিশদের দখলে থাকা অন্য কোনও জায়গাতেও তাঁকে অন্তরীণ করা যেতে পারে।
অথবা সুভাষচন্দ্র বসুকে আত্মসমর্পণ করতে না বলে, তিনি যেখানে আছেন, সেখানেই তাঁকে থাকতে দেওয়া যেতে পারে।
তবে, লন্ডনের সাংবাদিক আশিস রায়ের পেশ করা নথি অনুযায়ী, আর এফ মুডি মনে করতেন না, ভারতে সুভাষচন্দ্র বসুর বিরুদ্ধে বিচার চালিয়ে তাঁকে ফাঁসির সাজা দেওয়ার কোনও সম্ভাবনা ছিল।

সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




