somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সখি ভালোবাসা কারে কয় ।। প্রথম কথা।।

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ১০:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



দ্বিতীয় কিস্তি


শুনশান নিরবতা অপূর্ব বিকেল কিছুটা ঠাণ্ডা বাতাস প্রবাহমান আকাশ খানিকটা নিস্তেজ ,আকাশের রঙ ক্রমশঃ নীল আভা আর লালচে বর্ণ ধারন করেছে, সব মিলে খুব সুন্দর পরিবেশ।
অপূর্ব অপুকে জিজ্ঞাসা করল অলককে দেখেছে ? বিস্ময় চেয়ে রইল অপু অপূর্বর দিকে!
জিজ্ঞাসা করল অলক এসেছে ? বন্ধু আসার খবরে অপুর মনে কি দারুণ অনুভূতি অনুভব করছে।মন আজ অনেক প্রফুল্ল উৎফুল্ল। কোথায় দেখেছিস বল আমায়,উত্তেজনা এত বেশি ছিল যে বাকি কথা না শুনে অপু শুকুন্তলা আর অপূর্বের সঙ্গ ত্যাগ করল।কিছুক্ষন দুইজনে হাঁটার পর শুকুন্তলা তার বাসা অবধি পৌছে গেল শুকুন্তলা অপূর্বের কাজ থেকে বিদায় নিল খুব বিষণ্ণ মনে,শুকুন্তলার ও মন খারাপ বান্ধবীর প্রেমিকার কারনে।অপূর্ব বিদায় বলে আনমনে শুকুন্তলা থেকে নিল ।
অপূর্ব কি যে ভাবছে অলককে নিয়ে?কোথায় ছিল কি করেছে ? এখন কোথায় থেকে এসেছে?
সন্ধ্যা হল পড়ার জন্য প্রস্তুত হঠাৎ ফোনের ক্রিং ক্রিং আওয়াজ
অপুর ফোন, কিন্তু কেন ফোন করল?
নন্দিনী ফোন ধরল-
হ্যালো নন্দিনী কেমন আছ, আমি শুনেছি অলক এসেছে,তোমার সাথে দেখা বা কথা হয়েছে তার কি খবর একটু বলবে।
অপুর প্রশ্ন গুলো তীরের মত হৃদয়ে আঘাত করছে কোন উত্তর দেয়ার সময় এবং জ্ঞান আপাতত তার কাছে নেই।
হ্যাঁ দেখা হয়েছে!
কলেজে আসলে সব বলব বলে ফোনটা কেটে দিল।

মন খুব আনচান করছে শকুন্তলার কি জানি বুঝে উঠতে পারছেনা।খুব বেসামাল লাগছে , দীর্ঘ সময়ের পরিচিত অলক আজ যেন অন্যরকম মনে হচ্ছে । রাশি রাশি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে মনে! কাকে বলবে মনের কথা!কোন কিছুতে মন বসছেনা কি হয়েছে আমার নন্দিনীর চিন্তায় নিজে যেন চিন্তিত। হতাশার মাঝে আশার আল দেখতে ফেল হঠাৎ। চিন্তা করলো অপূর্বকে ফোন করে আগামি দিনের কি করব ঠিক করে নেবো, শকুন্তলার পড়ায় মন বসছেনা ঘুমানোর জন্য প্রস্তুত হতে লাগল।

পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঁকি দিয়েছে , সূর্যের আলোয় মনে করিয়ে দিচ্ছে সকাল হয়েছে ।চারিদিকে পশুপাখির কিচিমিচি আওয়াজ । কর্মস্থলে যাওয়ার মানুষের প্রস্তুতি।সব মিলিয়ে অন্য রকম পরিবেশ।

অপুর ঘুম ভাঙ্গে নন্দিনী কথা চিন্তা করে,কি করার আছে তার?কি তার সামর্থ্য? কি বা করতে পারবে নন্দিনীর জন্য।সমস্ত ভাবনা গুলো কিছুক্ষন পর পর হৃদয়কে আহত করে । অলক ও বা কেন এভাবে উপেক্ষা করল নন্দিনীকে! কি ঘটেছে তাদের মধ্যে ইত্যাদি .......

চলবে ........
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ১১:২০
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাঁধনের কেন ফেমিকন লাগে !!!

লিখেছেন অপলক , ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:৩৪



বাঁধন এখন বন্ধন মুক্ত। মিডিয়া পাড়ায় সরব উপস্থিতি। উপর মহলের ডাকে সারা দিতে হয়। কাজেই ফেমিকন লাগতেই পারে। মানে ফেমিকনের এ্যাড করা লাগতেই পারে। মিডিয়া আইকন হিসেবে জনসচেতনাতা বাড়াতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে ফিরে আসো

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৬


সময়ের সাথে সাথে নিজেকে বদলে নিতে হয়,
তোমার শরীর জুড়ে যখন
অভিজ্ঞতার গল্প পাঠের আসর,
তখনও ছেলে ভোলানো ছড়ায়
নিজেকে ভোলালে চলে?

আঁজলা ভরে সময়ের যন্ত্রণাকে পান কর,
পান কর সত‍্যকে।
পান কর... ...বাকিটুকু পড়ুন

“উন্নয়নের দুর্ভিক্ষে বাংলাদেশ”

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৮



বাং/লাদেশের মূর্খ জনগণ উন্নয়নের চেয়ে কথিত ফ্যাসিবাদকে বড় করে দেখেছে কিন্তু “উন্নয়নের দুর্ভিক্ষ” কি জিনিস তা দেখেনি।

দেখতে থাকুক….। আর ভাতের দুর্ভিক্ষ শুরু হলে বলে…..।

ফ্যাসিবাদ দূর করতে গিয়ে উন্নয়নই "নাই"... ...বাকিটুকু পড়ুন

মঞ্জুর চৌধুরীর ছোট গল্প "নভেম্বরের শেষ বৃষ্টি"

লিখেছেন মঞ্জুর চৌধুরী, ২৬ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:১৩

নভেম্বরের শেষ বৃষ্টি
মঞ্জুর চৌধুরী

নীরা কথাটা বিশ্বাস করতে পারছে না। তাঁর স্বামী আরমানের আরেক মেয়ের সাথে সম্পর্ক ছিল? এই আরমান কিনা সবসময়ে আবৃত্তি করতো "এই হাত ছুঁয়েছে নীরার মুখ, আমি কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরীয়সী

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৭ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:০৭



আমাদের সেই পুরনো ভিটেটার অস্তিত্ব  এখন আর নেই। তবে বুকের গহীনে ভিটেমাটির মায়াটুকু  ঠিক আগের মতোই রয়ে গেছে। কত স্মৃতি, কত গান, কত গল্প-কোলাহল,  মান- অভিমান ! চাইলেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

×